ঢাকা ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট, থানায় জিডি Logo নোয়াখালী জেলা যুবলীগের সভাপতি ইমন ভট্র গ্রেপ্তার Logo লালমোহন হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ Logo হেলপার চালাচ্ছিল বাস, খাদে পড়ে আহত ১০ Logo বাঘাইছড়িতে ৪২ পরিবারের জন্য সৌরশক্তি চালিত নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প উদ্বোধন Logo সৎ সাহস থাকলে পালিয়ে নয়, আদালতে আসুন: ডা. জাহিদ Logo সাইবার বুলিং ঠেকাতে কার্যকর নীতি চায় আইআরআই, আইন সংশোধনে মতামত নিচ্ছে সরকার Logo মনপুরায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি ও সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত Logo “মনপুরায় দ্রুত জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ও কলাতলীতে বেড়ীবাঁধ নির্মানের আশ্বাস -কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক ও এমপি নয়ন Logo কুড়িগ্রামে প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে ভুয়া কাগজপত্র ও অনিয়মের অভিযোগ

আন্তঃসীমান্ত নদীতে বাঁধ দেবে আফগানিস্তান, দুশ্চিন্তায় পাকিস্তান

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৮৩৮

তালেবান নেতা আফগানিস্তানের জ্বালানি ও পানি মন্ত্রণালয়কে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কুনার নদীর উপর একটি বাঁধ নির্মাণ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে পাকিস্তানের সঙ্গে ভাগাভাগি করা পানিসম্পদ নিয়ে উত্তেজনা বৃদ্ধির সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালেবানের জ্বালানি ও পানিমন্ত্রী আব্দুল লতিফ মনসুর জানান, তার নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা মন্ত্রণালয়কে বিদেশি কোম্পানির জন্য অপেক্ষা না করে বরং দেশীয় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে প্রকল্পটি শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। মনসুর আখুন্দজাদাকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেছেন, আফগানদের নিজস্ব পানি ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে।

আফগানিস্তান ইন্টারন্যাশনালের শুক্রবারের (২৪ অক্টোবর) প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তানের পাঁচটি প্রধান নদীর মধ্যে একটি কুনার নদী। পাকিস্তানের চিত্রাল থেকে উৎপন্ন হয়ে আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৪৮২ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে এটি। তারপর পাকিস্তানে ফিরে যাওয়ার আগে কাবুল নদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে প্রবাহে শক্তি জোগায়। কাবুল নদীর বেশিরভাগ প্রবাহ অবশেষে পাকিস্তানে চলে যায়। যেখানে খাইবার পাখতুনখোয়ার মতো প্রদেশগুলো আফগান নদীর পানির উপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে।

আফগানিস্তান পানিসম্পদে সমৃদ্ধ। কিন্তু কয়েক দশকের যুদ্ধ এবং অস্থিতিশীলতার কারণে দেশটি কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা বিকাশ করতে পারেনি।

অপরদিকে পাকিস্তান নদীর প্রবাহ নিয়ে সংবেদনশীল। তালেবান ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেই কুনার নদীর উপর বাঁধ নির্মাণের জন্য নতুন করে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। দুই প্রতিবেশীর মধ্যে পানি বণ্টন দীর্ঘদিন ধরে একটি সংবেদনশীল বিষয়। তবে দুই দেশের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক পানি চুক্তি নেই এবং প্রথাগত ভিত্তিতে পানি ভাগাভাগি করা হয়।

সম্প্রতি পাকিস্তানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, চিত্রাল নদীর প্রবাহ আফগানিস্তানে প্রবেশের আগে সরিয়ে সোয়াত নদীর দিকে নিয়ে যাওয়ার কথা বিবেচনা করছে ইসলামাবাদ। দ্য নেশন পত্রিকা পাকিস্তানের একটি সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে কুনার এবং কাবুল নদীর সঙ্গে মিশে যাওয়ার আগে ইসলামাবাদ নদীর গতিপথ পরিবর্তন করার চিন্তা-ভাবনা করছে।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১২:৩২:১৯ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫ ৫১৭ বার পড়া হয়েছে
Logo
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

আন্তঃসীমান্ত নদীতে বাঁধ দেবে আফগানিস্তান, দুশ্চিন্তায় পাকিস্তান

আপডেট সময় : ১২:৩২:১৯ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
৮৩৮

তালেবান নেতা আফগানিস্তানের জ্বালানি ও পানি মন্ত্রণালয়কে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কুনার নদীর উপর একটি বাঁধ নির্মাণ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে পাকিস্তানের সঙ্গে ভাগাভাগি করা পানিসম্পদ নিয়ে উত্তেজনা বৃদ্ধির সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালেবানের জ্বালানি ও পানিমন্ত্রী আব্দুল লতিফ মনসুর জানান, তার নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা মন্ত্রণালয়কে বিদেশি কোম্পানির জন্য অপেক্ষা না করে বরং দেশীয় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে প্রকল্পটি শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। মনসুর আখুন্দজাদাকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেছেন, আফগানদের নিজস্ব পানি ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে।

আফগানিস্তান ইন্টারন্যাশনালের শুক্রবারের (২৪ অক্টোবর) প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তানের পাঁচটি প্রধান নদীর মধ্যে একটি কুনার নদী। পাকিস্তানের চিত্রাল থেকে উৎপন্ন হয়ে আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৪৮২ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে এটি। তারপর পাকিস্তানে ফিরে যাওয়ার আগে কাবুল নদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে প্রবাহে শক্তি জোগায়। কাবুল নদীর বেশিরভাগ প্রবাহ অবশেষে পাকিস্তানে চলে যায়। যেখানে খাইবার পাখতুনখোয়ার মতো প্রদেশগুলো আফগান নদীর পানির উপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে।

আফগানিস্তান পানিসম্পদে সমৃদ্ধ। কিন্তু কয়েক দশকের যুদ্ধ এবং অস্থিতিশীলতার কারণে দেশটি কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা বিকাশ করতে পারেনি।

অপরদিকে পাকিস্তান নদীর প্রবাহ নিয়ে সংবেদনশীল। তালেবান ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেই কুনার নদীর উপর বাঁধ নির্মাণের জন্য নতুন করে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। দুই প্রতিবেশীর মধ্যে পানি বণ্টন দীর্ঘদিন ধরে একটি সংবেদনশীল বিষয়। তবে দুই দেশের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক পানি চুক্তি নেই এবং প্রথাগত ভিত্তিতে পানি ভাগাভাগি করা হয়।

সম্প্রতি পাকিস্তানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, চিত্রাল নদীর প্রবাহ আফগানিস্তানে প্রবেশের আগে সরিয়ে সোয়াত নদীর দিকে নিয়ে যাওয়ার কথা বিবেচনা করছে ইসলামাবাদ। দ্য নেশন পত্রিকা পাকিস্তানের একটি সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে কুনার এবং কাবুল নদীর সঙ্গে মিশে যাওয়ার আগে ইসলামাবাদ নদীর গতিপথ পরিবর্তন করার চিন্তা-ভাবনা করছে।

Facebook Comments Box