
ভোলার তজুমদ্দিনে মেঘনার মাঝে জেগে উঠা বাসন, ভাঙা চরের দক্ষিণ মাথায় একটি খালে বিষ দিয়ে মাছ ধরার অভিযোগে পাঁচ বেধে জেলেকে আটক করে শশীগঞ্জ বিটের বিট কর্মকর্তা মোঃ আবুল বাশার। এসময় তাদের কাছ থেকে আটক করা হয় বিষের বোতল ও মাছ জব্দ করা হয়। আটককৃতদের নাম ঠিকানা জানতে চাইলে বিট কর্মকর্তা আবুল বাশার, তথ্য পরে দিবেন বলে মোবাইলের লাইন কেটে দিয়ে ফোন বন্ধ করে দেয়।
সুত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শশীগঞ্জ স্লুইজঘাট থেকে স্প্রীড বোড যোগে বিট কর্মকর্তা আবুল বশারের নেতৃত্বে বন বিভাগের একটি টিম বাসন ভাঙ্গার চরের দক্ষিণ মাথায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। পরে আটককৃদের ৪জনকে সেখানে ছেড়ে দিলেও একজনকে স্প্রীড বোডে তুলে তজুমদ্দিনে বিট কর্মকর্তা উপজেলা কার্যালয়ে নিযে আসেন এবং মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে তাকেও ছেড়ে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় আটককৃতদের নাম ঠিকানা চাইলে বিট কর্মকর্তা আবুল বাশার সন্ধ্যায় দিবে বলে মোবাইল কেটে দিয়ে বন্ধ করে দেন। পরে পুনারায় বার বার ফোন দিলেও সে ফোন রিসিভ না করায় আটককৃতদের নাম ঠিকানা জানা যায়নি।
স্প্রীড বোডের মালিক মো. নুরনবীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার সময় বিট কর্মকর্তা আবুল বশার স্যারের নেতৃত্বে বনবিভাগের ৪ জন আমার স্প্রীড বোড দিয়ে বাসন ভাঙার চরের দক্ষিণ মাথায় একটি খালে বিষ প্রয়োগের অভিযোগে ৫জনকে আটক করে। পরে সেখানে ৪জনকে ছেড়ে দেয় বাকি একজনতে তজুমদ্দিনে নিয়ে আসে। পরে কি করছে আমি আর বলতে পারবো না।
শশীগঞ্জ বন বিটের বিট কর্মকর্তা আবুল বাশারের প্রথমে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে আটককৃতদের তথ্য পরে দিবে বলে ফোন কেটে দিয়ে মোবাইল বন্ধ করে রাখে।
আটককৃতদের ছেড়ে দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে দৌলতখান রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরার অপরাধে ৫জনকে আটকের বিষয়ে আমাকে কিছুই জানায়নি বিট কর্মকর্তা আবুল বাশার। তাই এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
অভিযোগ রয়েছে, তজুমদ্দিনে নিয়ে আসা ব্যক্তিকে উপজেলা যুবদলের এক নেতার মধ্যস্থতায় মোটা অংকের ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে ছেড়ে দেয় বিট কর্মকর্তা আবুল বাশার।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন