ঢাকা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo ভোলায় মাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহবিরোধী মতবিনিময় সভা Logo জমিতে বিষপ্রযুক্ত সার ছিটিয়ে খামারির ১৩টি হাঁস নিধন Logo লালমোহনে ইয়াবাসহ আটক ২ Logo ভালো কাজের স্বীকৃতি, পুরস্কৃত ডিবির এসআই আবু ইউসুফ Logo চরফ্যাশনে আড়াই লাখ টাকার জাল নোটসহ যুবক আটক Logo দক্ষিণ আইচায় উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি Logo প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতার ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ Logo মনপুরা উত্তর সাকুচিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ ভবেন ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদান, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা Logo ভোলায় বরিশাল বিভাগীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

জমিতে বিষপ্রযুক্ত সার ছিটিয়ে খামারির ১৩টি হাঁস নিধন

তজুমদ্দিন প্রতিনিধি:
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৩৭

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নে জমিতে বিষপ্রযুক্ত সার প্রয়োগ করে এক খামারির ১৩টি হাঁস মেরে ফেলার এক মর্মান্তিক ও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিবেশীর শত্রুতার জেরে এ নৃশংস ঘটনা ঘটেছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে। হঠাৎ এতগুলো হাঁস মারা যাওয়ায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত হাঁস খামারি।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সরোজমিনে জানা যায়, তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নের গোলাম রহমান মুন্সি বাড়ির বাসিন্দা ও হাঁস খামারি মোসাঃ আসমা বেগম লালন-পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। প্রতিদিনের মতো তার খামারের হাঁসগুলো বাড়ির পাশের খালি জায়গায় চরাতে বের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, একই এলাকার মকবুল মুন্সিবাড়ি বাসিন্দা খলিল পূর্বশত্রুতা বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার নিজ খালি জমিতে রাসায়নিক সারের সাথে মারাত্মক বিষ মিশিয়ে ছিটিয়ে রাখেন। চরে খাওয়ার একপর্যায়ে হাঁসগুলো সেই বিষাক্ত সারমিশ্রিত খাদ্য খেলে একে একে ১৩টি হাঁস ঘটনাস্থলেই ছটফট করে মারা যায়।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে ক্ষতিগ্রস্ত খামারি আসমা বেগম বলেন, “আমরা অনেক কষ্ট করে হাঁসগুলো বড় করেছিলাম। পরিবারের হাল ধরতে এই হাঁসগুলোই ছিল আমাদের মূল সম্বল। অথচ বাড়ির পাশের খালি জমিতে সারের সাথে বিষ মিশিয়ে রাখা হয়েছিল। খলিল ইচ্ছা করেই এমন অপকর্ম করেছে, যার বলি হলো আমার ১৩টি অবোলা হাঁস। সারাদিনের আয়ের পথ এক নিমেষেই শেষ হয়ে গেল। আমি এর কঠোর বিচার চাই।”
এদিকে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অবোলা প্রাণীর প্রতি এমন নির্মমতার প্রতিবাদ জানিয়েছেন সচেতন এলাকাবাসী। সাধারণ মানুষ বলছেন, জমি সংক্রান্ত বা ব্যক্তিগত কোনো বিরোধ থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেত; কিন্তু এভাবে বিষ প্রয়োগ করে প্রাণী হত্যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এ ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত খামারি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিকট ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীর কঠোর শাস্তি ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:৪৯ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
Logo
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

জমিতে বিষপ্রযুক্ত সার ছিটিয়ে খামারির ১৩টি হাঁস নিধন

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৪৯ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৩৭

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নে জমিতে বিষপ্রযুক্ত সার প্রয়োগ করে এক খামারির ১৩টি হাঁস মেরে ফেলার এক মর্মান্তিক ও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিবেশীর শত্রুতার জেরে এ নৃশংস ঘটনা ঘটেছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে। হঠাৎ এতগুলো হাঁস মারা যাওয়ায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত হাঁস খামারি।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সরোজমিনে জানা যায়, তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নের গোলাম রহমান মুন্সি বাড়ির বাসিন্দা ও হাঁস খামারি মোসাঃ আসমা বেগম লালন-পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। প্রতিদিনের মতো তার খামারের হাঁসগুলো বাড়ির পাশের খালি জায়গায় চরাতে বের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, একই এলাকার মকবুল মুন্সিবাড়ি বাসিন্দা খলিল পূর্বশত্রুতা বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার নিজ খালি জমিতে রাসায়নিক সারের সাথে মারাত্মক বিষ মিশিয়ে ছিটিয়ে রাখেন। চরে খাওয়ার একপর্যায়ে হাঁসগুলো সেই বিষাক্ত সারমিশ্রিত খাদ্য খেলে একে একে ১৩টি হাঁস ঘটনাস্থলেই ছটফট করে মারা যায়।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে ক্ষতিগ্রস্ত খামারি আসমা বেগম বলেন, “আমরা অনেক কষ্ট করে হাঁসগুলো বড় করেছিলাম। পরিবারের হাল ধরতে এই হাঁসগুলোই ছিল আমাদের মূল সম্বল। অথচ বাড়ির পাশের খালি জমিতে সারের সাথে বিষ মিশিয়ে রাখা হয়েছিল। খলিল ইচ্ছা করেই এমন অপকর্ম করেছে, যার বলি হলো আমার ১৩টি অবোলা হাঁস। সারাদিনের আয়ের পথ এক নিমেষেই শেষ হয়ে গেল। আমি এর কঠোর বিচার চাই।”
এদিকে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অবোলা প্রাণীর প্রতি এমন নির্মমতার প্রতিবাদ জানিয়েছেন সচেতন এলাকাবাসী। সাধারণ মানুষ বলছেন, জমি সংক্রান্ত বা ব্যক্তিগত কোনো বিরোধ থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেত; কিন্তু এভাবে বিষ প্রয়োগ করে প্রাণী হত্যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এ ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত খামারি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিকট ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীর কঠোর শাস্তি ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box