https://www.crimebanglanews.com/
ঢাকাবৃহস্পতিবার, ২৭শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:৩১
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শেষ টি-টোয়েন্টি
টাইগারদের ২৭ রানে হারালো কিউইরা

ক্রাইম বাংলা নিউজ
সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১ ১০:২৬ অপরাহ্ণ
পঠিত: 54 বার
Link Copied!

অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। মিরপুরে পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে টাইগারদের ২৭ রানে হারিয়ে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ শেষ করেছে নিউজিল্যান্ড।
তবে বাংলাদেশের সুযোগ ছিল শেষটাও জয়ে রাঙিয়ে উৎসব করার। সেটা আর হলো না। ১৬২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা অত খারাপ ছিল না বাংলাদেশের। নাইম শেখ আর লিটন দাস বল সমান উদ্বোধনী জুটিতে তোলেন ২৬ রান। ধীরগতির লিটন কিউই স্পিনার অ্যাজাজ প্যাটেলের শিকার হলে ভাঙে এই জুটি। তারপরই বেশ কয়েকটি উইকেট হারিয়ে ফেলে স্বাগতিকরা।

সৌম্য নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে আগের চার ম্যাচে সুযোগ পাননি। আজই একাদশে এসেছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচে করেছিলেন মাত্র ২৮ রান। এবার সুযোগ পেয়ে ৯ বলে ৪ করে সাজঘরের পথ ধরেছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।

এর পরের ওভারেই সাজঘরের পথ ধরেন মোটামুটি ধারাবাহিক নাইম শেখও (২১ বলে ২৩)। বেন সিয়ার্সের ১৪৭ কিলোমিটার গতির ডেলিভারিতে ব্যাট ছুঁইয়ে উইকেটরক্ষকের ক্যাচ হন বাঁহাতি এই ওপেনার।

‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’খ্যাত মুশফিকুর রহীম হাল ধরবেন কি, উল্টো দলের বিপদ বাড়ান উচ্চাভিলাষী এক শটে। রবিন্দ্রকে লংঅফে তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ তিনি (৮ বলে ৩)। ৪৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে টাইগাররা।

সেখান থেকে আশার আলো জ্বালেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর আফিফ হোসেন ধ্রুব। পঞ্চম উইকেটে দারুণ ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন তারা। জয়ের সম্ভাবনা ভালোভাবেই জেগেছিল এই জুটিতে।

২৫ বলে জয়ের জন্য দরকার তখন ৫৩ রান, এমন সময়ে আউট হয়ে যান মাহমুদউল্লাহ। কাগেলেইনকে ডিপ কভার দিয়ে ছক্কা হাঁকানোর চেষ্টায় বাউন্ডারিতে ক্যাচ হন টাইগার দলপতি, ২১ বলে একটি করে চার-ছক্কায় করেন ২৩ রান।

নুরুল হাসান সোহান (৪), শামীম হোসেন পাটোয়ারীরা (২) উইকেটে এসেছেন আর দেখে চলে গেছেন। ফলে আশা জাগিয়েও আর জয় ছোঁয়া হয়নি টাইগারদের। ৮ উইকেটে ১৩৪ রানে থামে স্বাগতিকরা।

আফিফ শেষ পর্যন্ত অপরাজিতই থেকে যান। মাত্র এক রানের জন্য হাফসেঞ্চুরিটা করতে পারেননি। ৩৩ বলে ২ চার আর ৩ ছক্কায় আফিফ মাঠ ছাড়েন ৪৯ রান নিয়ে।

শেরে বাংলায় আবারও টসভাগ্য ছিল সফরকারিদের পক্ষে। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথাম। উদ্বোধনী জুটিতে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন রাচিন রবিন্দ্র আর ফিন অ্যালেন।

মূল ভূমিকাটা অ্যালেনেরই। চার-ছক্কায় মাঠ গরম করে রাখছিলেন তিনি, রবিন্দ্র শুধু সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তাদের ৩৪ বলে ৫৮ রানের ঝড়ো জুটিটি ভাঙেন শরিফুল ইসলাম, ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে।

তবে শেষদিকে ২১ বলে ৪৩ রানের ঝড়ো জুটিতে দলকে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি এনে দিয়েছেন কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথাম আর কোল ম্যাকঞ্চি। ল্যাথাম ৩৭ বলে দুটি করে চার-ছক্কায় ৫০ আর ম্যাকঞ্চি ১০ বলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন।

বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন শরিফুল। তবে ২ উইকেট নিলেও ৪ ওভারে ৪৮ রান খরচ করেন বাঁহাতি এই পেসার। তাসকিন ৪ ওভারে ৩৪, নাসুম ৩ ওভারে ২৫ আর আফিফ ৩ ওভারে ১৮ রান দিয়ে নেন একটি করে উইকেট।

বাংলাদেশ একাদশ: লিটন কুমার দাস, নাইম শেখ, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), আফিফ হোসেন ধ্রুব, নুরুল হাসান সোহান, নাসুম আহমেদ, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, শরীফুল ইসলাম এবং তাসকিন আহমেদ।