1. hannang16@gmail.com : hannan :
  2. mdsalamsantu@gmail.com : Abdus Salam Santu : Abdus Salam Santu
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
English Version
শিরোনাম
নওগাঁয় ৬শ পরিবারের মাঝে বিজিবি’র ত্রাণ সহায়তা ঝুঁকিপূর্ণ নওগাঁর আস্তান মোল্লা সড়ক; চলাচল স্থগিত সংকট মোকাবিলায় শেখ হাসিনার দূরদর্শীতা অনুকরণীয় -এমপি শাওন ভান্ডারিয়া পৌরসভায় অবৈধভাবে হাইওয়ে টোল আদায়ের অভিযোগ চরফ্যাশনে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান বিতরণ চরফ্যাশনে সালিস বৈঠকে সংঘর্ষ ; কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতিসহ আহত-২০ লালমোহনে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালিত ভোলায় বীট ও রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৬০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করোনা পরবর্তী খাদ্য ঘাটতি মোকাবিলায় মৎস্য চাষে গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী-এমপি শাওন শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার

সিরাজগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মানবেতর জীবনযাপন

সাধন কুমার দাস, সিরাজগঞ্জ :
  • আপডেট টাইম রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২০
  • ২১ বার পঠিত

একমাসের অধিক সময়ের মধ্যেই তৃতীয় দফায় একটানা চতুর্থ দিনেও যমুনা নদীর পানি বেড়েই চলেছে। বইছে বিপৎসীমার ৯৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে। পানি বাড়ার সাথে সাথে ভয়ঙ্কর ভাঙনে আশ্রয়হীন ও গৃহহীন হয়ে পড়েছে যমুনাপাড়ের মানুষেরা। এদিকে যমুনা নদীর পানি অব্যাহতভাবে বেড়ে বিপৎসীমার অনেক উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। জেলার বন্যা কবলিত ৬টি উপজেলা কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ সদর, বেলকুচি,চৌহালী, শাহজাদপুর ও উল্লাপাড়ার বানবাসি পানিবন্দী ৩ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষেরা বিশুদ্ধ পানি, জ্বালানি, শুকবে খাবার, টয়লেট পয়ঃনিস্কাশন, শিশু খাদ্য,ওষুধপাতির অভাব ও গো খাদ্যের সংকটে দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে। সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ডক্টর ফারুক আহম্মদ জানান,বন্যাকবলিত মানুষের জন্য ৪০০ টন জিআর চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে ১৪২ টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। বর্তমানে মজুদ আছে ২৫৮ টন চাল। শিশুখাদ্য ও গো-খাদ্যের জন্য চার লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে ৩৯৫০টি প্যাকেট। অন্যদিকে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তীব্র স্রোতে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছোনগাছা ইউনিয়নের ১৫০ মিটার সিমলা স্পার বাঁধ সম্পূর্ণ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। একই সঙে শতাধিক ঘরবাড়ি, বসতভিটা, গাছপালা মুহূর্তের মধ্যে নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এছাড়া ভাঙনের মুখে রয়েছে আরো অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। অনেকে ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। ভাঙনকবলিত মানুষ বাঁধের ওপর ও খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। বাঁধের ওপর ঝুপড়িঘর তুলে বসবাস করছে অনেক পরিবার। গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছে তারা। স্পার বাঁধ ধসের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলতিকে দায়ী করেছেন স্থানীয়রা। ২০০০-০১ অর্থবছরে ভাঙন এড়াতে যমুনার গতিপথ পরিবর্তনের লক্ষ্যে সিমলা এলাকায় স্পার বাঁধটি নির্মাণ করা হয়। এরপর বেশ কয়েকবার স্পারটি সংস্কারও করা হয়েছে। স্পারটি গত ১ জুন প্রথম দফায় প্রায় ২৫ মিটার ধসে গিয়ে নদীতে বিলীন হয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধস ঠেকাতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু পুরো স্পারটি নদীতে বিলীন হয়ে যায়। স্পার বাঁধ ধসের ঘটনায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বিস্তারিত কোনো কথা বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন উপবিভাগীয় প্রকৌশলী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় লকডাউনে আছি আমরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2016
Theme Dwonload From www.crimebanglanews.com
themesbazacbanglan14