পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলায় ঘুর্নিঝড় সিত্রাংয়ের কারনে চন্দ্রদ্বীপ, কালাইয়া, বাউফল পৌরসভা, ধূলিয়া, কেশবপুর ও মদনপুরা ইউনিয়নে কমপক্ষে ৩০টি ঘর বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে কমপক্ষে ৬টি ঘর।
বাতাসের তীব্র চাপ না থাকা সত্ত্বেও এবার সিত্রাংয়ের কারনে সৃষ্ট টানা বর্ষনে মাটি আলগা হয়ে যাওয়ায় অল্প বাতাসেই হেলে পড়েছে গাছগুলো। এমনই বলছেন ক্ষতিগ্রস্থরা।
প্রান প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক বেসরকারি সংগঠন সেফ দি বার্ডস এন্ডবি এর পরিচালক এম এ বাশার বলেন, “খেয়াল করলে দেখবেন এই হেলে পড়া গাছগুলোর অধিকাংশই চাম্বল রেইন্ট্রী এবং মেহেগুনী।অনেকেই বাড়ির আঙিনায় এ ধরনের গাছ লাগান। এসব গাছের শিকড় গভীর না হওয়ায় ভারি বর্ষন হলে মাটি আলগা হয়ে যায়, তখন হালকা বাতাসেই এই সব ভিনদেশী গাছ ভেঙে পড়ে। এ ধরনের গাছ লাগানো যে কতোটা ঝুঁকিপূর্ন, ঘূর্নিঝড় সিত্রাং তার প্রমান।
জনসাধারনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এসব ভিনদেশী গাছ কেটে দেশীয় প্রজাতির গাছ লাগানোর বিষয়ে সরকারের নিকট জনসচেতনতা মূলক পদক্ষেপ গ্রহনের দাবী জানান তিনি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা আল আমিন বলেন, চাম্বল মেহেগুনি, রেইন্ট্রী এই বিদেশী গাছগুলোর কারনেই এবার জনসাধারণের বেশি ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। সড়কের পাশে এবং বসত বাড়িতে এই বিদেশী গাছগুলো লাগানো নিরাপদ নয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে বাংলাদেশকে সবসময়েই এই সাইক্লোনগুলোকে ফেইস করতে হচ্ছে এবং হবে, সেক্ষেত্রে ভবিষ্যত ঝুঁকি মোকাবেলায় এই বিষয়ে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়ন করে আমাদেরকে আগাতে হবে। ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করা হয়েছে, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদেরকে সহযোগীতা দেয়া হবে।
Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}