ঢাকা ১১:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo কুড়িগ্রামে প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে ভুয়া কাগজপত্র ও অনিয়মের অভিযোগ Logo ১০ টাকার সিম নিতে গিয়ে তথ্যের ঝুঁকিতে শত শত গ্রাহক, পঞ্চগড়ে আটক ৩ Logo কুমারখালীতে ফসলি জমি হুমকিতে: পদ্মা নদীর কোল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন Logo প্রযুক্তিনির্ভর প্রজন্ম গড়তে Ovipray-এর নতুন উদ্যোগ, অনুষ্ঠিত Robotics ও AI কর্মশালা Logo কালিয়াকৈরে বজ্রপাতের পর নৌকা থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু Logo মনপুরায় ১ ইলিশের দাম ১৫ হাজার টাকা। Logo রূপগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে যুবদল নেতার ওপর হামলার অভিযোগ Logo পঞ্চগড়ে পরকীয়ার অভিযোগে স্বামীকে বিষ খাওয়ানোর অভিযোগ, স্ত্রী আটক Logo সাতক্ষীরায় ৫৬ বোতল কোরেক্সসহ দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) Logo হাতিয়াতে ধান খেতে কীটনাশক স্প্রের বিষাক্ত বাষ্পে শ্রেণিকক্ষে অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী

লালমোহন ধলিগৌরনগর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেকমো কোহিনুরের বেসামাল অর্থ বানিজ্য

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২১৫

আরশাদ মামুন।
লালমোহন ধলিগৌরনগর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেকমো কোহিনুর বেগমের বিরুদ্ধে সেবা প্রদানের নামে রোগীর নিকট থেকে অর্থ আদায় ও দাবীকৃত অর্থ প্রদানে ব্যর্থ হলে চরম অশোভন আচরনসহ সেবা দিতে তালবাহানাসহ বিস্তর অনিয়মের অভিযোগ মিলেছে। এমনকি ডেলিভারি প্রতি কমপক্ষে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ নিজেই স্বীকার করেন জেলা সিভিল সার্জনের নিকট। সরকারি চাকুরী বিধিমালা কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রোগীর নিকট থেকে অর্থ আদায়ের দায় স্বীকার করলেও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএস কর্তৃক কেবল মাত্র কারন দর্শানোর নোটিশ দিয়েই জেনো দায়সারা কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগ, নোটিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ধলিগৌরনগর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বে থাকা সেকমো কোহিনুর বেগম এখানে যোগদানের পর থেকেই অনিয়মকে নিয়মে পরিনতে সিদ্ধ হস্ত। তার দাবীকৃত অর্থ না দিলে কোন প্রকার সেবা পাওয়া দু:সপ্নের ন্যায় ধরা দেয় রোগীদের নিকট। ঘুষ বানিজ্য বেপরোয়া সেকমো কোহিনুর প্রতি ডেলিভারিতে কমপক্ষে ৫/৬ হাজার টাকা আদায় করেন। সরকারি চাকুরী বিধিমালা ভঙ্গ করে এমন অর্থ আদায়ের কথা জেলা সিভিল সার্জনের নিকট স্বীকার করেন অকপটে। যার প্রেক্ষিতে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে গত ১৩ ফেব্রুয়ারী নাম মাত্র একটি কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। এরপর কার্যত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে সূত্র জানায়। নোটিশ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে সেকমো কোহিনুর বলেন, আমি যা করেছ উর্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশেই করেছি বলে আর কোন কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এদিকে সেকমো কোহিনুর বেগমের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগের পরও কোন প্রকার ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভুক্তভোগীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১১:০২:৩০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৫ মার্চ ২০২৩ ১৩১ বার পড়া হয়েছে
Logo
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

লালমোহন ধলিগৌরনগর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেকমো কোহিনুরের বেসামাল অর্থ বানিজ্য

আপডেট সময় : ১১:০২:৩০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৫ মার্চ ২০২৩
২১৫

আরশাদ মামুন।
লালমোহন ধলিগৌরনগর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেকমো কোহিনুর বেগমের বিরুদ্ধে সেবা প্রদানের নামে রোগীর নিকট থেকে অর্থ আদায় ও দাবীকৃত অর্থ প্রদানে ব্যর্থ হলে চরম অশোভন আচরনসহ সেবা দিতে তালবাহানাসহ বিস্তর অনিয়মের অভিযোগ মিলেছে। এমনকি ডেলিভারি প্রতি কমপক্ষে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ নিজেই স্বীকার করেন জেলা সিভিল সার্জনের নিকট। সরকারি চাকুরী বিধিমালা কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রোগীর নিকট থেকে অর্থ আদায়ের দায় স্বীকার করলেও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএস কর্তৃক কেবল মাত্র কারন দর্শানোর নোটিশ দিয়েই জেনো দায়সারা কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগ, নোটিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ধলিগৌরনগর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বে থাকা সেকমো কোহিনুর বেগম এখানে যোগদানের পর থেকেই অনিয়মকে নিয়মে পরিনতে সিদ্ধ হস্ত। তার দাবীকৃত অর্থ না দিলে কোন প্রকার সেবা পাওয়া দু:সপ্নের ন্যায় ধরা দেয় রোগীদের নিকট। ঘুষ বানিজ্য বেপরোয়া সেকমো কোহিনুর প্রতি ডেলিভারিতে কমপক্ষে ৫/৬ হাজার টাকা আদায় করেন। সরকারি চাকুরী বিধিমালা ভঙ্গ করে এমন অর্থ আদায়ের কথা জেলা সিভিল সার্জনের নিকট স্বীকার করেন অকপটে। যার প্রেক্ষিতে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে গত ১৩ ফেব্রুয়ারী নাম মাত্র একটি কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। এরপর কার্যত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে সূত্র জানায়। নোটিশ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে সেকমো কোহিনুর বলেন, আমি যা করেছ উর্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশেই করেছি বলে আর কোন কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এদিকে সেকমো কোহিনুর বেগমের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগের পরও কোন প্রকার ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভুক্তভোগীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

Facebook Comments Box