
বিশেষ প্রতিবেদক :
দীর্ঘদিন যাবত রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলার ঝালুকা ৫নং ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ নেতা আঃসাত্তার আওয়ামী লীগ শাসনামলে দলের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে নানা অপকর্ম করে সুবিধা ভোগী এই আঃ সাত্তার পাঁচ আগষ্টের পর খোলস পাল্টে বর্তমানে বিএনপির ট্যাগ লাগিয়ে আবারও বিভিন্ন অপকর্ম করে রয়েছেন বহাল তবিয়তে।.প্রচারণা চালাচ্ছেন সংসদ সদস্য পদ পার্থি হিসেবে।
৫ আগষ্টের পর ঝালুকা ৫নং ইউনিয়ন এলাকায় তিনি ২১নং ওয়ার্ড ঢাকা মহানগর (উত্তর) বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা,রাজশাহী কলেজ শাখার সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য দাবি করে এলাকায় ফেস্টুন লাগালে এলাকার জণমনে বিক্ষভের সৃষ্টি হয় বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ১৫ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে ঢাকা মহানগর উত্তর বাড্ডা থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মোঃ আব্দুল কাদের বাবু দলিয় প্যাডে ঘটনাটির তিব্র নিন্দা জানিয়ে মিথ্যা বলে ইসু করেন।
স্থানীয় নেতারা জানান ৫আগষ্টের আগে আঃ সাত্তার আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন,তার বাসায় আওয়ামী লীগের নেতা এমপি সহ বিভিন্ন মহলের উঠাবসা ছিল তার বাড়িতে সেটি ছিল ৫আগষ্টের আগে বঙ্গভবন নামে পরিচিত ছিল এখন সেটি নয়া পল্টন নামে পরিচিতি দেওয়ার চেষ্টায় আছেন আঃ সাত্তার।
আরো জানা যায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ডাঃ মনসুর রহমান ও আব্দুল ওয়াদুদ দ্বারার একনিষ্ঠ কর্মি ছিলেন আঃ সাত্তার এখন অর্থ দিয়ে কথিত কিছু বিএনপি নেতাদের সাথে চলাচল শুরু করেন বনে যান বিএনপি নেতা।
এবিষয়ে ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের বিএনপির নেতাদের অবহিত করলে তারা জানান আঃ সাত্তার আওয়ামী লীগের অর্থ যোগান দাতা এবং এক নিষ্ঠ কর্মি ছিলেন। এখন তিনি বিভিন্ন নেতাদের সাথে চলে হয়ে নিজেই দাবি করেন বিএনপি নেতা। কিন্তু ৫আগষ্টের আগে তার ফেসবুক আইডি সহ বিভিন্ন আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের আইডিতে তার সাথে আওয়ামী লীগের নেতা এমপি মন্ত্রী দের সাথে যোগাযোগের প্রমান পাওয়া গেছে।
এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন এরা সুবিধাভুগি বিএনপি নেতা তাদের কোন পদ পদবি নেই তাদের আইনের আওতায় আনার পক্রিয়া চলছে।
দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব জুবায়ের হোসেন বলেন আমি কখনো আঃ সাত্তারকে বিএনপির সংগঠনের সাথে তাকে দেখিনি তিনি ছিলেন আওয়ামীলীগের দোষর বর্তমানে তিনি অর্থের বিনিময়ে কিছু নেতাদের সাথে ঘুরে হয়ে যান বিএনপি নেতা এই বিষয়ে আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।
এই বিষয়ে আঃ সাত্তার বলেন আমি ছাত্র জীবন থেকে বিএনপির রাজনীতিতে ছিলাম আমি ঢাকায় ব্যবসা করি কিন্তু,আমাকে অনেকেই চিনেননা কিন্তু আমি রাজনীতির সাথে জরিত ছিলাম। আওয়ামী লীগের সাথে যোগ সাজের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন সব বানোয়াট এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনের মাধ্যমে ছবি ও ভিডিও ইডিট করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন