গোপালপুরে বেড়েছে ফিল্টার নেটের চাহিদা
মো. নুর আলম গোপালপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি।
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ফিল্টার নেট এর চাহিদা বেড়ে গেছে, কৃষকদের স্বপ্ন ধান কাটার সাথে সাথেই ধান শুকানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকে কৃষকরা, দিন পরিবর্তনের সাথে সাথে আধুনিক পদ্ধতিতে ধান শুকানো পদ্ধতি বেরিয়ে আসছে।
তাই কৃষকরা ফিল্টার নেট দিয়ে ধান শুকানোর কাজে ব্যবহারে করে থাকে, তাতেই এর চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। এই ফিল্টার নেট ভিন্ন ভিন্ন কাজে লাগলেও ধানের কাটার সময় এর চাহিদা দ্বিগুণ হয়ে যায়।
আলমনগর গ্রামের কৃষক মো. আজহার বলেন আগে আমরা চড়ায় মাঠে ধান শুকাতাম, এখন ফিল্টার নেট ব্যবহার করে ধান শুকানো হয়, এ নেট ব্যবহার করে ধান শুখালে ধানে কোন প্রকার ময়লা থাকে না। ধানের দামও বেশি পাওয়া যায়।
ফিল্টার নেট ব্যবসায়ী মো. শাহিন হোসেন এর সাথে কথা বলে জানা যায় ধান কাটার সময় নেটের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়, সাথে সাথে দাম ও বান্ডিলে প্রতি ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেড়ে যায়, তবে ধান কাটার মৌসুমে নেটের চাহিদা অনেক বেশি।
দর্জি সাইদুর রহমান ৪০ বছর ধরে মশারি ধান শুকানোর ত্রিপাল ও নেটের চট্টি সেলাই করে আসছি। এ দিয়ে আমার সংসার চলে , তবে ধানের সময় এলে আমাদের দম দম ফালানোর সময় থাকে না, প্রতিদিন ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা ইনকাম করে থাকে, অন্যান্য সময় তুলনায় অনেক কম হয়ে থাকে।
ফিল্টার নোট নেট দিয়ে চট্টি বানানো এক দর্জি শাকিল মন্ডল বলেন ১৪/ ১৫ ১৫ বছর ধরে দর্জি কাজ করে আসছি, ধানের মৌসুম আসলে প্রতিদিনের ২০ থেকে ২৫ টি চোরটি সেলাই করা যায়, তাতে মজুরি আসে ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা। তবে বর্তমানে এই বাড়তি আয় দিয়ে আমাদের সংসারের বাড়তি কাজ করতে পারি আমরা।

















