https://www.crimebanglanews.com/
ঢাকাবৃহস্পতিবার, ২৭শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:৫৪
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এর দাবিতে মানববন্ধন

মোঃ ইসলাম,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ
জানুয়ারি ১৩, ২০২২ ১২:২৪ অপরাহ্ণ
পঠিত: 24 বার
Link Copied!

ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল চাই ব্যানারে ঠাকুরগাঁও চৌরাস্তায় ১২ জানুয়ারি বুধবার সকালে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
এতে সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, তরুণ, যুবক, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং রাজনৈতিক কর্মীরা অংশ নেন। এ সময় একটি বিশাল মানবন্ধন করেন তারা। মানবন্ধনে জেলার সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করে। ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল চাই আন্দোলন কমিটির আয়োজনে মানববন্ধনটি ঘন্টাব্যপী চলে। মানববন্ধনে ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল চাই আন্দোলন কমিটির সমন্বয়ক সাংবাদিক শাহিন ফেরদৌস বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের চাহিদা অনুযায়ী এখানে চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত শয্যা নেই। আমরা দেখেছি এখানে গাছতলাতে শিশুদের চিকিৎসা দিতে।আমরা দেখেছি এখানে গাছতলাতে শিশুদের চিকিৎসা দিতে। আমরা দেখেছি ঠাকুরগাঁও থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজে যেতে যেতে রাস্তায় মানুষ মারা যাচ্ছে। আমরা জেলাবাসী একটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল চাই।’
এসময় বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক বিশাল রহমান, ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী এস কে রুবেল, সড়ক আন্দোলনের সভাপতি আবু মুহিউদ্দীন, হোটেল এন্ড রেঁস্তোরা সমিতির সভাপতি অতুল চন্দ্র ঘোষ, সাবেক ছাত্র নেতা মাসুদ আহমেদ সুবর্ণ, আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ সোহেল, বিএনপি নেতা ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, সাংবাদিক কামরুল হাসান, পৌর কাউন্সিলর ধ্রুপদী আগরওয়ালা, মেহেবুবা শিরিন (শুভ) প্রমুখ
উক্ত মানববন্ধনে সমস্ত পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে এবং অবিলম্বে ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের স্থাপনের দাবি জানান তারা। এবং জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি পেশ করেন।
এদিকে একই দিনে সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন সভাকক্ষে আয়োজিত জেলা স্বাস্থ্যসেবা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে সাংসদ রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঠাকুরগাঁওয়ে সফরে এসে অনেকগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তার মধ্যে অন্যতম ছিল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঠাকুরগাঁওয়ে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল দিয়েছে। সেক্ষেত্রে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আরও ২৫০ শয্যার হাসপাতাল আমরা সামনে পেতে যাচ্ছি। ৫০০ শয্যার হাসপাতাল হলে এটিকেই ঠাকুরগাঁও জেলা মেডিকেল কলেজ হিসেবে রূপান্তর করা হবে।‘
রমেশ সেন বলেন, ‘চালু হবে আমাদের বিমানবন্দর। যখন আমাদের জেলায় ইপিজেড নির্মাণ হয়ে যাবে; তখন এই জেলায় হাজার হাজার শিল্প-কলকারখানা নির্মাণ হবে এবং হাজার হাজার বিদেশিরা এখানে আসবে। সেই সঙ্গে ব্যাপক সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তখন অটোমেটিকভাবেই ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালু হয়ে যাবে।