মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে আওয়ামী লীগের দোসর শাহীনুরের সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা মো. শাহীনুর রহমানকে আওয়ামী লীগের দোসর ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে দাবি করে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম, দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের বকেয়া ভাতা পরিশোধে ঘুষ ও অর্থ কেটে রাখার অভিযোগসহ ট্রাস্টের বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় সামনে আসার পর শাহীনুর রহমানের দায়িত্বকালীন ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। এসব অভিযোগের সঙ্গে তার কোনো প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে খুঁজে বের করার দাবি জানানো হয়েছে।
অভিযোগকারীদের আরও দাবি, দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার ক্ষেত্রে তিনি তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী মহলের রাজনৈতিক সুবিধা পেয়েছেন। সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের প্রভাব ব্যবহার করে বদলি ঠেকানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
এছাড়া সরকারি ফ্ল্যাট ব্যবহারে অনিয়ম, মুক্তিযোদ্ধা সনদ সংক্রান্ত প্রশাসনিক কার্যক্রমে অনিয়ম এবং রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে প্রভাবশালী বলয় তৈরির অভিযোগও উঠেছে।
অভিযোগকারীরা বলছেন, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে কোনো কর্মকর্তা রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব ব্যবহার করে থাকলে তার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে বকেয়া ভাতা, ঘুষ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করতে হবে।
তাদের দাবি, মো. শাহীনুর রহমানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সরকারি বিধি অনুযায়ী চাকরিচ্যুতিসহ সর্বোচ্চ বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
তবে এসব অভিযোগের ব্যাপারে শাহীনুর রহমানের সঙ্গে তার ব্যবহারিত মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলে তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।














