ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo সাবেক স্ত্রীর বিয়ে, ছেলেকে হত্যার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার Logo নবীনবরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের এক ঘণ্টার বেশি রোদে দাঁড় করিয়ে রাখার অভিযোগ Logo এক ট্রলারে ধরা পড়ল ৬০ মণ ইলিশ Logo সেতুর স্ল্যাবে রডের বদলে জিআই তার দিয়ে ঢালাই, উপজেলা প্রকৌশলী বদলি Logo ভোলায় জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে চ্যাম্পিয়ন লালমোহনের হা-মীম Logo সীমানা প্রাচীর নেই, ব্যস্ত সড়কেই ঝুঁকি: কুশলনাথ স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ Logo উত্তর লস্করচালা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান Logo ঘরে ঘুমিয়ে থাকা মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ধান খেতের পাশে Logo অটোরিকশায় চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চালকের মৃত্যু Logo অধ্যক্ষের ওপর হামলা মনপুরায় মাদ্রাসার সুপারসহ যুবদল-স্বেচ্ছাসেবকদলের আট নেতার বিরুদ্ধে মামলা

লালমোহনে এক বৃদ্ধার বসতঘর ভাঙচুর ও লুট

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৭২৫

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:
ভোলার লালমোহনে দিনেদুপুরে জাহানারা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার বসতঘর ভাঙচুর ও লুট পরবর্তী ভিটায় সুপারি গাছের চারা লাগিয়ে দিয়েছেন প্রতিপক্ষরা। গত শনিবার (২২জুলাই) দুপুরে উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড চর লালমোহন গ্রামের খলিল হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ওই বৃদ্ধা একই ওয়ার্ডের আবুল হাসেমের স্ত্রী। ঘর হারিয়ে বর্তমানে অসুস্থ স্বামীসহ অন্যের বাড়িতে ঠাঁই হয়েছে তাদের। বৃদ্ধা জাহানারা বেগম বলেন, গত ২২ জুলাই দুপুরে বৃদ্ধা তার বসতঘরে হামলা চালায় একই এলাকার মোঃ হোসেন মাস্টার, তার ছেলে কামরুল, মজি চৌকিদার ও একই ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ কাদেরসহ তাদের লোকজন। তাদেরকে বাঁধা দিতে গেলে আমার স্বামীসহ আমাকে আরেক হামলাকারী নুরে আলমের ঘরে নিয়ে বেঁধে রাখে। বৃদ্ধা আরও বলেন, আমাদের কে বেঁধে রেখে আমার বসতঘরের সকল মালামাল লুটে নিয়ে পুরো বসতঘরটি ভেঙে ফেলে হামলাকারীরা।এতে কয়েক লক্ষ টাকার ঘরের মালামালসহ বসতঘরটিও নিয়ে যায় তারা।
এ ঘটনায় ওইদিনই লালমোহন থানায় মামলা করি। মামলা নং২৬। মামলার পরপরই আমার বসতভিটায় সুপারি গাছের চারা লাগিয়ে দিয়েছে হামলাকারীরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বৃদ্ধার ঘরে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে মোঃ হোসেন মাস্টার বলেন, আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। এদিকে হামলার ঘটনার ভিডিওতে বৃদ্ধার স্বামীকে ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে নিতে দেখা যায় লালমোহন ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ কাদের কে। তবে এ বিষয়ে জানতে গ্রাম পুলিশ কাদেরকে জিজ্ঞাসা করলে আসতেছি বলে চলে যায় এরপর কাদেরের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তা রিসিভ করেননি তিনি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ সেলিম হোসেন বলেন, জাহানারা বেগম একটি মামলা করেছেন। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৫:০১:২৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩ ৫৩০ বার পড়া হয়েছে
Logo
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

লালমোহনে এক বৃদ্ধার বসতঘর ভাঙচুর ও লুট

আপডেট সময় : ০৫:০১:২৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩
৭২৫

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:
ভোলার লালমোহনে দিনেদুপুরে জাহানারা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার বসতঘর ভাঙচুর ও লুট পরবর্তী ভিটায় সুপারি গাছের চারা লাগিয়ে দিয়েছেন প্রতিপক্ষরা। গত শনিবার (২২জুলাই) দুপুরে উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড চর লালমোহন গ্রামের খলিল হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ওই বৃদ্ধা একই ওয়ার্ডের আবুল হাসেমের স্ত্রী। ঘর হারিয়ে বর্তমানে অসুস্থ স্বামীসহ অন্যের বাড়িতে ঠাঁই হয়েছে তাদের। বৃদ্ধা জাহানারা বেগম বলেন, গত ২২ জুলাই দুপুরে বৃদ্ধা তার বসতঘরে হামলা চালায় একই এলাকার মোঃ হোসেন মাস্টার, তার ছেলে কামরুল, মজি চৌকিদার ও একই ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ কাদেরসহ তাদের লোকজন। তাদেরকে বাঁধা দিতে গেলে আমার স্বামীসহ আমাকে আরেক হামলাকারী নুরে আলমের ঘরে নিয়ে বেঁধে রাখে। বৃদ্ধা আরও বলেন, আমাদের কে বেঁধে রেখে আমার বসতঘরের সকল মালামাল লুটে নিয়ে পুরো বসতঘরটি ভেঙে ফেলে হামলাকারীরা।এতে কয়েক লক্ষ টাকার ঘরের মালামালসহ বসতঘরটিও নিয়ে যায় তারা।
এ ঘটনায় ওইদিনই লালমোহন থানায় মামলা করি। মামলা নং২৬। মামলার পরপরই আমার বসতভিটায় সুপারি গাছের চারা লাগিয়ে দিয়েছে হামলাকারীরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বৃদ্ধার ঘরে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে মোঃ হোসেন মাস্টার বলেন, আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। এদিকে হামলার ঘটনার ভিডিওতে বৃদ্ধার স্বামীকে ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে নিতে দেখা যায় লালমোহন ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ কাদের কে। তবে এ বিষয়ে জানতে গ্রাম পুলিশ কাদেরকে জিজ্ঞাসা করলে আসতেছি বলে চলে যায় এরপর কাদেরের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তা রিসিভ করেননি তিনি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ সেলিম হোসেন বলেন, জাহানারা বেগম একটি মামলা করেছেন। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

Facebook Comments Box