লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি।
ভোলা-চরফ্যাশনের আঞ্চলিক মহাসড়কের লালমোহন গজারিয়া এলাকায় রাতের আঁধারে খাল দখলের জন্য আরসিসি পিলার বসানো হয়েছে। দু’দিন আগে বসানো এই পিলার দেখে এলাকায় চলছে তোলপাড়। এনিয়ে স্থানীয়
জনসাধারণ দায়ীত্বশীল অফিসে লিখিত অভিযোগ দিলেও কোন প্রতিকার হয়নি ৷ জানা গেছে, ভোলা-চরফ্যাশনের আঞ্চলিক মহাসড়কের সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। এই অবস্থায় রাস্তার পাশে খাল থাকায় রাস্তার কাজের ঠিকাদার খালের স্লোপে আরসিসি ঢালাইর কাজ করে। ওই স্লোপ ভেঙ্গে বৃহস্পতিবার রাতে দখলদাররা খালের পাড়ে আরসিসি পিলার নির্মাণ করে। ভবিষ্যতে খালের মধ্যে আরেকটি পিলার করে দখলদাররা খালের উপর স্থাপনা নির্মাণ করার পরিকল্পনা নেয় স্থানীয় গজারিয়া ৮নং ওয়ার্ডের,রাজু ও তার ভাই পিং রফিক, সিরাজ মিস্ত্রী পিং কুট্টি মিয়া,বাবু পিং আঃ রশিদ ফরাজী,ইদ্রিছ ফরাজী পিং সেকান্তর ফরাজী,আঃ রব পিং সেকান্তর ফরাজী,মোঃ বাবুল ফরাজী পিং কাদির ফরাজী,জামাল মিঝি পিং শাহে আলম,বশির মিঝি পিং আবুল হোসেন মিঝি,কামাল মিঝি পিং আবুল হোসেন মিঝি,আজিজুল মাষ্টার পিং আবুল হোসেন মিঝি,কাশেম মিঝি পিং খোরশেদ আলম মিঝি,হারুন মিঝি পিং রফিক মেলেটারী,বাবুল মিঝি পিং মোতাহার,ফারুক মিঝি পিং মোতাহার,সুমন ৬ নং ওয়ার্ড। সহ আরো কয়েকজন এই দখল প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্ধারা। অভিযোগ ভোলা জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, এসিল্যান্ড অফিসে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা জানান। তবে এনিয়ে কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। অভিযোগে বলা হয়, খালটি দখল হয়ে গেলে কৃষি কাজের জন্য পর্যাপ্ত সেচ ব্যবস্থা থেকে বঞ্চিত হবে কৃষকরা। এতে কৃষি কাজের জন্য ক্ষতির আশংকা রয়েছে। অভিযোগকারীরা বাধা দিলে তাদের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। এবিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী (ভূমি) ইমরান-মাহমুদ-ডালিম জানান, জায়গাটি জেলা পরিষদ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতায়। তাদের কাছে অভিযোগ দিতে হবে।
Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}