ফুলবাড়ীতে গণধর্ষনের তরুণী ধর্ষনের ঘটনায় গ্রেফতার পাঁচ
ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :
বন্ধুর পাল্পায় পড়ে গণধর্ষনের শিকার হলেন এক তরুণী।এ ঘটনার ৫ ধর্ষককে আটক করেছে পুলিশ ।
এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার চরবড়লই এলাকায় ।
আসামীদেরদের বিরুদ্ধে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে আসামীদেরকে বৃস্পতিবার
দুপুর বেলা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগি ওই তরুণীকে উদ্ধার করে মেডিকেল পরীক্ষা
করার জন্য পুলিশ কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।
ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুনুর রশীদ জানান ফুলবাড়ী উপজেলার পূর্ব ধনিরাম
গেটের বাজার এলাকার আশরাফুল হকের মেয়ে আশা খাতুন (২০) এর সাথে মোবাইল ফোনে
ফুলবাড়ী উপজেলার চন্দ্রখানা বালাটারী গ্রামের জহুরুল হকের ছেলে মঈনুল হকের পরিচয় হয়।
পরিচয়ের সুবাধে আলাপ চারিতা হয় উভয়ের মধ্যে। এ মধ্যে গত বুধবার কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার
চর সারডম (আর ডি আর এস বাজার ) এলাকার মজিনুর রহমানের বাড়ীতে বেড়ার জন্য যায় ওই
তরুণী । ওই তরুণীর সম্পর্কে বোন জামাই হন মজিনুর রহমান। সেখানে থাকা অবস্থায় ফোনে
কথা হয় মঈনুল হকের সাথে। বাড়ী সামনে আসার জন্য ওই তরুণীকে ফোনে ডাকা নেয়া হয় ।
এক পর্যায় ওঁৎ পেতে থাকা মঈনুল হকের সহযোগিরা জোর পূর্বক জাপ্টে ধরে ভোক্তভোগিকে
র্নিজন এলাকায় নিয়ে যায় । সেখানে ওই তরুণীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয় ।
ভিকটিম তার পরিবারের সদস্যদেরকে নিয়ে থানায় হাজির হয়। পরে ধর্ষণের বণনা দিয়ে লিখিত
অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ রাত ভোর অভিযান চালিয়ে ৫জন ধর্ষণকারী যুবককে আটক করে।
আটকরা হলেন ফুলবাড়ী উপজেলার চন্দ্রখানা বালাটারী গ্রামের জহুরুল হকের ছেলে মঈনুল হক (২২),
একই এলাকার একরামুল হকের ছেলে হাসানুল হক (২০) উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের চর বড়লই
বাংলাবাজার এলাকার শাহাদৎ হোসেনের ছেলে ইয়াকুব আলী (২৫) একই ইউনিয়নের চর বড়লই
হাজিটারী এলাকার ইলিমুদ্দিনের ছেলে লাল মিয়া (৩৮)ও আব্দুর রহমানের ছেলে সোহেল রানা (২১)।
আটকদের বিরুদ্ধে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে। অপর দুই আসামী হলেন
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা এলাকার এরশাদুল হকের ছেলে আল-আমিন (২০)ও বাংলাবাজার
এলাকার আফজাল হোসেনের ছেলে আতিয়ার হরমান (৩৪)
ওই এলাকার ইউপি সদস্য আজিমুদ্দিন বলেন, ধর্ষণের শিকার হয়েছে আমার এলাকার এক তরুণী
বলে শুনেছি। পারিবারিক ভাবে কেউ আমাকে জানায় নেই।
নাগেরশরী র্সাকেল সহকারী পুলিশ সুপার (এ এসপি ) মোজাম্মল হক ঘটনা পরিদর্শন করে
সাংবাদিকদের জানান সংঘবদ্ধ আসামীরা কৌশলে ভুক্তভোগিকে ধর্ষণ করেছে। ভুক্তভোগি ওই
তরুণী নিজে বাদী হয়ে ৭জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেছে। তার মধ্যে ৫জনকে
আটক করা হয়েছে। বাকীদেরকে আটক করার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


















