ভোলার মনপুরায় মডেল মসজিদে নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মহিউদ্দিনের ওপর হামলার ঘটনায় মাদ্রাসার সুপারসহ উপজেলা যুবদল-স্বেচ্ছাসেবকদলের আট নেতার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

সোমবার বিকেলে ৫ টায় অধ্যক্ষ বাদী হয়ে মনপুরা থানায় হওয়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জনকে আসামী করা হয়।

মামলার আসামীরা হলেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব হাফেজ আবদুর রহিম, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মোঃ কামাল উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা ওলামা দলের সাবেক সভাপতি ও ফকিরহাট দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাও. শিহাব উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ সেলিম, মোঃ রুবেল, মোঃ মিজান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আব্বাস উদ্দিন।

এদিকে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ওলামাদলের উপজেলা নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারসহ প্রতিবাদ জানিয়েছেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শামসুদ্দিন মোল্লা, সদস্য সচিব হাফেজ আবদুর রহিম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মিজানুর রহমান ও সদস্য সচিব হোসেন হাওলাদার।

তারা জানান, কলেজের চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী সেলিমের চাকুরীচ্যুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে অধ্যক্ষ মহিউদ্দিনের সাথে সেলিমের অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা ঘটে। কিন্তু অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উপজেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ওলামদলের নেতাদের জড়িয়ে মিথ্যা মামলা করে। তারা উপজেলা নেতাদের জড়িয়ে মিথ্যা মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

এই ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মফিজুল ইসলাম মিলন মাতাব্বার জানান, হামলার ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া উচিত ছিল। উপজেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ওলামাদের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে মামলা দেওয়া ঠিক হয়নি। তিনি রাজৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য মামলা দিয়েছেন।

এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, অধ্যক্ষের ওপর হামলার ঘটনায় আট জনসহ অজ্ঞাত ১৫-২০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। আসামীদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}