‘কৃষিই সমৃদ্ধি’ স্লোগানকে সামনে রেখে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ মৌসুমে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় ১৮ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আমন ধানের বীজ, গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির বীজ, হাইব্রিড মরিচের বীজ, সার, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ১০ হাজার বৃক্ষের চারা এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. নাজমুল হুদা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি কায়সার আহমেদ কমল এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া।
এ সময় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, গণমাধ্যমকর্মী এবং উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শতাধিক কৃষক উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও রুমানা আফরোজ বলেন, সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করা এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি কৃষকদের সরকারি সহায়তা যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে অধিক উৎপাদনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা কৃষকদের হাতে প্রতীকীভাবে আমন ধানের বীজ, বিভিন্ন সবজির বীজ, হাইব্রিড মরিচের বীজ, সার, বৃক্ষের চারা ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ তুলে দেন।
এদিকে ‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় চরফ্যাশনেও দিনব্যাপী ফল উৎসব ও ফল মেলার উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অফিসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ ফল উৎসবের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ।
মেলায় প্রায় ১০টি স্টলে আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, লটকন, পেয়ারাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মৌসুমি ফল প্রদর্শন করা হয়। আয়োজকরা জানান, কৃষকদের ফল চাষে উদ্বুদ্ধ করা এবং দেশীয় ফলের উৎপাদন ও ভোগ বৃদ্ধি করাই এ উৎসবের মূল উদ্দেশ্য।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন