ঢাকা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালক সংকটে বন্ধ অ্যাম্বুলেন্স সেবা, চরম ভোগান্তিতে রোগীরা। Logo ফুলবাড়ীতে ৭২টি পূজামণ্ডপে সরকারি বরাদ্দ প্রদান Logo কালিয়াকৈরে আবাসিক হোটেলে অভিযান, নারীসহ গ্রেপ্তার ৩৯ Logo ফুলবাড়ী উপজেলায় বিএনপি’র আহবায়ক কমিটি গঠন হাসু আহবায়ক, আব্দুল মান্নান মুকুল সদস্য সচিব Logo বোরহানউদ্দিনে আলোর দিশারী সংস্থার উদ্যোগে সবজি চাষে আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা Logo রূপগঞ্জে পল্লী চিকিৎসক সমিতির উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত Logo নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৪৫ Logo জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষ্যে উজিরপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo তুরাগের ভাঙনে নিঃস্ব শত শত পরিবার, ঝুঁকিতে বসতভিটা Logo উজিরপুরে বসতভিটা দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, এলাকা ছাড়লেন বিধবা নারী

সাতক্ষীরায় ৫৬ বোতল কোরেক্সসহ দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৫৭

সাতক্ষীরায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৫৬ বোতল কোরেক্স সিরাপসহ দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সাতক্ষীরা বাইপাস সড়ক এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার বিবরণ ও গ্রেপ্তারদের পরিচয়
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে ডিবির একটি দল বাইপাস এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করে। পরে তাদের সাথে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে ৫৬ বোতল ভারতীয় কোরেক্স সিরাপ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন:
মোস্তাইন বিল্লাহ: কনস্টেবল, সাতক্ষীরা পুলিশের বিশেষ শাখা (এসএফ)। তিনি পূর্বে জেলা গোয়েন্দা পুলিশেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
নাজমুল ইসলাম: কনস্টেবল, ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কম্পিউটার অপারেটর।
মাদক কারবারে সম্পৃক্ততার অভিযোগ
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত দুই সদস্য দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরা শহরের সার্কিট হাউস মোড় এলাকায় মাদক কেনাবেচা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সম্প্রতি একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উঠে আসে যে, কনস্টেবল মোস্তাইন বিল্লাহ চিহ্নিত মাদক কারবারিদের কাছ থেকে ইয়াবা, কোরেক্স ও গাজা সংগ্রহ করে স্থানীয় একটি চা ও ক্যারাম খেলার দোকানে বসে বিক্রি করতেন। উক্ত ব্যবসায় স্থানটির দোকান মালিকও সহায়তা করতেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
আইনি ব্যবস্থা
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে, অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য হলেও তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে তাদের পদমর্যাদা বিবেচনায় নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৭:০৭:৪৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১৯ বার পড়া হয়েছে
Logo
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

সাতক্ষীরায় ৫৬ বোতল কোরেক্সসহ দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)

আপডেট সময় : ০৭:০৭:৪৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৫৭

সাতক্ষীরায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৫৬ বোতল কোরেক্স সিরাপসহ দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সাতক্ষীরা বাইপাস সড়ক এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার বিবরণ ও গ্রেপ্তারদের পরিচয়
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে ডিবির একটি দল বাইপাস এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করে। পরে তাদের সাথে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে ৫৬ বোতল ভারতীয় কোরেক্স সিরাপ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন:
মোস্তাইন বিল্লাহ: কনস্টেবল, সাতক্ষীরা পুলিশের বিশেষ শাখা (এসএফ)। তিনি পূর্বে জেলা গোয়েন্দা পুলিশেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
নাজমুল ইসলাম: কনস্টেবল, ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কম্পিউটার অপারেটর।
মাদক কারবারে সম্পৃক্ততার অভিযোগ
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত দুই সদস্য দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরা শহরের সার্কিট হাউস মোড় এলাকায় মাদক কেনাবেচা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সম্প্রতি একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উঠে আসে যে, কনস্টেবল মোস্তাইন বিল্লাহ চিহ্নিত মাদক কারবারিদের কাছ থেকে ইয়াবা, কোরেক্স ও গাজা সংগ্রহ করে স্থানীয় একটি চা ও ক্যারাম খেলার দোকানে বসে বিক্রি করতেন। উক্ত ব্যবসায় স্থানটির দোকান মালিকও সহায়তা করতেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
আইনি ব্যবস্থা
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে, অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য হলেও তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে তাদের পদমর্যাদা বিবেচনায় নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

Facebook Comments Box