ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo ঝাড়ফুঁকের কথা বলে শিশুকে ধর্ষণ, জামায়াতের সাবেক নেতা গ্রেপ্তার Logo আ.লীগ নেতার বাড়িতে ভূরিভোজ, ওসি প্রত্যাহার Logo ভোলার ধনিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলাল হোসেনের নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo মনপুরায় মসজিদের ভিতর এক শিক্ষককে মারধর ও রক্তাক্ত করার অভিযোগ শিক্ষক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয়দের নিন্দা Logo ভূরুঙ্গামারীতে প্রতিবন্ধী স্কুল নিয়ে নানা অভিযোগ Logo দৌলতখানে স্কুল কমিটির সভাপতি হতে না পেরে শিক্ষককে মারধর, থানায় লিখিত অভিযোগ Logo পাওনা টাকা চাওয়ায় দোকানে হামলা-ভাঙচুর, ব্যবসায়ী গুরুতর আহত Logo চেয়ারম্যান হলে গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’, যুবদল নেতার নামে পোস্টারিং Logo নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট, থানায় জিডি Logo নোয়াখালী জেলা যুবলীগের সভাপতি ইমন ভট্র গ্রেপ্তার

অবশেষে আ.লীগ কার্যালয় উচ্ছেদ

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৫০৭

অবশেষে আদালতের আদেশে প্রায় তিন বছর পর খুলনা জেলা পরিষদের মালিকানাধীন পাইকগাছা মধুমিতা পার্কের জায়গায় স্থাপিত আওয়ামী লীগ কার্যালয় উচ্ছেদ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে কার্যালয়টি উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্ছেদ কাজ পরিচালনা করেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে রাব্বী।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৮০ সালে মধুমিতা পার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৪ সালে একশ্রেণির লোক পার্কের জায়গা দখল করে পাকা স্থাপনা করে। এর প্রতিবাদে গঠিত হয় মধুমিতা পার্ক সংরক্ষণ কমিটি। হয় ব্যাপক আন্দোলন ও সংগ্রাম।

অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে সহকারী জজ আদালত পাইকগাছায় করা হয় মামলা। আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। এ আদেশ অমান্য করে দোকানঘর নির্মাণ ও ব্যবসা বাণিজ্য অব্যাহত রাখলে সংরক্ষণ কমিটি ২০০৫ সালে হাইকোর্টে ৩৫৯০/০৫ রিট পিটিশন করেন। হাইকোর্ট মামলাটির শুনানি অন্তে ২০০৫ সালের ২৪ মে মধুমিতা পার্কের অভ্যন্তরে অবৈধ নির্মাণ কাজ বন্ধ করার আদেশ দেন। এরপরও অব্যাহত থাকে সব কর্মকাণ্ড।

অব্যাহত থাকায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে ১০২/২২ কনটেন্ট পিটিশন করা হলে ১৩ মার্চ ২৩ হাইকোর্ট মামলার বিবাদীদের ২০ দিনের মধ্যে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে পার্কটিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের আদেশে ২০ মে ২০২৩ তারিখ খুলনা জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আল-আমিন উচ্ছেদ অভিযান চালায়। উচ্ছেদ করেন ৩০টি পাকা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। কিন্তু ওই সময় উচ্ছেদ করা হয়নি উপজেলা আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়।

এরপর দীর্ঘ ২ বছর ৮ মাস চলে গেলেও আওয়ামী লীগের তিনতলা বিশিষ্ট কার্যালয়টি উচ্ছেদ করা হয়নি দলটি ক্ষমতায় থাকায়। ওই বছর সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে জেলা পরিষদকে লিখিতভাবে জানানো হয়। জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অনুরোধ করেন; কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি। এরপর মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের তিনতলা বিশিষ্ট কার্যালয়টি উচ্ছেদ করা হয়।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:৪৩ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ৪০৭ বার পড়া হয়েছে
Logo
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

অবশেষে আ.লীগ কার্যালয় উচ্ছেদ

আপডেট সময় : ০৮:১৫:৪৩ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
৫০৭

অবশেষে আদালতের আদেশে প্রায় তিন বছর পর খুলনা জেলা পরিষদের মালিকানাধীন পাইকগাছা মধুমিতা পার্কের জায়গায় স্থাপিত আওয়ামী লীগ কার্যালয় উচ্ছেদ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে কার্যালয়টি উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্ছেদ কাজ পরিচালনা করেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে রাব্বী।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৮০ সালে মধুমিতা পার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৪ সালে একশ্রেণির লোক পার্কের জায়গা দখল করে পাকা স্থাপনা করে। এর প্রতিবাদে গঠিত হয় মধুমিতা পার্ক সংরক্ষণ কমিটি। হয় ব্যাপক আন্দোলন ও সংগ্রাম।

অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে সহকারী জজ আদালত পাইকগাছায় করা হয় মামলা। আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। এ আদেশ অমান্য করে দোকানঘর নির্মাণ ও ব্যবসা বাণিজ্য অব্যাহত রাখলে সংরক্ষণ কমিটি ২০০৫ সালে হাইকোর্টে ৩৫৯০/০৫ রিট পিটিশন করেন। হাইকোর্ট মামলাটির শুনানি অন্তে ২০০৫ সালের ২৪ মে মধুমিতা পার্কের অভ্যন্তরে অবৈধ নির্মাণ কাজ বন্ধ করার আদেশ দেন। এরপরও অব্যাহত থাকে সব কর্মকাণ্ড।

অব্যাহত থাকায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে ১০২/২২ কনটেন্ট পিটিশন করা হলে ১৩ মার্চ ২৩ হাইকোর্ট মামলার বিবাদীদের ২০ দিনের মধ্যে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে পার্কটিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের আদেশে ২০ মে ২০২৩ তারিখ খুলনা জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আল-আমিন উচ্ছেদ অভিযান চালায়। উচ্ছেদ করেন ৩০টি পাকা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। কিন্তু ওই সময় উচ্ছেদ করা হয়নি উপজেলা আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়।

এরপর দীর্ঘ ২ বছর ৮ মাস চলে গেলেও আওয়ামী লীগের তিনতলা বিশিষ্ট কার্যালয়টি উচ্ছেদ করা হয়নি দলটি ক্ষমতায় থাকায়। ওই বছর সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে জেলা পরিষদকে লিখিতভাবে জানানো হয়। জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অনুরোধ করেন; কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি। এরপর মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের তিনতলা বিশিষ্ট কার্যালয়টি উচ্ছেদ করা হয়।

Facebook Comments Box