ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল বোটসহ ১৬ জেলেকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী Logo বরিশাল-ভোলা সংযোগ: উন্নয়নের প্রত্যাশা নাকি অগ্রাধিকারের সংকট? Logo মনপুরায় জেলের জালে ১৬ কেজির কোড়াল, নিলামে বিক্রি ২৪ হাজার টাকায় Logo লালমোহনে অবৈধ সিগারেট ও রোলিং পেপার জব্দ, গোডাউন মালিকদের নিয়ে প্রশ্ন Logo স্বামীর ধারালো অস্রের আঘাতে মাথায় গুরুতর জখম, হাসপাতালে স্ত্রী Logo রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মীকে আটকে রেখে মারধর, নগদ টাকা ও মালামাল ছিনতাই Logo মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপদেষ্টা: সরকারের আকার বাড়লেই কি বাড়ে সক্ষমতা? Logo নিউইয়র্কে নোয়াখালীর যুবককে গুলি করে হত্যা Logo ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯ Logo সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

লালমোহনে প্রবাহমান খালে বাঁধ দিয়ে মাছ ধরার কারণে ও চাষাবাদ বিঘ্নের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৫৬৯

ভোলার লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড চতলা এলাকায় প্রবহমান খালের মধ্যে বাঁধ দিয়ে সেচের মাধ্যমে মাছ ধরা ও চাষাবাদ বিঘ্নের অভিযোগ উঠেছে ওই এলাকার মৃত নাছির আহম্মদ এর ছেলে মো. মফিজুল ইসলাম ও মো. রবিউল হক এর ছেলে মো. ফারুক এর বিরুদ্ধে।
এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষে মো. লোকমান লালমোহন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর খালের দুপাশে বাঁধ দিয়ে সেচের মাধ্যমে মাছ ধরা বন্ধ ও চাষাবাদের বিনষ্ট ও খালের প্রবাহ ফিরিয়ে আনার দাবিতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এবিষয়ে মো. লোকমান অভিযোগ করে বলেন, মফিজুল ইসলাম ও ফারুক ওনারা দুইজন খুব দুর্দান্ত, অন্যের সম্পদ আত্মসাৎকারী মিথ্যায় খুব বলিয়ান এবং অন্যায় অপরাধ করা তাদের নিয়মিত কাজ। দেশের আইন-কানুন কিছুই মানে না তারা। এরা খুব মামলাবাজ ও পরের জায়গা জমি জোরপূর্বক ভোগ দখল করা তাদের নেশা। সরকারি খালে বাঁধ দিয়ে মাছ ধরতেছে এবং খালে বাঁধ দিয়ে পানি সেচ দিয়ে রাতের আঁধারে মাছ ধরে নিয়ে বিক্রি করে। আমরা বাঁধা নিষেধ করিলে কোন কথার কর্ণপাত করেন না। উল্টো আরও সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্যার সহকারে আমাদের পিটাবে হুমকি ধামকি দেয় তারা। ওই এলাকার কৃষকেরা বলেন, প্রবহমান এ খাল হওয়া সত্ত্বেও তারা খাল বাঁধ দিয়ে মাছ ধরছেন। এতে করে আমাদের চাষাবাদের পানি পেতে বিঘ্ন হচ্ছে। আমরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেজওয়ানুল হক গত ৪ জানুয়ারি মো. মফিজুল ইসলাম ও মো. ফারুককে ৫ জানুয়ারি সকাল ১০টায় ভূমি অফিসে উক্ত বিষয়ে শুনানিতে থাকার জন্য নোটিশ জারী করেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তারা ওই দিন শুনানিতে অংশগ্রহণ করেনি এবং ভূমি অফিস থেকে এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যায়নি।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, আমি এই কাজের সাথে জড়িত নই। আর আমি কোন নোটিশও পাইনি। তবে ভূমি অফিসের কানুনগো আমাকে ফোন করা হয়েছিলো। এলাকার কিছু শয়তান লোক আমাকে এখানে ফাঁসিয়েছে।
এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মো. রেজওয়ানুল হক বলেন, নোটিশের পর এখনো হাজির হয়নি। সরজমিনে এসে কাগজপত্র দেখানোর পর পর্যালোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। যেহেতু ৫ জানুয়ারিতে হাজির হওয়ার কথা ছিলো তারা কোন জবাব দেয়নি এখন আমরা বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৬:৪২:৩১ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি ২০২৬ ৪২৯ বার পড়া হয়েছে
Logo
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

লালমোহনে প্রবাহমান খালে বাঁধ দিয়ে মাছ ধরার কারণে ও চাষাবাদ বিঘ্নের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:৪২:৩১ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি ২০২৬
৫৬৯

ভোলার লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড চতলা এলাকায় প্রবহমান খালের মধ্যে বাঁধ দিয়ে সেচের মাধ্যমে মাছ ধরা ও চাষাবাদ বিঘ্নের অভিযোগ উঠেছে ওই এলাকার মৃত নাছির আহম্মদ এর ছেলে মো. মফিজুল ইসলাম ও মো. রবিউল হক এর ছেলে মো. ফারুক এর বিরুদ্ধে।
এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষে মো. লোকমান লালমোহন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর খালের দুপাশে বাঁধ দিয়ে সেচের মাধ্যমে মাছ ধরা বন্ধ ও চাষাবাদের বিনষ্ট ও খালের প্রবাহ ফিরিয়ে আনার দাবিতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এবিষয়ে মো. লোকমান অভিযোগ করে বলেন, মফিজুল ইসলাম ও ফারুক ওনারা দুইজন খুব দুর্দান্ত, অন্যের সম্পদ আত্মসাৎকারী মিথ্যায় খুব বলিয়ান এবং অন্যায় অপরাধ করা তাদের নিয়মিত কাজ। দেশের আইন-কানুন কিছুই মানে না তারা। এরা খুব মামলাবাজ ও পরের জায়গা জমি জোরপূর্বক ভোগ দখল করা তাদের নেশা। সরকারি খালে বাঁধ দিয়ে মাছ ধরতেছে এবং খালে বাঁধ দিয়ে পানি সেচ দিয়ে রাতের আঁধারে মাছ ধরে নিয়ে বিক্রি করে। আমরা বাঁধা নিষেধ করিলে কোন কথার কর্ণপাত করেন না। উল্টো আরও সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্যার সহকারে আমাদের পিটাবে হুমকি ধামকি দেয় তারা। ওই এলাকার কৃষকেরা বলেন, প্রবহমান এ খাল হওয়া সত্ত্বেও তারা খাল বাঁধ দিয়ে মাছ ধরছেন। এতে করে আমাদের চাষাবাদের পানি পেতে বিঘ্ন হচ্ছে। আমরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেজওয়ানুল হক গত ৪ জানুয়ারি মো. মফিজুল ইসলাম ও মো. ফারুককে ৫ জানুয়ারি সকাল ১০টায় ভূমি অফিসে উক্ত বিষয়ে শুনানিতে থাকার জন্য নোটিশ জারী করেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তারা ওই দিন শুনানিতে অংশগ্রহণ করেনি এবং ভূমি অফিস থেকে এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যায়নি।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, আমি এই কাজের সাথে জড়িত নই। আর আমি কোন নোটিশও পাইনি। তবে ভূমি অফিসের কানুনগো আমাকে ফোন করা হয়েছিলো। এলাকার কিছু শয়তান লোক আমাকে এখানে ফাঁসিয়েছে।
এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মো. রেজওয়ানুল হক বলেন, নোটিশের পর এখনো হাজির হয়নি। সরজমিনে এসে কাগজপত্র দেখানোর পর পর্যালোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। যেহেতু ৫ জানুয়ারিতে হাজির হওয়ার কথা ছিলো তারা কোন জবাব দেয়নি এখন আমরা বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি।

Facebook Comments Box