
সম্প্রতি কিছু অনলাইন ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে “লালমোহন হাসপাতালে নিয়োগ ছাড়াই একাধিক দায়িত্ব পালন করতেন মিজান” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যমূলক ও তথ্য বিকৃতভাবে পরিবেশিত। সংবাদে উল্লিখিত ঘটনাগুলো আমার প্রতিপক্ষ সাংবাদিকদের ভুল বুঝিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করেছে যার কোনো সত্যতা নেই।
প্রকৃতপক্ষে, আমি মো. মিজানুর রহমান একজন আউটসোর্সিং কর্মচারী হিসেবে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলাম। বর্তমানে বদলী অর্ডারের মাধ্যমে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত আছি। লালমোহন হাসপাতালের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটা এর ৩টি পদ শূন্য থাকায় অফিসিয়াল এবং প্রশাসনিক প্রয়োজনে তৎকালীন কর্তৃপক্ষের মৌখিক অনুমোদনে সাময়িকভাবে আমি লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কিছু অফিসিয়াল সহায়তা মূলক কাজে যুক্ত হই। এটি কোনোভাবেই স্থায়ী নিয়োগ বা দায়িত্ব গ্রহণ ছিল না— বরং হাসপাতালের জনবল সংকট মোকাবিলায় সাময়িক প্রশাসনিক সহায়তা হিসেবে আমাকে কাজে লাগানো হয়েছিল। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে আমি কাজ করেছি। এখানে আমার নিজের ইচ্ছামতো কোনা কাজ করিনাই।
সংবাদে যেভাবে “গোপনীয় কাজ করানো”, “টেন্ডার প্রভাবিত করা”, কিংবা “বেতন আত্মসাৎ” সংক্রান্ত অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য, মনগড়া এবং ব্যক্তিগত সম্মানহানির উদ্দেশ্যে রচিত। এ ধরনের ভিত্তিহীন প্রচারণা একজন সাধারণ আউটসোর্সিং কর্মীর মানসম্মান ক্ষুণ্ণ করেছে বলে আমি মনে করি।
আমি দৃঢ়ভাবে জানাতে চাই, কর্মসংক্রান্ত সকল কার্যক্রম যথাযথ কর্তৃপক্ষের জ্ঞাতসারে এবং অফিসের প্রয়োজন বিবেচনা করেই সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেসব কর্মকর্তা কর্মরত আছেন, তারা কেউই এ বিষয়ে কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাননি।
আমি উক্ত মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
-প্রতিবাদকারী : –
মো. মিজানুর রহমান
লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
লালমোহন, ভোলা।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন