ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo লক্ষ্মীপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সরকারি কবরস্থান দখলের অভিযোগ Logo ঝাড়ফুঁকের কথা বলে শিশুকে ধর্ষণ, জামায়াতের সাবেক নেতা গ্রেপ্তার Logo আ.লীগ নেতার বাড়িতে ভূরিভোজ, ওসি প্রত্যাহার Logo ভোলার ধনিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলাল হোসেনের নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo মনপুরায় মসজিদের ভিতর এক শিক্ষককে মারধর ও রক্তাক্ত করার অভিযোগ শিক্ষক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয়দের নিন্দা Logo ভূরুঙ্গামারীতে প্রতিবন্ধী স্কুল নিয়ে নানা অভিযোগ Logo দৌলতখানে স্কুল কমিটির সভাপতি হতে না পেরে শিক্ষককে মারধর, থানায় লিখিত অভিযোগ Logo পাওনা টাকা চাওয়ায় দোকানে হামলা-ভাঙচুর, ব্যবসায়ী গুরুতর আহত Logo চেয়ারম্যান হলে গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’, যুবদল নেতার নামে পোস্টারিং Logo নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট, থানায় জিডি

মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ থানা পুলিশের বিরুদ্ধে / ভুক্তভোগীর কোরআন হাতে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন 

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৭৮

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি।। 
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আমিনাবাদ ইউনিয়নের মাঝিরহাট বাজার থেকে তুলে নিয়ে তিন যুবকে এনকাউন্টারের ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বীকারউক্তি আদায় করে ৭ কেজি গাঁজা দিয়ে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে চরফ্যাশন থানায় কর্মরত দুই এসআই’র বিরুদ্ধে। ৪২দিন কারাবাসের পর জামিনে এসে মঙ্গলবার আমিনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কোরআন হাতে নিয়ে লিখিত বক্তব্যে এমন অভিযোগ করেন মামলার আসামী ভুক্তভোগী তিন যুবক।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মো.মনির দালাল, মুসফিকুল আলম ও মো. ইলিয়াছ অভিযোগ করেন, ঘটনার দিন ২৩ আগস্ট আমিনাবাদ ৩নং ওয়াডের চাঁন মিয়া হাওলাদারের ছেলে ফাহাদ গাঁজাসহ দুই ব্যাক্তিকে আটক করে পুলিশে দেয়ার ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে গাঁজা রেখে তাদেরকে ছেড়ে দেয়। এঘটনায় ওই দিন বিকাল সাড়ে চার টায় এসআই সিদ্দিকুর রহমান ও এসআই সাইফুল ইসলামসহ সংঙ্গীয় ফোর্স ফাহাদকে আমিনাবাদ ইউনিয়নের মাঝিরহাট বাজারস্থ তহসিল অফিসের সামন থেকে আটক করে। এসময় পুলিশ যুবক ফায়াদের সাথে আতাঁত করে তাকে ছেড়ে দিয়ে একই স্থান থেকে অন্যায় ভাবে মুসফিকুল আলম ও ইলিয়াছকে আটক করে পৌর সভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিএড কলেজ সংলগ্ন এলাকায় নিয়ে প্রাচীরের ভিতরের পুর্ব পাশ থেকে গাঁজা ভর্তি একটি ব্যাগ নিয়ে তাদের হাতে দেয় এবং এনকাউন্টারের ভয় দেখিয়ে  ফায়াদের কাছ থেকে জব্দকৃত মাদক তাদের এই মর্মে একটি স্বীকারুক্তি আদায় করে ছবি ও ভিডিও ধারন করেন। ফের পুলিশ ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন মুল সড়ক থেকে মনির নামের অপর আসামীকে আটক করে বিএড কলেজে নিয়ে আসে। সেখান থেকে মাদকসহ তাদের তিনজনকে  থানায় নিয়ে যায় এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে সোপর্দ করেন। 
সংবাদ সম্মেলনে কোরান শরিফ হাতে নিয়ে তারা দাবী করেন তারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। ফায়াদের সাথে পুলিশের সখ্যতা থাকায় প্রতিহিংসা বসত ফায়াদ অহেতুক ভাবে তাদেরকে এমন একটি মিথ্যা মাদক মামলায় জড়িয়ে দিয়েছেন।
তারা আরোও জানান, গাঁজা বহনকারী যুবকদের সঙ্গে ফাহাদের কথোপকথনের একটি ভিডিও ফুটেজ তাদের হাতে আসলে প্রকাশ হয় যুবক ফাহাদ দুই যুবকের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া মাদক দিয়ে থানা পুলিশের সাথে আতাঁত করে অন্যায় ভাবে মাদক দিয়ে তাদেরকে ফাঁসিয়েছে। ওই ভিডিও রেকর্ডে যে দুই যুবক এসব মাদক কুমিল্লা থেকে এনেছেন বলে স্বীকার করেছেন এরা আইনের আওতায় আসেনি।

তারা আরো জানান, তাদেরকে ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা থেকে আটক করলেও পুলিশ মামলায় তাদেরকে বিএড কলেজ এলাকা থেকে গ্রেফতার দেখিয়েছে। এমন অহেতুক সাজানো মামলায় তিন জনের সম্মান ক্ষুর্ন করা হয়েছে উল্লেখ করে তারা এই মামলা থেকে তাদেরকে অব্যাহতির দাবী জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী তিন যুবক ও তাদের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

