ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ৫ হাজার টাকা ঘুষের বিনিময়ে অভিযানকালে আটককৃত জেলে, নৌকা ও জাল মুক্ত করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মৎস্য অফিসের অফিস সহকারী বিধান বিশ্বাসের বিরুদ্ধে।
সূত্রে জানা গেছে, মার্চ ও এপ্রিল মাসে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন গত ১২ এপ্রিল এক অভিযানে একজন জেলে, একটি নৌকা ও জাল আটক করা হয়। তবে অভিযানের পরপরই একটি অডিও কল রেকর্ড গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে আসে, যেখানে এক দালালের সঙ্গে কথোপকথনে বিধান বিশ্বাসকে ঘুষের বিনিময়ে আটককৃতদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে কথা বলতে শোনা যায়।
কল রেকর্ডে বিধান বিশ্বাস বলেন, “তুমি কি পাঁচ হাজার টাকা পাইছো?” উত্তরে দালাল বলেন, “পাইছি, আমার থেকে আপনি নিয়ে যাবেন।” এরপরই বিধান বিশ্বাস সংশ্লিষ্ট জেলে ও মালামাল ছেড়ে দেন বলে অভিযোগ।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে বিধান বিশ্বাস ফোন কেটে দেন এবং পরে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মনোজ সাহা বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ দেব বলেন, “সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কল রেকর্ড যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, যেখানে প্রমাণ হাতে এসেছে, সেখানে এখনো কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া কি দুর্নীতির দায় এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল নয়? সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কি ম্যানেজের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন?