মনপুরা (ভোলা) প্রতিনিধি
ভোলার মনপুরায় চাঁদা না দেওয়ায় মহিষ নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে মো. শরিফ নামে এক ইউপি সদস্যকে মারধর করে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কলাতলী ইউনিয়নের কাজীরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. জুয়েল (২৫) ও মো. ছালাউদ্দিন (৩৬) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে দুপুর ২টার দিকে তাদের আদালতে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম। গ্রেপ্তার দুজনই কলাতলী ইউনিয়নের কাজীরচর এলাকার ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার ও বাদী রুবেল ভূঁইয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর ভাই ইউপি সদস্য মো. শরিফের কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদার পরিবর্তে মহিষ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হলে শরিফ এতে বাধা দেন। এ সময় আসামিরা তাঁকে মারধর করেন এবং এতে তাঁর হাত-পা ভেঙে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা আহত শরিফকে উদ্ধার করে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁর ভাই রুবেল ভূঁইয়া বাদী হয়ে ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
তবে গ্রেপ্তার মো. ছালাউদ্দিন ও মো. জুয়েল হামলার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, হামলার ঘটনায় তাঁরা জড়িত নন। রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের মামলায় আসামি করা হয়েছে।
মনপুরা থানার ওসি মাজাহারুল ইসলাম বলেন, মামলার ছয় আসামির মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর চার আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।