
ভোলা বোরহানউদ্দিন কাচিয়া ২ নং ওয়ার্ড মন্দি বাড়িতে পিতা শাফিজল মন্দি (৬০) কে দিয়ে তার বড় পুত্র নুরনবীকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর দাবি।
ঘটনার বিবরণে জানা গেছে শাফিজল মন্দির ৩ ছেলে ৩ মেয়ে।বিগত ১১ তারিখে একই বাড়ির খোকন ও হানিফ মেস্তরীর সাথে নুর নবীর পিতার সাথে প্রথমে ঝগড়া এবং পরে মারামারি হয়। উক্ত কারণে দুই পক্ষই বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিল। পরবর্তীতে নূর নবীর পিতা নূর নবীকে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে গিয়ে তাদের সাথে মারামারি করতে বলে। কিন্তু নূরনবী তার পিতার কথা শুনেনি।
নুরনবির বক্তব্য মতে, নূর নবীর পিতা নূর নবীর কাছেই, বিগত দিন ছিল। এবং তাদের ভরণ পোষণ নুরনবী নিজেই করতো।বাড়ির ভেতরে ঝগড়ার কারণে পিতার সাথে তার মতানৈক্য হয়।নূর নবী বলেন তার বোন, দুই ভাই এবং ভগ্নিপতিদের ও কু পরামর্শে আমার বাবা আমার নামে মামলা দেয়। আমি নাকি তাকে ঘরে ঢুকতে দেয়নি।অথচ সাংবাদিক ভাইরা আপনারা তো দেখলেন ঘর খোলা।এবং ঘটনার দিন আমি আমার শ্বশুর বাড়িতে ছিলাম। যদি সবাই বলে এবং আমি প্রমাণ করতে পারি আমি শ্বশুর বাড়ি ছিলাম তাহলে আমার বাবা কেন আমার বিরুদ্ধে মামলা করল যাদের পরামর্শ করল তাদের বিচার চাই।
এব্যপারে কাঞ্চন মন্দির স্ত্রী বৃদ্ধ মহিলা বলেন নূর নবী উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত না, সে সেদিন বাড়িতে ছিল না, তাকে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।
এই মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য হলো নুর নবীকে ফাঁসানো হয়েছে।আমারা এই মামলার প্রত্যাহার চাই।বিজ্ঞ আদালত এই মামলার সুষ্ঠু তদন্ত করবেন।
উত্ত মামলার তদন্ত এখনো বোরহানউদ্দিন থানায় এসে পৌঁছায়নি।
নূরনবী বলেন আমি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়েছি তারা সালিশ মীমাংসা করবে বলে আমাকে বলেছে।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন