
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলাধীন খোশনদী দাখিল মাদ্রাসায় অফিস সহকারী পদে একজন কর্মরত থাকা সত্ত্বেও নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে ঘিরে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত সুপার গিয়াসউদ্দিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, খোশনদী দাখিল মাদ্রাসায় বর্তমানে একজন অফিস সহকারী নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ কোনো শূন্যপদ ঘোষণা ছাড়াই পুনরায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়, যা এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার নিয়োগ বিধিমালার পরিপন্থী বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষক ও চাকরিপ্রত্যাশীদের অভিযোগ—এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার আড়ালে স্বজনপ্রীতি এবং আর্থিক লেনদেনের আশঙ্কা রয়েছে।
মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন,
“বর্তমান অফিস সহকারীকে বাধ্যতামূলকভাবে অপসারণের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তার জায়গায় ভারপ্রাপ্ত সুপারের ছেলেকে নিয়োগ দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। এ বিষয়ে আমরা সবাই সোচ্চার।”
বর্তমান সভাপতি কামাল উদ্দিন বলেন, “একজন অফিস সহকারী কর্মরত থাকা অবস্থায় আরেকজন নিয়োগ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এটি সম্পূর্ণ বিধিবহির্ভূত।”
এ বিষয়ে খোশনদী দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার গিয়াসউদ্দিনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ‘ব্যস্ত আছি’ বলে ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানান, এমপিওভুক্ত দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগ দিতে হলে অবশ্যই শূন্যপদ থাকতে হবে এবং বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হয়। এর ব্যত্যয় ঘটলে তা গুরুতর অনিয়ম হিসেবে গণ্য হয়।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন