ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo স্বচ্ছতা ও সাশ্রয়ের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা পেলেন দুই ইউএনও Logo পঞ্চগড়ের বোদায় এসএসসি ও সমমানে মিশ্র ফল, ৪১ জিপিএ-৫ নিয়ে শীর্ষে সরকারি পাইলট মডেল স্কুল & কলেজ Logo লালমোহনে পদ্মা ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড ডক্টরস চেম্বারের উদ্বোধন Logo লালমোহনে এসএসসির ফলাফলে শীর্ষে হা-মীম Logo লালমোহনে ৩ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন Logo মাতারবাড়ি মেগা প্রকল্প পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, রোপণ করলেন গাছের চারা Logo বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রী, সমুদ্রপাড়ে জনসমুদ্র Logo তজুমদ্দিনে চাঁদাবাজি ও অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন Logo বিরামপুরে গ্রেপ্তার পঞ্চগড় পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি Logo ২৯ বছর ধরে কমিটি নেই, অব্যবস্থাপনায় ধুঁকছে দক্ষিণ আইচা বাজার

দেশে ফিরতেচাই প্রবাসী সূর্য

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৪২

তন্ময় দেবনাথ, রাজশাহী প্রতিনিধি:

অভাবের তাড়নায় পরিবারকে সুখে রাখতে জন্মভূমি ও স্বজনদের ছেড়ে ভিনদেশে পাড়ি দেয়া প্রবাসী শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছে অনেক নারী শ্রমিকও। যার একটি বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে গৃহকর্মীর কাজে নিয়োজিত।প্রবাসে থাকা নারী গৃহকর্মী নির্যাতনের কথা আমরা প্রায় শুনে আসছি মিডিয়ার মাধ্যমে। কিছু কিছু ঘটনার বিবরণ হতবাক করে দেয় সবাইকে। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার সূর্য্য খাতুনের সঙ্গে।

তিনি চকরাজাপুর ইউনিয়ন এর চর কালিদাস খালি গ্রামের মৃত শরিফুল ইসলাম এর স্ত্রী। তার বয়স প্রায় ৩৬ বছর, দুই কন্যা সন্তানের জননী তিনি। স্বামী মৃত্যু বরন করেছে তিন বছর আগে। অভাবের সংসারে এক প্রকার দিসে হারা তিনি। এমন সময় পরিচিত রফিকুল ইসলাম এর প্রলোভনে পরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে গৃহকর্মীর কাজে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন সূর্য্য খাতুন। কিন্তু সেখানে গিয়ে পরেছেন চরম বিপদে। অভাবের তাড়নায় প্রবাসে পাড়িদেন তিন মাস আগে। তবে কে জানতো, সূর্য্য খাতুন একদিন অসহায়ের মতো আকুতি করে বেড়াবেন প্রাণে বাঁচা ও দেশে ফেরার জন্য।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সূর্য্য খাতুনের মা রেবেকা খাতুন আইনি প্রতিকার চেয়ে বাঘা থামায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

জানাযায়, মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে এক সময় বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও নারী গৃহকর্মী পাঠানোর মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় দেশটির সরকার। অন্য দিকে বিদেশে নারী গৃহকর্মী দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে বেশকিছু বিধিমালা থাকলেও কিছু অসাধু ট্রাভেল এজেন্সি সরকারের দেয়া নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ভাড়াটে দালালদের মাধ্যমে নানা রকম মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে হাজার হাজার নারীকে বিদেশে পাঠায়। এর মধ্যে সব থেকে বেশি নারী শ্রমিক পাঠানো হচ্ছে সৌদি আরবে। কিন্তু এই সকল দালালেরা আর কোন খোঁজ নেই না তাদের।

সূর্য্য খাতুনের কথা অনুযায়ী, ভালো বাসা বাড়িতে কাজ, মাসে ১২০০ রিয়াল(বাংলাদেশী প্রায় ৩৩ হাজার টাকা বেতন) এর মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার চিলমারী মধ্য উদয় নগর গ্রামের আজিমুদ্দিন শেখ এর ছেলে রফিকুল শেখ ও সহিদুল শেখ ( বর্তমানে রফিকুল শেখ ও সহিদুল শেখ তাদের পূর্বের স্থান থেকে এসে বাঘা উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়ন এর তেপুকুরিয়া গ্রামে পরিবার নিয়ে বসবাস করছে) তাকে সৌদি আরবে পাঠায়। বাড়ির মালিক তাকে এয়ারপোর্ট থেকে নিয়ে যাবে, আরো অনেক লোভনীয় সব সুযোগের কথা। এরপর তিন মাস আগে সৌদি আরবে পৌছায়, এয়ারপোর্টে কেউ নিতে আসেনি। প্রায় ছয় ঘন্টা অপেক্ষার পর আমাকে একটি কোম্পানিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তার কিছু দিন পর আরেক কোম্পানি কিন্তু গত তিন মাসেও আমাকে কাজ দেয়নি। দুপুরে ভাত- সবজি, রাতে ভাত নুডলস দিয়ে মেখে খেতে দেয়। দেশে যোগাযোগ এর কোন ব্যবস্থা বা রুম থেকে বেরহতে দেয় না। প্রতিদিন রফিকুল দের ফোন দি কিন্তু সে ফোন ধরেনা, প্রথম দিকে কথা বলত কিন্তু সমস্যার কথা বললে গালিগালাজ করে ফোন কেটে দিত। এখন আর ফোন ধরে না।কোন সমাধান বা কাজের ব্যবস্থা করেনা।

রফিকুলরা ঢাকার এজেন্সি মনিশা ট্যুরস এন্ড ট্রেভেলস এর অলি মোহাম্মদ খানের মাধ্যমে আমাকে পাঠিয়েছে। সেও আমার ফোন ধরেনা এবং কোন প্রকার যোগাযোগ করেনা। এখানে আমার প্রায় বাংলাদেশী ৪০ জন নারী গ্রহবন্ধী অবস্থায় আছি।

সৌদি আরবের গ্রহবন্ধী অবস্থায় থাকা ৪০ জনের মধ্যে বেশ কয়েক জন নারীদের সঙ্গে কথা বলে জানাযায়, রফিকুল দের মতো দেশের বিভিন্ন জেলার দালালদের মাধ্যমে বিদেশে ভালো কাজ, অনেক সুযোগ সুবিধার কথা বলে এই সকল মহিলা সংগ্রহ করে অলি মোহাম্মদ খান। কিন্তু বিদেশে পাঠানোর পর আর কোন প্রকার খোঁজ খবর রাখেনা তারা। তাদের কাজ নেই, খাবার ব্যবস্থা সরবরাহের ব্যবস্থা নেই, দেশে দেনা, বাচ্চা, পরিবার এর বর্ণনা দিতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন তারা। সূর্য্য সহ তাদের শুধু একটাই আকুতি- তারা এ নরক থেকে মুক্তি চান, বাঁচতে চান। দেশে পরিবারের কাছে ফিরতে চাই।

তারা আরো বলেন, আপনাদের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম এমপি, প্রশাসন সহ সকলের সু-দৃষ্টি কামনা করছি। তাদের সহানুভূতি যদি আমাদের মতো অসহায় দের উপর পরে তাহলে আমরা পরিবারের কাছে ফিরতে পারবো বা নতুন করে জীবন শুরু করতে পারবো। এবং রফিকুল, সহিদুর ও অলির মতো দালাল দের কঠিন তম শাস্তির দাবি যানায়। এরা যেন অসহায়ত্তের সুযোগ নিয়ে আর কারো সাথে এমন করতে না পারে।

রফিকুল শেখ এ বিষয়ে বলেন, তাদের সাথে আমার যোগাযোগ আছে। কাজ না পেলেও তারা প্রতি মাসে বেতন ঠিকি পাবে। প্রথম মাসে এক হাজার রিয়াল বেতন পেয়েছে। গত মাসের টা কয়েক দিনের মধ্যেই পাবে।

অভিযোগটির তদন্ত কর্মকর্তা এস আই (নি:) মো: হারুনুর রশিদ জানান, এই বিষয় এ একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টির তদন্ত চলমান। তদন্ত সাপেক্ষে আপনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৯:৪৪ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১০ জুন ২০২৩ ১৪৩ বার পড়া হয়েছে
Logo
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

দেশে ফিরতেচাই প্রবাসী সূর্য

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:৪৪ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১০ জুন ২০২৩
২৪২

তন্ময় দেবনাথ, রাজশাহী প্রতিনিধি:

অভাবের তাড়নায় পরিবারকে সুখে রাখতে জন্মভূমি ও স্বজনদের ছেড়ে ভিনদেশে পাড়ি দেয়া প্রবাসী শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছে অনেক নারী শ্রমিকও। যার একটি বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে গৃহকর্মীর কাজে নিয়োজিত।প্রবাসে থাকা নারী গৃহকর্মী নির্যাতনের কথা আমরা প্রায় শুনে আসছি মিডিয়ার মাধ্যমে। কিছু কিছু ঘটনার বিবরণ হতবাক করে দেয় সবাইকে। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার সূর্য্য খাতুনের সঙ্গে।

তিনি চকরাজাপুর ইউনিয়ন এর চর কালিদাস খালি গ্রামের মৃত শরিফুল ইসলাম এর স্ত্রী। তার বয়স প্রায় ৩৬ বছর, দুই কন্যা সন্তানের জননী তিনি। স্বামী মৃত্যু বরন করেছে তিন বছর আগে। অভাবের সংসারে এক প্রকার দিসে হারা তিনি। এমন সময় পরিচিত রফিকুল ইসলাম এর প্রলোভনে পরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে গৃহকর্মীর কাজে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন সূর্য্য খাতুন। কিন্তু সেখানে গিয়ে পরেছেন চরম বিপদে। অভাবের তাড়নায় প্রবাসে পাড়িদেন তিন মাস আগে। তবে কে জানতো, সূর্য্য খাতুন একদিন অসহায়ের মতো আকুতি করে বেড়াবেন প্রাণে বাঁচা ও দেশে ফেরার জন্য।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সূর্য্য খাতুনের মা রেবেকা খাতুন আইনি প্রতিকার চেয়ে বাঘা থামায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

জানাযায়, মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে এক সময় বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও নারী গৃহকর্মী পাঠানোর মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় দেশটির সরকার। অন্য দিকে বিদেশে নারী গৃহকর্মী দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে বেশকিছু বিধিমালা থাকলেও কিছু অসাধু ট্রাভেল এজেন্সি সরকারের দেয়া নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ভাড়াটে দালালদের মাধ্যমে নানা রকম মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে হাজার হাজার নারীকে বিদেশে পাঠায়। এর মধ্যে সব থেকে বেশি নারী শ্রমিক পাঠানো হচ্ছে সৌদি আরবে। কিন্তু এই সকল দালালেরা আর কোন খোঁজ নেই না তাদের।

সূর্য্য খাতুনের কথা অনুযায়ী, ভালো বাসা বাড়িতে কাজ, মাসে ১২০০ রিয়াল(বাংলাদেশী প্রায় ৩৩ হাজার টাকা বেতন) এর মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার চিলমারী মধ্য উদয় নগর গ্রামের আজিমুদ্দিন শেখ এর ছেলে রফিকুল শেখ ও সহিদুল শেখ ( বর্তমানে রফিকুল শেখ ও সহিদুল শেখ তাদের পূর্বের স্থান থেকে এসে বাঘা উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়ন এর তেপুকুরিয়া গ্রামে পরিবার নিয়ে বসবাস করছে) তাকে সৌদি আরবে পাঠায়। বাড়ির মালিক তাকে এয়ারপোর্ট থেকে নিয়ে যাবে, আরো অনেক লোভনীয় সব সুযোগের কথা। এরপর তিন মাস আগে সৌদি আরবে পৌছায়, এয়ারপোর্টে কেউ নিতে আসেনি। প্রায় ছয় ঘন্টা অপেক্ষার পর আমাকে একটি কোম্পানিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তার কিছু দিন পর আরেক কোম্পানি কিন্তু গত তিন মাসেও আমাকে কাজ দেয়নি। দুপুরে ভাত- সবজি, রাতে ভাত নুডলস দিয়ে মেখে খেতে দেয়। দেশে যোগাযোগ এর কোন ব্যবস্থা বা রুম থেকে বেরহতে দেয় না। প্রতিদিন রফিকুল দের ফোন দি কিন্তু সে ফোন ধরেনা, প্রথম দিকে কথা বলত কিন্তু সমস্যার কথা বললে গালিগালাজ করে ফোন কেটে দিত। এখন আর ফোন ধরে না।কোন সমাধান বা কাজের ব্যবস্থা করেনা।

রফিকুলরা ঢাকার এজেন্সি মনিশা ট্যুরস এন্ড ট্রেভেলস এর অলি মোহাম্মদ খানের মাধ্যমে আমাকে পাঠিয়েছে। সেও আমার ফোন ধরেনা এবং কোন প্রকার যোগাযোগ করেনা। এখানে আমার প্রায় বাংলাদেশী ৪০ জন নারী গ্রহবন্ধী অবস্থায় আছি।

সৌদি আরবের গ্রহবন্ধী অবস্থায় থাকা ৪০ জনের মধ্যে বেশ কয়েক জন নারীদের সঙ্গে কথা বলে জানাযায়, রফিকুল দের মতো দেশের বিভিন্ন জেলার দালালদের মাধ্যমে বিদেশে ভালো কাজ, অনেক সুযোগ সুবিধার কথা বলে এই সকল মহিলা সংগ্রহ করে অলি মোহাম্মদ খান। কিন্তু বিদেশে পাঠানোর পর আর কোন প্রকার খোঁজ খবর রাখেনা তারা। তাদের কাজ নেই, খাবার ব্যবস্থা সরবরাহের ব্যবস্থা নেই, দেশে দেনা, বাচ্চা, পরিবার এর বর্ণনা দিতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন তারা। সূর্য্য সহ তাদের শুধু একটাই আকুতি- তারা এ নরক থেকে মুক্তি চান, বাঁচতে চান। দেশে পরিবারের কাছে ফিরতে চাই।

তারা আরো বলেন, আপনাদের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম এমপি, প্রশাসন সহ সকলের সু-দৃষ্টি কামনা করছি। তাদের সহানুভূতি যদি আমাদের মতো অসহায় দের উপর পরে তাহলে আমরা পরিবারের কাছে ফিরতে পারবো বা নতুন করে জীবন শুরু করতে পারবো। এবং রফিকুল, সহিদুর ও অলির মতো দালাল দের কঠিন তম শাস্তির দাবি যানায়। এরা যেন অসহায়ত্তের সুযোগ নিয়ে আর কারো সাথে এমন করতে না পারে।

রফিকুল শেখ এ বিষয়ে বলেন, তাদের সাথে আমার যোগাযোগ আছে। কাজ না পেলেও তারা প্রতি মাসে বেতন ঠিকি পাবে। প্রথম মাসে এক হাজার রিয়াল বেতন পেয়েছে। গত মাসের টা কয়েক দিনের মধ্যেই পাবে।

অভিযোগটির তদন্ত কর্মকর্তা এস আই (নি:) মো: হারুনুর রশিদ জানান, এই বিষয় এ একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টির তদন্ত চলমান। তদন্ত সাপেক্ষে আপনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Facebook Comments Box