চরফ্যাশন থানার উপ পরিদর্শক ছিদ্দিকুর রহমান জানান, তাদের কাছ থেকে মাদক পাওয়া গেছে বলেই তাদেরকে মামলায় আসামী করা হয়েছে। আসামীরাতো বিভিন্ন অভিযোগ করতেই পারে।

চরফ্যাশন থানার ওসি মো.শাখাওয়াত হোসেন জানান,আমি সদ্য যোগদান করেছি। এ মামলা আমি যোগদানের আগে হয়েছে। এই মামলা সম্পর্কে আমার কিছু জানা নাই।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৫০ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩ ১২৪ বার পড়া হয়েছে
Logo
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ থানা পুলিশের বিরুদ্ধে / ভুক্তভোগীর কোরআন হাতে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন 

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৫০ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩
১৭৯

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি।। 
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আমিনাবাদ ইউনিয়নের মাঝিরহাট বাজার থেকে তুলে নিয়ে তিন যুবকে এনকাউন্টারের ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বীকারউক্তি আদায় করে ৭ কেজি গাঁজা দিয়ে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে চরফ্যাশন থানায় কর্মরত দুই এসআই’র বিরুদ্ধে। ৪২দিন কারাবাসের পর জামিনে এসে মঙ্গলবার আমিনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কোরআন হাতে নিয়ে লিখিত বক্তব্যে এমন অভিযোগ করেন মামলার আসামী ভুক্তভোগী তিন যুবক।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মো.মনির দালাল, মুসফিকুল আলম ও মো. ইলিয়াছ অভিযোগ করেন, ঘটনার দিন ২৩ আগস্ট আমিনাবাদ ৩নং ওয়াডের চাঁন মিয়া হাওলাদারের ছেলে ফাহাদ গাঁজাসহ দুই ব্যাক্তিকে আটক করে পুলিশে দেয়ার ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে গাঁজা রেখে তাদেরকে ছেড়ে দেয়। এঘটনায় ওই দিন বিকাল সাড়ে চার টায় এসআই সিদ্দিকুর রহমান ও এসআই সাইফুল ইসলামসহ সংঙ্গীয় ফোর্স ফাহাদকে আমিনাবাদ ইউনিয়নের মাঝিরহাট বাজারস্থ তহসিল অফিসের সামন থেকে আটক করে। এসময় পুলিশ যুবক ফায়াদের সাথে আতাঁত করে তাকে ছেড়ে দিয়ে একই স্থান থেকে অন্যায় ভাবে মুসফিকুল আলম ও ইলিয়াছকে আটক করে পৌর সভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিএড কলেজ সংলগ্ন এলাকায় নিয়ে প্রাচীরের ভিতরের পুর্ব পাশ থেকে গাঁজা ভর্তি একটি ব্যাগ নিয়ে তাদের হাতে দেয় এবং এনকাউন্টারের ভয় দেখিয়ে  ফায়াদের কাছ থেকে জব্দকৃত মাদক তাদের এই মর্মে একটি স্বীকারুক্তি আদায় করে ছবি ও ভিডিও ধারন করেন। ফের পুলিশ ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন মুল সড়ক থেকে মনির নামের অপর আসামীকে আটক করে বিএড কলেজে নিয়ে আসে। সেখান থেকে মাদকসহ তাদের তিনজনকে  থানায় নিয়ে যায় এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে সোপর্দ করেন। 
সংবাদ সম্মেলনে কোরান শরিফ হাতে নিয়ে তারা দাবী করেন তারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। ফায়াদের সাথে পুলিশের সখ্যতা থাকায় প্রতিহিংসা বসত ফায়াদ অহেতুক ভাবে তাদেরকে এমন একটি মিথ্যা মাদক মামলায় জড়িয়ে দিয়েছেন।
তারা আরোও জানান, গাঁজা বহনকারী যুবকদের সঙ্গে ফাহাদের কথোপকথনের একটি ভিডিও ফুটেজ তাদের হাতে আসলে প্রকাশ হয় যুবক ফাহাদ দুই যুবকের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া মাদক দিয়ে থানা পুলিশের সাথে আতাঁত করে অন্যায় ভাবে মাদক দিয়ে তাদেরকে ফাঁসিয়েছে। ওই ভিডিও রেকর্ডে যে দুই যুবক এসব মাদক কুমিল্লা থেকে এনেছেন বলে স্বীকার করেছেন এরা আইনের আওতায় আসেনি।

তারা আরো জানান, তাদেরকে ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা থেকে আটক করলেও পুলিশ মামলায় তাদেরকে বিএড কলেজ এলাকা থেকে গ্রেফতার দেখিয়েছে। এমন অহেতুক সাজানো মামলায় তিন জনের সম্মান ক্ষুর্ন করা হয়েছে উল্লেখ করে তারা এই মামলা থেকে তাদেরকে অব্যাহতির দাবী জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী তিন যুবক ও তাদের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

চরফ্যাশন থানার উপ পরিদর্শক ছিদ্দিকুর রহমান জানান, তাদের কাছ থেকে মাদক পাওয়া গেছে বলেই তাদেরকে মামলায় আসামী করা হয়েছে। আসামীরাতো বিভিন্ন অভিযোগ করতেই পারে।

চরফ্যাশন থানার ওসি মো.শাখাওয়াত হোসেন জানান,আমি সদ্য যোগদান করেছি। এ মামলা আমি যোগদানের আগে হয়েছে। এই মামলা সম্পর্কে আমার কিছু জানা নাই।

Facebook Comments Box