ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট, থানায় জিডি Logo নোয়াখালী জেলা যুবলীগের সভাপতি ইমন ভট্র গ্রেপ্তার Logo লালমোহন হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ Logo হেলপার চালাচ্ছিল বাস, খাদে পড়ে আহত ১০ Logo বাঘাইছড়িতে ৪২ পরিবারের জন্য সৌরশক্তি চালিত নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প উদ্বোধন Logo সৎ সাহস থাকলে পালিয়ে নয়, আদালতে আসুন: ডা. জাহিদ Logo সাইবার বুলিং ঠেকাতে কার্যকর নীতি চায় আইআরআই, আইন সংশোধনে মতামত নিচ্ছে সরকার Logo মনপুরায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি ও সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত Logo “মনপুরায় দ্রুত জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ও কলাতলীতে বেড়ীবাঁধ নির্মানের আশ্বাস -কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক ও এমপি নয়ন Logo কুড়িগ্রামে প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে ভুয়া কাগজপত্র ও অনিয়মের অভিযোগ

টোল উত্তোলনকারীরা ছিনিয়ে নিল সাংবাদিকের মোবাইল

নিজস্ব প্রতিবেদক।
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৫০৫

ভোলার লালমোহনে নির্ধারিতের চেয়ে অতিরিক্ত টোল উত্তোলনকালে ভিডিও করায় সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে গেছে টোল উত্তোলনকারীরা।

রোববার (১৫ জুন) বিকেলে উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাটে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাটে যাত্রী টোল জনপ্রতি ৫টাকা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহণ অধিদপ্তর (বিআইডব্লিউটিএ)।

তবে যাত্রীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১০টাকা করে টোল উত্তোলন করছিল টোল উত্তোলনকারীরা। এমন অনিয়ম দেখে তা মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকার লালমোহন প্রতিনিধি এমআর পারভেজ।

বিষয়টি টের পেয়ে পারভেজকে গালিগালাজ ও হুমকি-ধামকি দিয়ে তার মুঠোফোন কেড়ে নেন ঘাটের টোল উত্তোলনের দায়িত্বরত আকতার ও ফিরোজ নামের দুই ব্যক্তি।

সাংবাদিক এমআর পারভেজ জানান, মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাটে যাত্রী টোল ৫ টাকার স্থলে ১০ টাকা নিচ্ছিল ইজারাদার। এ বিষয়ে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করতেই খারাপ আচরণ করে তারা। একপর্যায়ে তারা কয়েকজন একত্রিত হয়ে গালিগালাজ শুরু করে এবং আকতার ও ফিরোজ নামে দুইজন এসে আমার মোবাইল কেড়ে নেয়।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি লালমোহন থানার ওসিকে জানালে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠান তিনি।

পরে পুলিশ ও স্থানীয় যুবদল নেতা সোহাগ এবং ইমাম হোসেনের সহায়তায় মোবাইল ফেরত পাই। তবে মোবাইলে থাকা অতিরিক্ত টোল উত্তোলনের ভিডিও ও ছবিগুলো ডিলেট করে দিয়েছে তারা।

লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে মঙ্গলসিকদার ফাড়ির ইনচার্জসহ পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মোবাইল ফেরত দিয়েছে ইজারাদারের লোকজন। ওই সাংবাদিক লিখিত অভিযোগ প্রদান করলে আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ বলেন, এর আগে এ অনিয়মের ব্যাপারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে। ঈদের পর আমি সেখানে গিয়েছিলাম, তখন কোন অনিয়ম পাইনি। তারা আমাদের অগোচরে অনিয়ম করে থাকে। আজকের ব্যাপারটা বিআইডব্লিউটিএ’কে জানানো হবে, যাতে তারা আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, লালমোহনের মঙ্গল শিকদার ও নাজিরপুর লঞ্চঘাটের ইজারাদার ছিল ছাত্রলীগ ও শ্রমিকলীগের নেতা। ৫ আগস্টের পরে তারা পলাতক থাকার সুযোগ নিয়েছে আকতার ও ফিরোজরা। পূর্বের ইজারাদারদের কাছ থেকে ইজারা হাতবদলের কথা বললেও বাস্তবে দখলবাজির অভিযোগ আকতার-ফিরোজদের বিরুদ্ধে। তাই এ টোলের নামে যাত্রী হয়রানি বন্ধের দাবি করেছেন লালমোহনের সচেতন মহল।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০১:০৬:০৪ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫ ৩৫৭ বার পড়া হয়েছে
Logo
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

