গাজীপুরের কালিয়াকৈরে চোরাই গরু উদ্ধারের পর বিপাকে পড়েছে থানা পুলিশ। প্রায় এক মাস ধরে পাঁচটি গরুর প্রকৃত মালিকের সন্ধান না পাওয়ায় থানার ভেতরেই গোয়ালঘর তৈরি করে সেগুলো লালন-পালন করছেন পুলিশ সদস্যরা।
গত ৩০ আগস্ট বিকেলে উপজেলার মজিদচালা এলাকার একটি খামার থেকে পাঁচটি গরু বিক্রির চেষ্টা করছিল একটি চক্র। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা তিনজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে কালিয়াকৈর থানার ওসি সহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পাঁচটি গরু উদ্ধার করে। এ সময় মজিবুর রহমান, তার মেয়ে রবিনা আক্তার ও সালমা আক্তারকে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা গরু চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং এ ঘটনায় আরও তিনজনের নাম জানায়। পরে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
তবে উদ্ধার হওয়া গরুগুলোর প্রকৃত মালিকের সন্ধান না পাওয়ায় থানার ভেতরেই গোয়ালঘর তৈরি করে নিজেদের খরচে খাবারের ব্যবস্থা করছেন পুলিশ সদস্যরা। প্রতিদিন পাঁচটি গরুর জন্য প্রায় ১০ থেকে ১৫ কেজি খাবার দেওয়া হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি গরুর বর্জ্যে থানার পরিবেশও দূষিত হচ্ছে বলে জানান পুলিশ সদস্যরা।
কালিয়াকৈর থানার ওসি সহিদুল ইসলাম জানান, মালিক না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে গরুগুলো থানায় রেখে লালন-পালন করতে হচ্ছে। এদিকে ইউএনও এইচএম ফখরুল হোসেন জানান, বিষয়টি জেনে সরকারি নিয়ম-নীতি অনুযায়ী গরুগুলো নিলামে বিক্রির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।