নোয়াখালীতে বিচারপ্রার্থী কৃষককে মারধর ও জমি দখলের অভিযোগে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
নোয়াখালী প্রতিনিধি।
নোয়াখালীর সদর উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নে জমির বিরোধ মিটাতে দেওয়া ৫০ হাজার টাকা ও জমির দলিল চাইতে বাড়িতে গেলে এক কৃষককে মারধর ও তার জমি দখলের অভিযোগে আন্ডারচর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মো.আজাদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী।
রোববার (২০ এপ্রিল) সকালে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের পুরতন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী কৃষক একই ইউনিয়নের পশ্চিম মাইজচরা গ্রামের বাসিন্দা মো.জহির আলম। এর আগে, গত সোমবার উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। মারধর করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে গতকাল শনিবার দুপুরে ঘটনাটি জানাজানি হয়।
কৃষক জহির আলম জানান, উপজেলার মাইজচর এলাকায় তাদের পৈতৃক সম্পত্তি ২ একর ৯০ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে তারা ভোগদখলে ছিলেন। এরপর ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর আন্ডারচর ইউনিয়নের সদস্য সচিব আজাদ জমির সমস্যার সমাধান করবেন বলে আশ্বাস দিয়ে আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ও জমির কাগজ পত্র নেন। দীর্ঘ দিন পেরিয়ে গেলেও সমস্যার সমাধান করেননি। কিন্তু পরবর্তীতে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো তার নম্বর ব্লক করে দেন। সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর, গত ১৭ এপ্রিল আজাদ মোল্লার নেতৃত্বে একটি দল স্খানীয় আনন্দবাজার এলাকায় আমাকে( জহির আলমকে) ডেকে নিয়ে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে এবং ক্ষমা চাইতে বাধ্য করে।
যোগাযোগ করা হলে আন্ডারচর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মো. আজাদ অভিযোগ অস্বীকার করেন।


















