লালমোহনে প্রবাহমান খালে বাঁধ দিয়ে মাছ ধরার কারণে ও চাষাবাদ বিঘ্নের অভিযোগ
ভোলার লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড চতলা এলাকায় প্রবহমান খালের মধ্যে বাঁধ দিয়ে সেচের মাধ্যমে মাছ ধরা ও চাষাবাদ বিঘ্নের অভিযোগ উঠেছে ওই এলাকার মৃত নাছির আহম্মদ এর ছেলে মো. মফিজুল ইসলাম ও মো. রবিউল হক এর ছেলে মো. ফারুক এর বিরুদ্ধে।
এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষে মো. লোকমান লালমোহন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর খালের দুপাশে বাঁধ দিয়ে সেচের মাধ্যমে মাছ ধরা বন্ধ ও চাষাবাদের বিনষ্ট ও খালের প্রবাহ ফিরিয়ে আনার দাবিতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এবিষয়ে মো. লোকমান অভিযোগ করে বলেন, মফিজুল ইসলাম ও ফারুক ওনারা দুইজন খুব দুর্দান্ত, অন্যের সম্পদ আত্মসাৎকারী মিথ্যায় খুব বলিয়ান এবং অন্যায় অপরাধ করা তাদের নিয়মিত কাজ। দেশের আইন-কানুন কিছুই মানে না তারা। এরা খুব মামলাবাজ ও পরের জায়গা জমি জোরপূর্বক ভোগ দখল করা তাদের নেশা। সরকারি খালে বাঁধ দিয়ে মাছ ধরতেছে এবং খালে বাঁধ দিয়ে পানি সেচ দিয়ে রাতের আঁধারে মাছ ধরে নিয়ে বিক্রি করে। আমরা বাঁধা নিষেধ করিলে কোন কথার কর্ণপাত করেন না। উল্টো আরও সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্যার সহকারে আমাদের পিটাবে হুমকি ধামকি দেয় তারা। ওই এলাকার কৃষকেরা বলেন, প্রবহমান এ খাল হওয়া সত্ত্বেও তারা খাল বাঁধ দিয়ে মাছ ধরছেন। এতে করে আমাদের চাষাবাদের পানি পেতে বিঘ্ন হচ্ছে। আমরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেজওয়ানুল হক গত ৪ জানুয়ারি মো. মফিজুল ইসলাম ও মো. ফারুককে ৫ জানুয়ারি সকাল ১০টায় ভূমি অফিসে উক্ত বিষয়ে শুনানিতে থাকার জন্য নোটিশ জারী করেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তারা ওই দিন শুনানিতে অংশগ্রহণ করেনি এবং ভূমি অফিস থেকে এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যায়নি।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, আমি এই কাজের সাথে জড়িত নই। আর আমি কোন নোটিশও পাইনি। তবে ভূমি অফিসের কানুনগো আমাকে ফোন করা হয়েছিলো। এলাকার কিছু শয়তান লোক আমাকে এখানে ফাঁসিয়েছে।
এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মো. রেজওয়ানুল হক বলেন, নোটিশের পর এখনো হাজির হয়নি। সরজমিনে এসে কাগজপত্র দেখানোর পর পর্যালোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। যেহেতু ৫ জানুয়ারিতে হাজির হওয়ার কথা ছিলো তারা কোন জবাব দেয়নি এখন আমরা বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি।


















