
রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আলম ফুড বেকারির বিরুদ্ধে। সম্প্রতি স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন চ্যানেল এস টিভি ও দৈনিক তৃতীয় মাত্রার লংগদু প্রতিনিধি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন।
তবে এ ঘটনার পর বেকারির মালিক রাশেদুল আলম উল্টো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে একটি অনলাইন পোর্টালসহ স্থানীয়ভাবে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করেন।
সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন অভিযোগটি ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করে জানান—
“আমি বেকারির ভেতরে গিয়ে যেসব দৃশ্য ধারণ করেছি, তা স্থানীয় মানুষের স্বার্থেই। ওই বেকারির অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ জনগণের জন্য ক্ষতিকর। অথচ এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ হতে পারে বুঝতে পেরে মালিক উল্টো আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার শুরু করেছেন।”
তিনি আরও বলেন, “সংবাদে বলা হয়েছে আমি নাকি ফোনে টাকা দাবি করেছি, কিন্তু এর কোনো প্রমাণ নেই। আমাকে ফোন করেও কেউ তথ্য নেয়নি, এমনকি প্রেসক্লাব সভাপতির নাম ব্যবহার করে ভুয়া তথ্য ছড়ানো হয়েছে।”
স্থানীয়রা জানান, আলম ফুড বেকারির ভেতরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, পুরোনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ কাঁচামাল ব্যবহার এবং পরিচ্ছন্নতার ঘাটতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ উঠলেও বেকারি মালিক প্রভাব খাটিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।
সাংবাদিক লিটন এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগের নিন্দা জানিয়ে বলেন—
“এটি পরিকল্পিত অপপ্রচার। আমি জনগণের স্বার্থে অনিয়ম তুলে ধরছি, সেটাই আমার দায়িত্ব। আমার নাম ব্যবহার করে কেউ যদি কোনো অর্থ লেনদেন করে, তার দায়ভার আমার নয়।”
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলেন, সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে মূলত বেকারির অস্বাস্থ্যকর কার্যকলাপ ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে বেকারির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন