
ঢাকা–চাঁদপুর-বরিশাল–ভোলা নৌরুটে ঘন কুয়াশার কারণে মেঘনায় কয়েকটি লঞ্চের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একটি দুর্ঘটনায় অন্তত চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, দুর্ঘটনায় চারজন মারা গেছেন। এদের মধ্যে একজন ভোলার বাসিন্দা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনায় লঞ্চেই একজন মারা যান। অন্য আহতদের নিয়ে লঞ্চটি ঢাকা যাওয়ার পথে বাকি তিনজন মারা যান।
এর আগে, বৃহস্পতিবার দিনগত গভীর রাতে চাঁদপুরের হরিণা এলাকায় ঢাকাগামী জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চের সঙ্গে ঝালকাঠিগামী অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
রাত ১টা থেকে ২টার মধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। তাদের মরদেহ নিয়ে দুর্ঘটনার পর লঞ্চটি ঢাকার সদরঘাটে চলে গেছে।
এদিকে, ঢাকা–বরিশাল রুটে চলাচলকারী লঞ্চ এম খান–৭ ও চাঁদপুর থেকে ঢাকাগামী ঈগল–৪ লঞ্চের মধ্যেও সংঘর্ষ হয়েছে। আমিরাবাদ এলাকায় এ সংঘর্ষে এম খান–৭ লঞ্চটি মাঝখান থেকে ভেঙে যায়। তবে ঈগল–৪ লঞ্চের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে বরিশাল নৌবন্দরে সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা এম খান–৭ লঞ্চটি মাঝখান থেকে ভেঙে যাওয়ার পর সেখানে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন