ঢাকা ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo নোয়াখালীতে ইয়াবা সেবনের দায়ে দুইজনের কারাদণ্ড Logo যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য আনোয়ার হোসেন সহ সাত জনের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে দুদক Logo গাজীপুরে পোশাক কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিট Logo নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪৫ Logo ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লালমোহনে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo মনপুরায় মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠিত Logo প্রতিবন্ধী মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় তিনজনকে কুপিয়ে জখম Logo তেলিচালায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১: উদ্ধার ১০৮০ পিস মাদক Logo থানার ভেতরে গোয়ালঘর, গরু উদ্ধার করে বিপাকে পুলিশ Logo বাঘাইছড়িতে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য আনোয়ার হোসেন সহ সাত জনের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে দুদক

মোঃযায়েদ আলী জাহিদ যশোর জেলা প্রতিনিধি।
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৮৬

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপা চার্য অধ্যাপক ড.আনোয়ার হোসেন, দুই সহযোগী অধ্যাপক ও দুই সহকারী অধ্যাপকসহ সাতজনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুদক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দুদকের জনসংযোগ বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা মো: আকতারুল ইসলাম।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, একজন মেডি কেল অফিসার ও একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হবে।

অপর মামলাটি করা হবে বিশ্ববিদ্যা লয়ের পুষ্টি ও খাদ্য প্রযু ক্তি বিভাগের (এনএফটি) দুই সহযো গী অধ্যাপক ও দুই সহ কারী অধ্যাপকের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্তদের মধ্যে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আনো য়ার হোসেন ছাড়াও রয়েছেন মেডিকেল অফিসার (আবাসি ক) ডা. নুসরত জামান ও সাবেক রেজিস্ট্রার প্রকৌ শলী মো: আহসান হাবীব।

অপর মামলায় অভিযুক্তরা হলেন পুষ্টি ও খাদ্যপ্রযুক্তি বিভা গের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: ওমর ফারুক, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: শিমুল ইসলাম এবং সহকারী অধ্যাপক মো: মাহমুদুল হাসান ও তানভীর আহমেদ।

এ বিষয়ে জানতে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আনো য়ার হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করতে গেলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

অভিযুক্ত সাবেক রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো: আহসান হাবী বের চাকরির মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে পুষ্টি ও খাদ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক বলেন, দুদক আমার বিরুদ্ধে মামলা করবে এমন কিছুটা শুনেছি। কাল বিভাগে গিয়ে বিষ য়টি সম্পূর্ণভাবে জানতে হবে।

একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: শিমুল ইসলাম বলেন, নিয়োগে যে সমস্যা ছিল, সেটি আমিই প্রথম ধরেছি লাম।

আমরা শুধু বলেছি, ভাইভার জন্য কার্ড দেওয়া যেতে পারে। নিয়োগ তো দিয়েছে নিয়োগ বোর্ড।

এরপর প্ল্যানিং কমিটি বাছাই করে কারা ভাইভার জন্য ডাকতে পারে।

কাকে নিয়োগ দেওয়া হবে বা হবে না, সেটি নিয়োগ বোর্ডের বিষয়। দুদক যে অনিয়মের বিষয়টি ধরেছে, সেটি আমিই ধরিয়ে দিয়েছি। এখন আমাকেই ফাঁসানো হচ্ছে।

সহকারী অধ্যাপক তানভীর আহমেদ বলেন, আমাদের এনএ ফটি বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের প্ল্যানিংকমিটির কাজ ছিল বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী প্রার্থীর পরীক্ষা দেওয়ার প্রাথমিক কার্ড দেওয়া।

চূড়ান্ত নিয়োগের এখতিয়ার ছিল নিয়োগ বোর্ডের। মাহমুদুল হাসানের ড্যাফোডিলে শিক্ষকতার অভি জ্ঞতা ও পিএইচডি থাকায় আমরা তাকে ভাইভার জন্য কার্ড দিয়েছিলাম।

তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে প্রার্থীর আবেদন ফরমে তথ্য রদবদলের অভিযোগ উঠলে দুদক আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

আমি লিখিতভাবে জানিয়েছি, আবেদনপত্রের ওই সূক্ষ্ম ভুল ধরা প্ল্যানিং কমিটির পক্ষে সম্ভব হয়নি।

