ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo ভোলার তজুমদ্দনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে পরিবহন কালে বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার জব্দ। বৈধ ভাবে বিক্রির দাবী ডিলারের। Logo ৩ মাসেও খোঁজ মেলেনি আবুল খায়েরের, ছেলেকে ফিরে পেতে মায়ের আকুতি Logo নোয়াখালীতে পুলিশ দেখে দৌড়ে পালানোর সময় আসামির মৃত্যু Logo অধ্যক্ষের অন্যায় কাজে অস্বীকৃতি জানায় চাকুরীচ্যুত তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী সেলিম সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগের পর চাকরী পুনর্বহালের আকুতি Logo তজুমদ্দিনের মেঘনার চরে বজ্রপাতে জেলে নিহত Logo তজুমদ্দিনে দুই হিন্দু পরিবারে সংঘর্ষে নারী ও প্রতিবন্ধীসহ আহত ৫ জন, হাসপাতালে ভর্তি Logo লালমোহনে ৪ কেজি গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক Logo লালমোহনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও মাদকবিরোধী জনসচেতনতায় মতবিনিময় সভা Logo মহানবী (সা.)-এর আদর্শেই মানবতার প্রকৃত মুক্তি,মাওলানা ফখরুদ্দিন খান রাজী Logo রাজশাহী-নাটোরের মধ্যে আবারও বাস চলাচল বন্ধ

তজুমদ্দিনের সোনাপুরে জেলে ভিজিএফ চাল আত্মসাৎ এর অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৭০

ভোলার তজুমদ্দিনের সোনাপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও সচিব কর্তৃক জেলে ভিজিএফ চাল আত্মসাৎ এর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রবিবার (৭ জুন) অর্ধশত জেলে উপস্থিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, সোনাপুর ইউনিয়নে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৫ হাজার ৬ শত। এরমধ্যে মৎস্য অধিদপ্তর ২ হাজার ৭ শত ৮০ জেলে বিপরীতে ৪৪৫ মেঃটন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেন।
এদিকে ৪০ কেজি করে ৪ মাসের জন্য ১৬০ কেজি জনপ্রতি বরাদ্দের ২৭৮০ জেলের চাল নিবন্ধিত ৫৬০০ জেলের মাঝে বিতরণের উদ্দেশ্যে ৮০ কেজি করে বিতরণ করা হয়।

জেলেরা জানান, বলা হয়েছিল নিবন্ধনকৃত কেহ যাতে বাদ না পড়ে এজন্য জনপ্রতি ৮০ কেজি হারে ৫৬০০ জেলের মাঝে চাল বিতরণ করা হবে। কিন্তু প্রায় ৪ শত নিবন্ধিত জেলেকে ভিজিএফ চাল থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে ।

তারা অভিযোগে আরো জানান, চালের জন্য জেলে কার্ডের ফটোকপি জমা দিলে প্যানেল চেয়ারম্যান তা ছিঁড়ে ফেলেন।সোনাপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান রিজন মেম্বার ও ইউনিয়ন সচিব মিলে প্রায় ৪ শত কার্ডধারী জেলেকে চাল না দিয়ে বরাদ্দকৃত সরকারি চালগুলো বিক্রি করে দেন। চালের জন্য চরাঞ্চল থেকে এসে জেলেরা দিনের পর দিন ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হন বলেওজানান জানান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ রিজন মেম্বার অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন প্রায় ৫ হাজার জেলেকে চাল বিতরণ করা হয়েছে। তা মাস্টাররোল অনুযায়ী স্বচ্ছতার সাথেই করা হচ্ছে।

তজুমদ্দিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমির হোসেন বলেন, মৎস্য অধিদপ্তর বরাদ্দ দেয়, বিতরণের দায়িত্ব ইউনিয়ন পরিষদের।সোনাপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন জেলে অফিসে এসে মৌখিক ভাবে অভিযোগ দিয়েছেন। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বনি আমিন জানান, জেলেদের চাল আত্মসাতের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৬:৩০:২০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬ ২২৮ বার পড়া হয়েছে
Logo
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

তজুমদ্দিনের সোনাপুরে জেলে ভিজিএফ চাল আত্মসাৎ এর অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:৩০:২০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
২৭০

ভোলার তজুমদ্দিনের সোনাপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও সচিব কর্তৃক জেলে ভিজিএফ চাল আত্মসাৎ এর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রবিবার (৭ জুন) অর্ধশত জেলে উপস্থিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, সোনাপুর ইউনিয়নে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৫ হাজার ৬ শত। এরমধ্যে মৎস্য অধিদপ্তর ২ হাজার ৭ শত ৮০ জেলে বিপরীতে ৪৪৫ মেঃটন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেন।
এদিকে ৪০ কেজি করে ৪ মাসের জন্য ১৬০ কেজি জনপ্রতি বরাদ্দের ২৭৮০ জেলের চাল নিবন্ধিত ৫৬০০ জেলের মাঝে বিতরণের উদ্দেশ্যে ৮০ কেজি করে বিতরণ করা হয়।

জেলেরা জানান, বলা হয়েছিল নিবন্ধনকৃত কেহ যাতে বাদ না পড়ে এজন্য জনপ্রতি ৮০ কেজি হারে ৫৬০০ জেলের মাঝে চাল বিতরণ করা হবে। কিন্তু প্রায় ৪ শত নিবন্ধিত জেলেকে ভিজিএফ চাল থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে ।

তারা অভিযোগে আরো জানান, চালের জন্য জেলে কার্ডের ফটোকপি জমা দিলে প্যানেল চেয়ারম্যান তা ছিঁড়ে ফেলেন।সোনাপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান রিজন মেম্বার ও ইউনিয়ন সচিব মিলে প্রায় ৪ শত কার্ডধারী জেলেকে চাল না দিয়ে বরাদ্দকৃত সরকারি চালগুলো বিক্রি করে দেন। চালের জন্য চরাঞ্চল থেকে এসে জেলেরা দিনের পর দিন ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হন বলেওজানান জানান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ রিজন মেম্বার অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন প্রায় ৫ হাজার জেলেকে চাল বিতরণ করা হয়েছে। তা মাস্টাররোল অনুযায়ী স্বচ্ছতার সাথেই করা হচ্ছে।

তজুমদ্দিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমির হোসেন বলেন, মৎস্য অধিদপ্তর বরাদ্দ দেয়, বিতরণের দায়িত্ব ইউনিয়ন পরিষদের।সোনাপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন জেলে অফিসে এসে মৌখিক ভাবে অভিযোগ দিয়েছেন। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বনি আমিন জানান, জেলেদের চাল আত্মসাতের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box