ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo নোয়াখালীতে রুফটপ সোলার প্রসারে সভা Logo উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালক সংকটে বন্ধ অ্যাম্বুলেন্স সেবা, চরম ভোগান্তিতে রোগীরা। Logo ফুলবাড়ীতে ৭২টি পূজামণ্ডপে সরকারি বরাদ্দ প্রদান Logo কালিয়াকৈরে আবাসিক হোটেলে অভিযান, নারীসহ গ্রেপ্তার ৩৯ Logo ফুলবাড়ী উপজেলায় বিএনপি’র আহবায়ক কমিটি গঠন হাসু আহবায়ক, আব্দুল মান্নান মুকুল সদস্য সচিব Logo বোরহানউদ্দিনে আলোর দিশারী সংস্থার উদ্যোগে সবজি চাষে আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা Logo রূপগঞ্জে পল্লী চিকিৎসক সমিতির উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত Logo নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৪৫ Logo জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষ্যে উজিরপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo তুরাগের ভাঙনে নিঃস্ব শত শত পরিবার, ঝুঁকিতে বসতভিটা

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও ভেজাল খাবার বিক্রি করায় হোটেল মালিকসহ আটক-২

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৭২

আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুর শহরে খাবার হোটেলগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল, পঁচা ও বাসি খাবার বিক্রি করায় ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে হোটেল মালিকসহ ২জনকে আটক করা হয়।

জেলা শহরের ঝুমুর চত্বরে অবস্থিত ঝুমুর হোটেলে ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস বলে বিক্রি করার অভিযোগ উঠে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ হোটেল মালিক সবুজ ও কশাই চৌধুরীকে আটক করে। কয়েক ঘন্টা পর মুচলেকা নিয়ে পুলিশ দুইজনকে ছেড়ে দেয়।

দিনব্যাপী শহর জুড়ে মানুষের মুখে-মুখে একটাই কথা ছিলো ঝুমুর হোটেলে ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস বলে বিক্রি করে হোটেল কর্তৃপক্ষ।

এর-আগ গতরাতে পুলিশ ঝুমুর হোটেল ও কশাই চৌধুরীর গ্রামের বাড়ি চাঁদখালী মসজিদ বাড়ীর তার ঘর থেকে মাংস উদ্ধার করে।

কশাই চৌধুরীর নিজ মালিকীয় দুইটি ঘোড়া মাদাম স্নানঘাটা নামক স্থানে জবাই করা হয়। পরে ঘোড়ার মাংস ঝুমুর হোটেলসহ বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি করে কশাই চৌধুরী। তথ্য পেয়ে পুলিশ ঘোড়ার মাংস জব্দ করে।

ঝুমুর চত্বর এলাকার বাসিন্দা ও রিকশাচালক মো. সিরাজ জানান, আমার রিকশায় ভরে কশাই চৌধুরী স্নানঘাটা থেকে ঝুমুর হোটেলে মাংস দেয়। পরে আমি শুনেছি মাংসগুলো ঘোড়ার মাংস।

সিএনজি চালক কবির বলেন, আমরা সবসময় এ ঝুমুর হোটেলে নাস্তা করি। অনেক সময় দুপুর বেলা মাংস দিয়ে খাবার খাই। আজ শুনলাম এ হোটেলে ঘোড়ার মাংস পাওয়া গেছে।

লক্ষ্মীপুর জজকোর্টের আইনজীবী সহকারী রাসেল হোসেন বলেন, গরুর মাংস নয়, ঘোড়ার মাংস বিক্রি হয় হোটেলে বিষয়টি শুনে খুব খারাপ লাগছে। প্রশাসন যদি অভিযান পরিচালনা করে এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে এমনটাই প্রত্যাশা করে সকলেই।

ঝুমুর হোটেলের স্বত্বাধিকারী মো. সবুজকে হোটেলে এসে পাওয়া যায়নি। তবে ম্যানেজার মো. মিজানুর রহমান বলেন, আমরা গরুর মাংস বিক্রি করি। একটি চক্র ও কশাই চৌধুরী ষড়যন্ত্র করে আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন এ প্রতিবেদককে বলেন, খবর পেয়ে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য কশাই চৌধুরী ও হোটেল মালিক সবুজকে এনেছি। মামলা দেয়ার জন্য কোনো অভিযোগকারী বা সাক্ষী ছিলো না। মাংস গুলো কিসের মাংস পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি। তবে ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যহত আছে।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৩৩ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৯ মে ২০২৩ ১৭৪ বার পড়া হয়েছে
Logo
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও ভেজাল খাবার বিক্রি করায় হোটেল মালিকসহ আটক-২

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৩৩ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৯ মে ২০২৩
২৭২

আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুর শহরে খাবার হোটেলগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল, পঁচা ও বাসি খাবার বিক্রি করায় ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে হোটেল মালিকসহ ২জনকে আটক করা হয়।

জেলা শহরের ঝুমুর চত্বরে অবস্থিত ঝুমুর হোটেলে ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস বলে বিক্রি করার অভিযোগ উঠে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ হোটেল মালিক সবুজ ও কশাই চৌধুরীকে আটক করে। কয়েক ঘন্টা পর মুচলেকা নিয়ে পুলিশ দুইজনকে ছেড়ে দেয়।

দিনব্যাপী শহর জুড়ে মানুষের মুখে-মুখে একটাই কথা ছিলো ঝুমুর হোটেলে ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস বলে বিক্রি করে হোটেল কর্তৃপক্ষ।

এর-আগ গতরাতে পুলিশ ঝুমুর হোটেল ও কশাই চৌধুরীর গ্রামের বাড়ি চাঁদখালী মসজিদ বাড়ীর তার ঘর থেকে মাংস উদ্ধার করে।

কশাই চৌধুরীর নিজ মালিকীয় দুইটি ঘোড়া মাদাম স্নানঘাটা নামক স্থানে জবাই করা হয়। পরে ঘোড়ার মাংস ঝুমুর হোটেলসহ বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি করে কশাই চৌধুরী। তথ্য পেয়ে পুলিশ ঘোড়ার মাংস জব্দ করে।

ঝুমুর চত্বর এলাকার বাসিন্দা ও রিকশাচালক মো. সিরাজ জানান, আমার রিকশায় ভরে কশাই চৌধুরী স্নানঘাটা থেকে ঝুমুর হোটেলে মাংস দেয়। পরে আমি শুনেছি মাংসগুলো ঘোড়ার মাংস।

সিএনজি চালক কবির বলেন, আমরা সবসময় এ ঝুমুর হোটেলে নাস্তা করি। অনেক সময় দুপুর বেলা মাংস দিয়ে খাবার খাই। আজ শুনলাম এ হোটেলে ঘোড়ার মাংস পাওয়া গেছে।

লক্ষ্মীপুর জজকোর্টের আইনজীবী সহকারী রাসেল হোসেন বলেন, গরুর মাংস নয়, ঘোড়ার মাংস বিক্রি হয় হোটেলে বিষয়টি শুনে খুব খারাপ লাগছে। প্রশাসন যদি অভিযান পরিচালনা করে এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে এমনটাই প্রত্যাশা করে সকলেই।

ঝুমুর হোটেলের স্বত্বাধিকারী মো. সবুজকে হোটেলে এসে পাওয়া যায়নি। তবে ম্যানেজার মো. মিজানুর রহমান বলেন, আমরা গরুর মাংস বিক্রি করি। একটি চক্র ও কশাই চৌধুরী ষড়যন্ত্র করে আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন এ প্রতিবেদককে বলেন, খবর পেয়ে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য কশাই চৌধুরী ও হোটেল মালিক সবুজকে এনেছি। মামলা দেয়ার জন্য কোনো অভিযোগকারী বা সাক্ষী ছিলো না। মাংস গুলো কিসের মাংস পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি। তবে ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যহত আছে।

Facebook Comments Box