টোল উত্তোলনকারীরা ছিনিয়ে নিল সাংবাদিকের মোবাইল

আপডেট সময় : ০১:০৬:০৪ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
৫০৫

ভোলার লালমোহনে নির্ধারিতের চেয়ে অতিরিক্ত টোল উত্তোলনকালে ভিডিও করায় সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে গেছে টোল উত্তোলনকারীরা।

রোববার (১৫ জুন) বিকেলে উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাটে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাটে যাত্রী টোল জনপ্রতি ৫টাকা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহণ অধিদপ্তর (বিআইডব্লিউটিএ)।

তবে যাত্রীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১০টাকা করে টোল উত্তোলন করছিল টোল উত্তোলনকারীরা। এমন অনিয়ম দেখে তা মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকার লালমোহন প্রতিনিধি এমআর পারভেজ।

বিষয়টি টের পেয়ে পারভেজকে গালিগালাজ ও হুমকি-ধামকি দিয়ে তার মুঠোফোন কেড়ে নেন ঘাটের টোল উত্তোলনের দায়িত্বরত আকতার ও ফিরোজ নামের দুই ব্যক্তি।

সাংবাদিক এমআর পারভেজ জানান, মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাটে যাত্রী টোল ৫ টাকার স্থলে ১০ টাকা নিচ্ছিল ইজারাদার। এ বিষয়ে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করতেই খারাপ আচরণ করে তারা। একপর্যায়ে তারা কয়েকজন একত্রিত হয়ে গালিগালাজ শুরু করে এবং আকতার ও ফিরোজ নামে দুইজন এসে আমার মোবাইল কেড়ে নেয়।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি লালমোহন থানার ওসিকে জানালে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠান তিনি।

পরে পুলিশ ও স্থানীয় যুবদল নেতা সোহাগ এবং ইমাম হোসেনের সহায়তায় মোবাইল ফেরত পাই। তবে মোবাইলে থাকা অতিরিক্ত টোল উত্তোলনের ভিডিও ও ছবিগুলো ডিলেট করে দিয়েছে তারা।

লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে মঙ্গলসিকদার ফাড়ির ইনচার্জসহ পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মোবাইল ফেরত দিয়েছে ইজারাদারের লোকজন। ওই সাংবাদিক লিখিত অভিযোগ প্রদান করলে আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ বলেন, এর আগে এ অনিয়মের ব্যাপারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে। ঈদের পর আমি সেখানে গিয়েছিলাম, তখন কোন অনিয়ম পাইনি। তারা আমাদের অগোচরে অনিয়ম করে থাকে। আজকের ব্যাপারটা বিআইডব্লিউটিএ’কে জানানো হবে, যাতে তারা আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, লালমোহনের মঙ্গল শিকদার ও নাজিরপুর লঞ্চঘাটের ইজারাদার ছিল ছাত্রলীগ ও শ্রমিকলীগের নেতা। ৫ আগস্টের পরে তারা পলাতক থাকার সুযোগ নিয়েছে আকতার ও ফিরোজরা। পূর্বের ইজারাদারদের কাছ থেকে ইজারা হাতবদলের কথা বললেও বাস্তবে দখলবাজির অভিযোগ আকতার-ফিরোজদের বিরুদ্ধে। তাই এ টোলের নামে যাত্রী হয়রানি বন্ধের দাবি করেছেন লালমোহনের সচেতন মহল।

Facebook Comments Box