ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালক সংকটে বন্ধ অ্যাম্বুলেন্স সেবা, চরম ভোগান্তিতে রোগীরা। Logo ফুলবাড়ীতে ৭২টি পূজামণ্ডপে সরকারি বরাদ্দ প্রদান Logo কালিয়াকৈরে আবাসিক হোটেলে অভিযান, নারীসহ গ্রেপ্তার ৩৯ Logo ফুলবাড়ী উপজেলায় বিএনপি’র আহবায়ক কমিটি গঠন হাসু আহবায়ক, আব্দুল মান্নান মুকুল সদস্য সচিব Logo বোরহানউদ্দিনে আলোর দিশারী সংস্থার উদ্যোগে সবজি চাষে আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা Logo রূপগঞ্জে পল্লী চিকিৎসক সমিতির উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত Logo নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৪৫ Logo জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষ্যে উজিরপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo তুরাগের ভাঙনে নিঃস্ব শত শত পরিবার, ঝুঁকিতে বসতভিটা Logo উজিরপুরে বসতভিটা দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, এলাকা ছাড়লেন বিধবা নারী

তজুমদ্দিনে দুই হিন্দু পরিবারে সংঘর্ষে নারী ও প্রতিবন্ধীসহ আহত ৫ জন, হাসপাতালে ভর্তি

তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি:
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৪১

ভোলার তজুমদ্দিনে বাড়িতে চলাচলের পথে সুপারি চারা রোপণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শারীরিক প্রতিবন্ধীসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে শারীরিক প্রতিবন্ধী শ্রীবাস চন্দ্র দাসের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের কেয়ামূল্যাহ গ্রামের মহাদেব বাড়ি এলাকায় লালু দাসের ছেলেরা ভ্যানচালক শারীরিক প্রতিবন্ধী শ্রীবাস চন্দ্র দাসের বাড়িতে চলাচলের পথে সুপারি চারা রোপণ করতে গেলে তিনি এতে বাধা দেন। এ সময় লালু দাসের ছেলে দ্বীবাকর, বিভীষণ ও বিধান চন্দ্র দাসের সঙ্গে শ্রীবাসের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

শ্রীবাসকে উদ্ধারে তার মা পুষ্পরানী দাস ও স্ত্রী এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন।

আহতদের মধ্যে শারীরিক প্রতিবন্ধী শ্রীবাস চন্দ্র দাস, তার মা পুষ্পরানী দাস, স্ত্রী শ্রীমতি রানী দাস এবং প্রতিপক্ষের স্বর্ণলতা দাস ও বিধান চন্দ্র দাসকে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শ্রীবাস চন্দ্র দাসের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শ্রীবাস চন্দ্র দাসের বাবা অমৃত চন্দ্র দাস অভিযোগ করে বলেন, লালু দাসের ছেলেরা আমার পুত্র বুধুকে খারাপ ধরনের ইশারা ইঙ্গিত করে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় তাদের সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে লালু দাস বলেন, “ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমাদের পক্ষেরও দুইজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।”

তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, মারামারির ঘটনায় উভয় পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৯:০৬:১৮ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৮৯ বার পড়া হয়েছে
Logo
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

তজুমদ্দিনে দুই হিন্দু পরিবারে সংঘর্ষে নারী ও প্রতিবন্ধীসহ আহত ৫ জন, হাসপাতালে ভর্তি

আপডেট সময় : ০৯:০৬:১৮ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৪১

ভোলার তজুমদ্দিনে বাড়িতে চলাচলের পথে সুপারি চারা রোপণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শারীরিক প্রতিবন্ধীসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে শারীরিক প্রতিবন্ধী শ্রীবাস চন্দ্র দাসের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের কেয়ামূল্যাহ গ্রামের মহাদেব বাড়ি এলাকায় লালু দাসের ছেলেরা ভ্যানচালক শারীরিক প্রতিবন্ধী শ্রীবাস চন্দ্র দাসের বাড়িতে চলাচলের পথে সুপারি চারা রোপণ করতে গেলে তিনি এতে বাধা দেন। এ সময় লালু দাসের ছেলে দ্বীবাকর, বিভীষণ ও বিধান চন্দ্র দাসের সঙ্গে শ্রীবাসের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

শ্রীবাসকে উদ্ধারে তার মা পুষ্পরানী দাস ও স্ত্রী এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন।

আহতদের মধ্যে শারীরিক প্রতিবন্ধী শ্রীবাস চন্দ্র দাস, তার মা পুষ্পরানী দাস, স্ত্রী শ্রীমতি রানী দাস এবং প্রতিপক্ষের স্বর্ণলতা দাস ও বিধান চন্দ্র দাসকে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শ্রীবাস চন্দ্র দাসের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শ্রীবাস চন্দ্র দাসের বাবা অমৃত চন্দ্র দাস অভিযোগ করে বলেন, লালু দাসের ছেলেরা আমার পুত্র বুধুকে খারাপ ধরনের ইশারা ইঙ্গিত করে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় তাদের সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে লালু দাস বলেন, “ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমাদের পক্ষেরও দুইজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।”

তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, মারামারির ঘটনায় উভয় পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box