ঢাকা ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট, থানায় জিডি Logo নোয়াখালী জেলা যুবলীগের সভাপতি ইমন ভট্র গ্রেপ্তার Logo লালমোহন হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ Logo হেলপার চালাচ্ছিল বাস, খাদে পড়ে আহত ১০ Logo বাঘাইছড়িতে ৪২ পরিবারের জন্য সৌরশক্তি চালিত নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প উদ্বোধন Logo সৎ সাহস থাকলে পালিয়ে নয়, আদালতে আসুন: ডা. জাহিদ Logo সাইবার বুলিং ঠেকাতে কার্যকর নীতি চায় আইআরআই, আইন সংশোধনে মতামত নিচ্ছে সরকার Logo মনপুরায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি ও সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত Logo “মনপুরায় দ্রুত জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ও কলাতলীতে বেড়ীবাঁধ নির্মানের আশ্বাস -কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক ও এমপি নয়ন Logo কুড়িগ্রামে প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে ভুয়া কাগজপত্র ও অনিয়মের অভিযোগ

বাদীর অভিযোগ নেই নাম নেই মামলায় তবুও ছাত্রদল নেতা সজিব বহিষ্কৃত!

তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি :
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৭০

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় আলোচিত ধর্ষণ মামলায় নাম না থাকলেও ছাত্রদল নেতা মো. জয়নাল আবেদিন সজিবকে বহিষ্কার করায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তজুমদ্দিন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সজিবকে ‘বিনা দোষে’ বহিষ্কারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন মামলার বাদীসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
ধর্ষণের শিকার নারী ও তার স্বামী মো. রুবেল লিখিতভাবে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর আবেদন করে বলেন,
“মো. জয়নাল আবেদিন সজিব এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। এজাহারে তার নাম নেই, এমনকি ঘটনাস্থলেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না। তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জড়ানো হয়েছে।”
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলার ২নং সাক্ষী জামাল মাঝি জানান,“ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনাস্থলে সজিব উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি এই ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”
এ প্রসঙ্গে তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা মিন্টু বলেন,
“আমরা ধর্ষণের ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের বহিষ্কার করেছি, মানববন্ধন করেছি, বিচার দাবি করেছি। ঘটনাস্থলে গিয়ে বাদীসহ প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেছি। সবাই জানিয়েছেন সজিব নির্দোষ। একজন নিরপরাধ ছাত্রনেতা দোষী না হয়েও বহিষ্কৃত হয়েছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।” তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহব্বত খান জানান, “ঘটনার তদন্ত চলছে। এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মামলার এজাহারে সজিবের নাম নেই এবং বাদী তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি।”
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মশিউর রহমান মামুন বলেন, তজুমদ্দিনের ঘটনায় সজিবসহ দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে মামলার বাদী রুবেল মিয়া ও ভুক্তভোগী নারী সরাসরি কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে সজিবের নির্দোষ হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিচ্ছি, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত শিগগিরই নেওয়া হতে পারে।”
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ঘটনাটি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে নির্দোষ প্রমাণিত হলে সজিবের বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করা উচিত। অন্যথায় এটি একজন শিক্ষার্থী ও সংগঠনের জন্য বড় অবিচার হয়ে থাকবে।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৮:২৫ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫ ২৫২ বার পড়া হয়েছে
Logo
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

বাদীর অভিযোগ নেই নাম নেই মামলায় তবুও ছাত্রদল নেতা সজিব বহিষ্কৃত!

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:২৫ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
২৭০

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় আলোচিত ধর্ষণ মামলায় নাম না থাকলেও ছাত্রদল নেতা মো. জয়নাল আবেদিন সজিবকে বহিষ্কার করায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তজুমদ্দিন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সজিবকে ‘বিনা দোষে’ বহিষ্কারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন মামলার বাদীসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
ধর্ষণের শিকার নারী ও তার স্বামী মো. রুবেল লিখিতভাবে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর আবেদন করে বলেন,
“মো. জয়নাল আবেদিন সজিব এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। এজাহারে তার নাম নেই, এমনকি ঘটনাস্থলেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না। তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জড়ানো হয়েছে।”
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলার ২নং সাক্ষী জামাল মাঝি জানান,“ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনাস্থলে সজিব উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি এই ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”
এ প্রসঙ্গে তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা মিন্টু বলেন,
“আমরা ধর্ষণের ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের বহিষ্কার করেছি, মানববন্ধন করেছি, বিচার দাবি করেছি। ঘটনাস্থলে গিয়ে বাদীসহ প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেছি। সবাই জানিয়েছেন সজিব নির্দোষ। একজন নিরপরাধ ছাত্রনেতা দোষী না হয়েও বহিষ্কৃত হয়েছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।” তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহব্বত খান জানান, “ঘটনার তদন্ত চলছে। এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মামলার এজাহারে সজিবের নাম নেই এবং বাদী তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি।”
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মশিউর রহমান মামুন বলেন, তজুমদ্দিনের ঘটনায় সজিবসহ দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে মামলার বাদী রুবেল মিয়া ও ভুক্তভোগী নারী সরাসরি কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে সজিবের নির্দোষ হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিচ্ছি, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত শিগগিরই নেওয়া হতে পারে।”
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ঘটনাটি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে নির্দোষ প্রমাণিত হলে সজিবের বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করা উচিত। অন্যথায় এটি একজন শিক্ষার্থী ও সংগঠনের জন্য বড় অবিচার হয়ে থাকবে।

Facebook Comments Box