
ভোলার লালমোহনে এবার গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতার নামে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী। ছাত্রদলের ওই নেতার নাম মো. আ. রহিম উদ্দিন ফরাজি। সে উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক।
গত বুধবার (৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৭টার দিকে ওই ইউনিয়নের চাঁদ মিয়ার হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ৯ জুলাই রাত সাড়ে ৭টার দিকে গৃহবধূ স্থানীয় চাঁদ মিয়ার হাটে বাজার করতে গেলে স্থানীয় ওয়ার্ড শ্রমিকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোবারেক (৩২) তাকে জরুরি কথা বলবে বলে ডেকে নেয়।
পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাটের পাশে একটি দুই তলা সাইক্লোন সেল্টারের দ্বিতীয় তলায় একটি কক্ষে তাকে নিয়ে যায়। ওই কক্ষে আ. রহিম ফরাজি (৩০) কে ঢুকিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেয় মোবারক।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য মতে, আ. রহিম তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ওই সময় সন্দেহভাজন পরিস্থিতি দেখে কিছু লোকজন সেখানে গিয়ে দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু করলে আ. রহিম ফরাজি পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গৃহবধূকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেন।
এ ঘটনায় পরদিন ভুক্তভোগী শাহীনুর বেগম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং ডিএনএ সংগ্রহসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৫মে লালমোহন পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডে এক গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্লাংক স্ট্যম্প, ব্লংক চেক, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটে নেয়। এ ঘটনায় ১৭মে লালমোহন থানায় মমলা করেন ভুক্তভোগী। ওই মামলায় জুয়েল, ছাত্রদল নেতা ফতেহ আলী শান্ত, যুবদল নেতা কবির ও জুয়েল, মৎস্যজীবি দল নেতা ফোরকানসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন