ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo রূপগঞ্জে পল্লী চিকিৎসক সমিতির উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত Logo নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৪৫ Logo জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষ্যে উজিরপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo তুরাগের ভাঙনে নিঃস্ব শত শত পরিবার, ঝুঁকিতে বসতভিটা Logo উজিরপুরে বসতভিটা দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, এলাকা ছাড়লেন বিধবা নারী Logo উজিরপুরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাসবীহ পরিবহন খাদে, আহত ৭ Logo ভোলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত Logo উজিরপুরে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মাঠে ইউএনও ও এসিল্যান্ড, চালানো হলো পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo গাজীপুরে গুলি করে বিকাশ ডিস্ট্রিবিউটরের প্রায় তিন কোটি টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে Logo মা ইলিশ নিধনে কঠোর হুঁশিয়ারি, উজিরপুরে মৎস্যজীবীদের সঙ্গে সচিবের মতবিনিময়

গোপালপুরে চায়ের দোকানের পাশে বিক্রি হচ্ছে অকটেন ও পেট্রোল

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৫০

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে খোলা বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে দাহ্য পদার্থ, সরেজমিন ঘুরে উপজেলার চাতুটিয়া মোড়, ঝাওয়াইল বাজার, মির্জাপুর বাজার, হেমনগর বাজার সহ বিভিন্ন বাজার এলাকায় ও পৌর শহরের মৃধাবাড়ী মোড়, থানা ব্রীজের পশ্চিম পাশে, ভুয়ারপাড়াসহ বিভিন্ন মুদি দোকানে এবং নবগ্রাম মোড়ে চায়ের দোকানে পাশে অকটেন ও পেট্রোল বিক্রি করতে দেখা গেছে।
বিক্রেতারা দাহ্য পদার্থ বিক্রির আইন সম্পর্কে অবগত নয় বলে জানিয়েছেন,খোলা বাজারে ও চায়ের দোকানে পাশে এভাবে দাহ্য পদার্থ রাখায় যেকোন মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলছে সচেতন মহল।

নগদা শিমলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান সোহেল বলেন, খোলা বাজারে লাইসেন্স ছাড়া এভাবে দাহ্য পদার্থ বিক্রি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। চায়ের দোকানের পাশে দাহ্য পদার্থ বিক্রি করায় বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এতে যেকোন মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

দাহ্য পদার্থ বিক্রেতা বুলবুল জানান, তিনি মধুপুর ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল এনে লিটারে ৫/৭ টাকা লাভে বিক্রি করেন। খোলা বাজারে পেট্রোল বিক্রি নিষেধ থাকলেও কিছু লাভের জন্য বিক্রি করেন তিনি।

ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন জানান, প্রায় দশ বছর ধরে বোতলে করে পেট্রোল ও অকটেল বিক্রি করেন । বিক্রির অনুমোদন না থাকলেও নিরাপত্তার জন্য ফায়ার এক্সটিংগুইশার রাখেন তিনি।

নবগ্রাম বাজার বনিক সমিতির সেক্রেটারী মো: মোন্নাফ হোসেন বলেন, চায়ের দোকানের পাশে এভাবে পেট্রোল বিক্রি করা অবৈধ। দূর থেকে পেট্রোল আনতে হয় তাই আমরা কিছু বলিনি। আপনারা বললেন দেখি আমরা কি করতে পারি।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ওয়্যারহাউজ পরিদর্শক (গোপালপুর দায়িত্ব) সিরাজুল ইসলাম বলেন, এভাবে দাহ্য পদার্থ বিক্রির কোন অনুমোদন নাই। এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

ইউএনও আসফিয়া সিরাত বলেন, অনুমতি ছাড়া ঝুঁকি তৈরি করে খোলা বাজারে কেউ দাহ্য পদার্থ বিক্রি করতে পারবে না। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:১৪:১১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩ ১৪২ বার পড়া হয়েছে
Logo
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

গোপালপুরে চায়ের দোকানের পাশে বিক্রি হচ্ছে অকটেন ও পেট্রোল

আপডেট সময় : ০৮:১৪:১১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩
২৫০

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে খোলা বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে দাহ্য পদার্থ, সরেজমিন ঘুরে উপজেলার চাতুটিয়া মোড়, ঝাওয়াইল বাজার, মির্জাপুর বাজার, হেমনগর বাজার সহ বিভিন্ন বাজার এলাকায় ও পৌর শহরের মৃধাবাড়ী মোড়, থানা ব্রীজের পশ্চিম পাশে, ভুয়ারপাড়াসহ বিভিন্ন মুদি দোকানে এবং নবগ্রাম মোড়ে চায়ের দোকানে পাশে অকটেন ও পেট্রোল বিক্রি করতে দেখা গেছে।
বিক্রেতারা দাহ্য পদার্থ বিক্রির আইন সম্পর্কে অবগত নয় বলে জানিয়েছেন,খোলা বাজারে ও চায়ের দোকানে পাশে এভাবে দাহ্য পদার্থ রাখায় যেকোন মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলছে সচেতন মহল।

নগদা শিমলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান সোহেল বলেন, খোলা বাজারে লাইসেন্স ছাড়া এভাবে দাহ্য পদার্থ বিক্রি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। চায়ের দোকানের পাশে দাহ্য পদার্থ বিক্রি করায় বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এতে যেকোন মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

দাহ্য পদার্থ বিক্রেতা বুলবুল জানান, তিনি মধুপুর ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল এনে লিটারে ৫/৭ টাকা লাভে বিক্রি করেন। খোলা বাজারে পেট্রোল বিক্রি নিষেধ থাকলেও কিছু লাভের জন্য বিক্রি করেন তিনি।

ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন জানান, প্রায় দশ বছর ধরে বোতলে করে পেট্রোল ও অকটেল বিক্রি করেন । বিক্রির অনুমোদন না থাকলেও নিরাপত্তার জন্য ফায়ার এক্সটিংগুইশার রাখেন তিনি।

নবগ্রাম বাজার বনিক সমিতির সেক্রেটারী মো: মোন্নাফ হোসেন বলেন, চায়ের দোকানের পাশে এভাবে পেট্রোল বিক্রি করা অবৈধ। দূর থেকে পেট্রোল আনতে হয় তাই আমরা কিছু বলিনি। আপনারা বললেন দেখি আমরা কি করতে পারি।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ওয়্যারহাউজ পরিদর্শক (গোপালপুর দায়িত্ব) সিরাজুল ইসলাম বলেন, এভাবে দাহ্য পদার্থ বিক্রির কোন অনুমোদন নাই। এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

ইউএনও আসফিয়া সিরাত বলেন, অনুমতি ছাড়া ঝুঁকি তৈরি করে খোলা বাজারে কেউ দাহ্য পদার্থ বিক্রি করতে পারবে না। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments Box