ঢাকা ১২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo রূপগঞ্জে পল্লী চিকিৎসক সমিতির উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত Logo নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৪৫ Logo জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষ্যে উজিরপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo তুরাগের ভাঙনে নিঃস্ব শত শত পরিবার, ঝুঁকিতে বসতভিটা Logo উজিরপুরে বসতভিটা দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, এলাকা ছাড়লেন বিধবা নারী Logo উজিরপুরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাসবীহ পরিবহন খাদে, আহত ৭ Logo ভোলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত Logo উজিরপুরে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মাঠে ইউএনও ও এসিল্যান্ড, চালানো হলো পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo গাজীপুরে গুলি করে বিকাশ ডিস্ট্রিবিউটরের প্রায় তিন কোটি টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে Logo মা ইলিশ নিধনে কঠোর হুঁশিয়ারি, উজিরপুরে মৎস্যজীবীদের সঙ্গে সচিবের মতবিনিময়

গোপালপুর হানাদার মুক্ত দিবস আজ

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৩০

মো. নূর আলম গোপালপুর(টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি।
টাঙ্গাইলের গোপালপুরের ইতিহাসে গৌরবোজ্জ্বল দিন আজ। ১৯৭১সালে ১০ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে গোপালপুর থানা হানাদার মুক্ত হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে আসে।
দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে আজ রবিবার (১০ ডিসেম্বর) জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মুজিব চিরঞ্জীবে পুষ্পস্তক অর্পণ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর নিকরাইল রানী দিনমনি হাইস্কুলে ৭০ জন কমান্ডারের মিটিংয়ের পর কাদেরিয়া বাহিনী প্রধান বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী গোপালপুর থানা আক্রমণ করার জন্য একাধিক কোম্পানি কমান্ডারকে নির্দেশ দেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা সমরেন্দ্র নাথ সরকার বিমল জানান, নির্দেশ পাওয়ার পর নূর হোসেন তালুকদার আঙ্গুর কোম্পানী, আসাদুজ্জামান আরজু কোম্পানী গোপালপুর থেকে হানাদার মুক্ত করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুসারে নূর হোসেন তালুকদার আঙ্গুর কোম্পানী গোপালপুরের পশ্চিম দিক দিয়ে আক্রমণ করবে। আসাদুজ্জামান আরজু কোম্পানী গোপালপুর দক্ষিণাংশ দিয়ে আক্রমণ করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধারা নিরাপদ দূরত্ব থেকে পাক সেনাদের ঘেরাও করে রেখেছিলেন। পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা গোপালপুর থানা আক্রমণ করলে শত্রু সেনারা ১০ ডিসেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে গোপালপুর থেকে পূর্ব দিকে পালিয়ে যায়। সেই সঙ্গে গোপালপুর থানা হানাদার মুক্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে আসে।এসময় মুক্তিযোদ্ধারা গিয়ে থানায় উঠেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্তরের মানুষ থানায় এসে মুক্তিযোদ্ধাদের অভিনন্দন জানান এবং তাদের সঙ্গে কোলাকুলি করেন। পরে মুক্তিযোদ্ধাদের খাবারের ব্যবস্থা করেন। ১৯৭১সালের ১০ ডিসেম্বর শুক্রবার গোপালপুর থানা পাক হানাদার মুক্ত হয়। বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উড়ে।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
Logo
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

গোপালপুর হানাদার মুক্ত দিবস আজ

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩
২৩০

মো. নূর আলম গোপালপুর(টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি।
টাঙ্গাইলের গোপালপুরের ইতিহাসে গৌরবোজ্জ্বল দিন আজ। ১৯৭১সালে ১০ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে গোপালপুর থানা হানাদার মুক্ত হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে আসে।
দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে আজ রবিবার (১০ ডিসেম্বর) জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মুজিব চিরঞ্জীবে পুষ্পস্তক অর্পণ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর নিকরাইল রানী দিনমনি হাইস্কুলে ৭০ জন কমান্ডারের মিটিংয়ের পর কাদেরিয়া বাহিনী প্রধান বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী গোপালপুর থানা আক্রমণ করার জন্য একাধিক কোম্পানি কমান্ডারকে নির্দেশ দেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা সমরেন্দ্র নাথ সরকার বিমল জানান, নির্দেশ পাওয়ার পর নূর হোসেন তালুকদার আঙ্গুর কোম্পানী, আসাদুজ্জামান আরজু কোম্পানী গোপালপুর থেকে হানাদার মুক্ত করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুসারে নূর হোসেন তালুকদার আঙ্গুর কোম্পানী গোপালপুরের পশ্চিম দিক দিয়ে আক্রমণ করবে। আসাদুজ্জামান আরজু কোম্পানী গোপালপুর দক্ষিণাংশ দিয়ে আক্রমণ করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধারা নিরাপদ দূরত্ব থেকে পাক সেনাদের ঘেরাও করে রেখেছিলেন। পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা গোপালপুর থানা আক্রমণ করলে শত্রু সেনারা ১০ ডিসেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে গোপালপুর থেকে পূর্ব দিকে পালিয়ে যায়। সেই সঙ্গে গোপালপুর থানা হানাদার মুক্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে আসে।এসময় মুক্তিযোদ্ধারা গিয়ে থানায় উঠেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্তরের মানুষ থানায় এসে মুক্তিযোদ্ধাদের অভিনন্দন জানান এবং তাদের সঙ্গে কোলাকুলি করেন। পরে মুক্তিযোদ্ধাদের খাবারের ব্যবস্থা করেন। ১৯৭১সালের ১০ ডিসেম্বর শুক্রবার গোপালপুর থানা পাক হানাদার মুক্ত হয়। বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উড়ে।

Facebook Comments Box