ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট, থানায় জিডি Logo নোয়াখালী জেলা যুবলীগের সভাপতি ইমন ভট্র গ্রেপ্তার Logo লালমোহন হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ Logo হেলপার চালাচ্ছিল বাস, খাদে পড়ে আহত ১০ Logo বাঘাইছড়িতে ৪২ পরিবারের জন্য সৌরশক্তি চালিত নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প উদ্বোধন Logo সৎ সাহস থাকলে পালিয়ে নয়, আদালতে আসুন: ডা. জাহিদ Logo সাইবার বুলিং ঠেকাতে কার্যকর নীতি চায় আইআরআই, আইন সংশোধনে মতামত নিচ্ছে সরকার Logo মনপুরায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি ও সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত Logo “মনপুরায় দ্রুত জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ও কলাতলীতে বেড়ীবাঁধ নির্মানের আশ্বাস -কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক ও এমপি নয়ন Logo কুড়িগ্রামে প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে ভুয়া কাগজপত্র ও অনিয়মের অভিযোগ

চরফ্যাশনে ছিনতাইকালে চালকহত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৪১৭

ভোলার চরফ্যাশনে মটরসাইকেল ছিনতাইকালে হত্যা করা হয় আরোহী কালুকে। হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আসামী মিন্টিজ ওরফে মো. শাজাহানকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ ও ২০ হাজার টাকা অর্থ দন্ডাদেশ দেন চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে এই আদেশ দেন চরফ্যাশন অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. শওকত হোসাইন।

আদেশে বলা হয় ২০১২ সালের ১৯ ফেরুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে আলাউদ্দিন গাছির মটরসাইকেলে চরে কালু দুলারহাট বাজার থেকে চরফ্যাশন যাচ্ছিলেন। এর পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ ও নিখোঁজ থাকে । পরদিন সকালে চরফ্যাশন উপজেলার আলীগাও ২ নম্বর ওয়ার্ডের জনৈক নূরেআলম পাটোয়ারীর বাড়ির পশ্চিম পাশে কালুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্ত শেষে ৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় তদন্ত কর্মকর্তা।

তাতে উল্লেখ করা হয় মটর সাইকেলটি ছিনতাই করতে পথ রোধ করে আসামী মো.মিলন, মো. জামাল , মো.ফিরোজ, মো.শাহাবুদ্দিন ও মো. মিন্টিজ ওরফে মো.শাজাহান একযোগে গলায় গামছা পেচিয়ে কালুকে হত্যা করে। ১০ জনের সাক্ষ্য শেষে আদালত মঙ্গলবার রায় দেন। এদিকে আসামীদের মধ্যে মিলন ব্যতিত অপর ৪ জন পলাতক ছিলেন। সাক্ষ্যপ্রমান না থাকায় মো. মিলন , মো. জামাল, মো. শাহাবুদ্দিন ও মো.ফিরোজকে খালাস দেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পিপি মো. হযরত আলী হিরণ ও আসামীর পক্ষে এ্যাডভোকেট এএইচ এম জাবেদ করিম মামলা পরিচালনা করেন। পিপি হযরত আলী জানান,ন্যায়ের ভিত্তিতেই সাজা দেওয়া হয়েছে। এতে নিহত পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলো।

এদিকে ‎রায় ঘোষণার পর বিচারক মো. শওকত হোসাইনকে আদালতের আইনজীবী ও স্থানীয় জনগণ ধন্যবাদ জানান। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের আলোচিত এ মামলায় আদালত সাহসী ও সঠিক রায় দিয়েছেন। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আদালত ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরণ‎ ভূমিকার প্রশংসা করেন তারা।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৭:২৪:০৫ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫ ৩৫৪ বার পড়া হয়েছে
Logo
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

চরফ্যাশনে ছিনতাইকালে চালকহত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৭:২৪:০৫ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
৪১৭

ভোলার চরফ্যাশনে মটরসাইকেল ছিনতাইকালে হত্যা করা হয় আরোহী কালুকে। হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আসামী মিন্টিজ ওরফে মো. শাজাহানকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ ও ২০ হাজার টাকা অর্থ দন্ডাদেশ দেন চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে এই আদেশ দেন চরফ্যাশন অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. শওকত হোসাইন।

আদেশে বলা হয় ২০১২ সালের ১৯ ফেরুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে আলাউদ্দিন গাছির মটরসাইকেলে চরে কালু দুলারহাট বাজার থেকে চরফ্যাশন যাচ্ছিলেন। এর পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ ও নিখোঁজ থাকে । পরদিন সকালে চরফ্যাশন উপজেলার আলীগাও ২ নম্বর ওয়ার্ডের জনৈক নূরেআলম পাটোয়ারীর বাড়ির পশ্চিম পাশে কালুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্ত শেষে ৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় তদন্ত কর্মকর্তা।

তাতে উল্লেখ করা হয় মটর সাইকেলটি ছিনতাই করতে পথ রোধ করে আসামী মো.মিলন, মো. জামাল , মো.ফিরোজ, মো.শাহাবুদ্দিন ও মো. মিন্টিজ ওরফে মো.শাজাহান একযোগে গলায় গামছা পেচিয়ে কালুকে হত্যা করে। ১০ জনের সাক্ষ্য শেষে আদালত মঙ্গলবার রায় দেন। এদিকে আসামীদের মধ্যে মিলন ব্যতিত অপর ৪ জন পলাতক ছিলেন। সাক্ষ্যপ্রমান না থাকায় মো. মিলন , মো. জামাল, মো. শাহাবুদ্দিন ও মো.ফিরোজকে খালাস দেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পিপি মো. হযরত আলী হিরণ ও আসামীর পক্ষে এ্যাডভোকেট এএইচ এম জাবেদ করিম মামলা পরিচালনা করেন। পিপি হযরত আলী জানান,ন্যায়ের ভিত্তিতেই সাজা দেওয়া হয়েছে। এতে নিহত পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলো।

এদিকে ‎রায় ঘোষণার পর বিচারক মো. শওকত হোসাইনকে আদালতের আইনজীবী ও স্থানীয় জনগণ ধন্যবাদ জানান। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের আলোচিত এ মামলায় আদালত সাহসী ও সঠিক রায় দিয়েছেন। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আদালত ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরণ‎ ভূমিকার প্রশংসা করেন তারা।

Facebook Comments Box