আমরা শুধু যোগ্যতা দেখে কার্ড দিয়েছি, নিয়োগ দিইনি। নিয়োগ দেওয়ার দায়িত্ব নিয়োগ বোর্ডের। এখানে আমাদের কোনো কাজ নেই।

একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাহমুদুল হাসান চাক রি ছেড়ে অনেক আগেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চলে গেছে ন। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরত জামা নের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১১:১০:৫১ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে
Logo
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য আনোয়ার হোসেন সহ সাত জনের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে দুদক

আপডেট সময় : ১১:১০:৫১ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
৮৬

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপা চার্য অধ্যাপক ড.আনোয়ার হোসেন, দুই সহযোগী অধ্যাপক ও দুই সহকারী অধ্যাপকসহ সাতজনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুদক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দুদকের জনসংযোগ বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা মো: আকতারুল ইসলাম।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, একজন মেডি কেল অফিসার ও একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হবে।

অপর মামলাটি করা হবে বিশ্ববিদ্যা লয়ের পুষ্টি ও খাদ্য প্রযু ক্তি বিভাগের (এনএফটি) দুই সহযো গী অধ্যাপক ও দুই সহ কারী অধ্যাপকের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্তদের মধ্যে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আনো য়ার হোসেন ছাড়াও রয়েছেন মেডিকেল অফিসার (আবাসি ক) ডা. নুসরত জামান ও সাবেক রেজিস্ট্রার প্রকৌ শলী মো: আহসান হাবীব।

অপর মামলায় অভিযুক্তরা হলেন পুষ্টি ও খাদ্যপ্রযুক্তি বিভা গের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: ওমর ফারুক, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: শিমুল ইসলাম এবং সহকারী অধ্যাপক মো: মাহমুদুল হাসান ও তানভীর আহমেদ।

এ বিষয়ে জানতে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আনো য়ার হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করতে গেলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

অভিযুক্ত সাবেক রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো: আহসান হাবী বের চাকরির মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে পুষ্টি ও খাদ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক বলেন, দুদক আমার বিরুদ্ধে মামলা করবে এমন কিছুটা শুনেছি। কাল বিভাগে গিয়ে বিষ য়টি সম্পূর্ণভাবে জানতে হবে।

একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: শিমুল ইসলাম বলেন, নিয়োগে যে সমস্যা ছিল, সেটি আমিই প্রথম ধরেছি লাম।

আমরা শুধু বলেছি, ভাইভার জন্য কার্ড দেওয়া যেতে পারে। নিয়োগ তো দিয়েছে নিয়োগ বোর্ড।

এরপর প্ল্যানিং কমিটি বাছাই করে কারা ভাইভার জন্য ডাকতে পারে।

কাকে নিয়োগ দেওয়া হবে বা হবে না, সেটি নিয়োগ বোর্ডের বিষয়। দুদক যে অনিয়মের বিষয়টি ধরেছে, সেটি আমিই ধরিয়ে দিয়েছি। এখন আমাকেই ফাঁসানো হচ্ছে।

সহকারী অধ্যাপক তানভীর আহমেদ বলেন, আমাদের এনএ ফটি বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের প্ল্যানিংকমিটির কাজ ছিল বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী প্রার্থীর পরীক্ষা দেওয়ার প্রাথমিক কার্ড দেওয়া।

চূড়ান্ত নিয়োগের এখতিয়ার ছিল নিয়োগ বোর্ডের। মাহমুদুল হাসানের ড্যাফোডিলে শিক্ষকতার অভি জ্ঞতা ও পিএইচডি থাকায় আমরা তাকে ভাইভার জন্য কার্ড দিয়েছিলাম।

তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে প্রার্থীর আবেদন ফরমে তথ্য রদবদলের অভিযোগ উঠলে দুদক আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

আমি লিখিতভাবে জানিয়েছি, আবেদনপত্রের ওই সূক্ষ্ম ভুল ধরা প্ল্যানিং কমিটির পক্ষে সম্ভব হয়নি।

আমরা শুধু যোগ্যতা দেখে কার্ড দিয়েছি, নিয়োগ দিইনি। নিয়োগ দেওয়ার দায়িত্ব নিয়োগ বোর্ডের। এখানে আমাদের কোনো কাজ নেই।

একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাহমুদুল হাসান চাক রি ছেড়ে অনেক আগেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চলে গেছে ন। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরত জামা নের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি

Facebook Comments Box