মেধার দীপ্তিতে আবারও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের জানান দিয়েছে ভোলার লালমোহন উপজেলার হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। সদ্য প্রকাশিত ২০২৬ সালের এসএসসির বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে ভোলা জেলার ১০টি ট্যালেন্টপুল বৃত্তির মধ্যে ২য়, ৩য় ও ৪র্থ স্থান দখল করে প্রতিষ্ঠানটির তিন শিক্ষার্থী। এর পাশাপাশি সাধারণ ক্যাটাগরিতে আরও ১৪টি বৃত্তি অর্জন করেছে তারা। সব মিলিয়ে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৭ জন শিক্ষার্থী এসএসসিতে বৃত্তি পেয়েছে। যার মাধ্যমে উপজেলায় প্রথমস্থান ও জেলা পর্যায়ে দ্বিতীয়স্থান অর্জন করেছে হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এতে করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মুখে ফুটে উঠেছে গর্বের হাসি।
ট্যালেন্টপুলে জেলায় ২য়, ৩য় ও ৪র্থ স্থান অর্জনকারী তিন শিক্ষার্থী হলো- মো. আফনান ইসলাম, মুক্তাদির আল অহন এবং মোসা. শেহরিন সাবিহা। ট্যালেন্টপুলে সাফল্যের পাশাপাশি সাধারণ বৃত্তিতেও দারুণ সফলতা অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা। সাধারণ ক্যাটাগরিতে বৃত্তি পেয়েছে- মুনতাকিম আল অর্ণব, বিবি আমেনা, মো. আফফান সাবের, সৈয়দ মুহতাসিম জাহিন, মো. তাহসিন আহমেদ, মো. রাসিকুল্লাহ রাফি, প্রতীক চন্দ্র দাস, আরাফাত রহমান সাকিব, মো. তাওহিদ ইসলাম, মো. জিদান হোসেন, মোসা. সাবিহা আইমুন আনহা, মো. রাফিউ ইসলাম, আসাদুল ইসলাম সামি ও ইয়াসা তাসফিয়া।
এ অর্জনের মধ্যদিয়ে লালমোহনের শিক্ষাঙ্গনে নতুন করে ইতিবাচক আলোচনায় এসেছে হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এছাড়া এ সাফল্যের মাধ্যমে নিজিদের আরও শক্ত ভিত্তি দিয়েছে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন বলেন, এ সাফল্য আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। ১৭টি বৃত্তি অর্জন প্রমাণ করে- সঠিক দিকনির্দেশনা, নিয়মিত অনুশীলন ও শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম থাকলে সাফল্য অর্জন সম্ভব। আমাদের শিক্ষার্থীদের এই ফলাফল শুধু প্রতিষ্ঠানের গর্ব নয়, এটি লালমোহনের শিক্ষাঙ্গনেরও একটি বড় অর্জন। এ সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক ও অভিভাবকদেরও আন্তরিক সহযোগিতা রয়েছে। আমরা ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করবো ইনশাআল্লাহ।
প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৯৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে শতভাগের পাসের গৌরব অর্জন করে। এদের মধ্যে ২৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ এবং ৪৮ জন শিক্ষার্থী এ গ্রেড পায়।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}