ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo পাওনা টাকা চাওয়ায় দোকানে হামলা-ভাঙচুর, ব্যবসায়ী গুরুতর আহত Logo চেয়ারম্যান হলে গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’, যুবদল নেতার নামে পোস্টারিং Logo নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট, থানায় জিডি Logo নোয়াখালী জেলা যুবলীগের সভাপতি ইমন ভট্র গ্রেপ্তার Logo লালমোহন হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ Logo হেলপার চালাচ্ছিল বাস, খাদে পড়ে আহত ১০ Logo বাঘাইছড়িতে ৪২ পরিবারের জন্য সৌরশক্তি চালিত নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প উদ্বোধন Logo সৎ সাহস থাকলে পালিয়ে নয়, আদালতে আসুন: ডা. জাহিদ Logo সাইবার বুলিং ঠেকাতে কার্যকর নীতি চায় আইআরআই, আইন সংশোধনে মতামত নিচ্ছে সরকার Logo মনপুরায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি ও সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত

ভারতে পাচারের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও টিএফআই সেল এ রাখা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৩৬

ভারতে পাচারের আগে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকেও টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই সেল) রাখা হয়েছিল। সেটা তদন্তে বেরিয়ে এসেছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

শনিবার সকালে র‍্যাবের গোপন বন্দিশালা টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, নির্মম নির্যাতনের সেল সরাসরি দেখাতে বিচারপতিদের আনা হয়েছে। এটি মেমোরেন্ডাম আদালতের বিচারের একটি অংশ হবে। আর যারা আয়নাঘরকে আড়াল করার জন্য আলামত নষ্ট করেছেন, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীদের দাবি, টিএফআই সেল বলতে কিছু নেই, র‍্যাব এসবের সঙ্গে জড়িত নয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার পর রাজধানীর উত্তরায় র‍্যাব-১ এর কার্যালয়ে পৌঁছান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর তিন বিচারপতি, প্রসিকিউশন টিম এবং টিএফআই সেলের গুমের মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এসময় তারা র‍্যাবের টিএফআই সেল পরিদর্শন করেন।

টিএফআই সেলের গুমের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় মোট আসামি ১৭ জন। তাদের মধ্যে ১০ জন অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তা গ্রেফতার রয়েছে। তারা তখন র‍্যাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বলে জানা গেছে।

মামলার আসামি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, এম খুরশীদ হোসেন, হারুন অর রশিদ এবং অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম পলাতক।

এর আগে, ২১ জুলাই চিফ প্রসিকিউটরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ টিএফআই সেল পরিদর্শনের আবেদন মঞ্জুর করেন।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
  • আপডেট সময় : ০১:৪৩:০০ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬ ৮৯ বার পড়া হয়েছে
Logo
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

ভারতে পাচারের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও টিএফআই সেল এ রাখা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ০১:৪৩:০০ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬
১৩৬

ভারতে পাচারের আগে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকেও টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই সেল) রাখা হয়েছিল। সেটা তদন্তে বেরিয়ে এসেছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

শনিবার সকালে র‍্যাবের গোপন বন্দিশালা টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, নির্মম নির্যাতনের সেল সরাসরি দেখাতে বিচারপতিদের আনা হয়েছে। এটি মেমোরেন্ডাম আদালতের বিচারের একটি অংশ হবে। আর যারা আয়নাঘরকে আড়াল করার জন্য আলামত নষ্ট করেছেন, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীদের দাবি, টিএফআই সেল বলতে কিছু নেই, র‍্যাব এসবের সঙ্গে জড়িত নয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার পর রাজধানীর উত্তরায় র‍্যাব-১ এর কার্যালয়ে পৌঁছান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর তিন বিচারপতি, প্রসিকিউশন টিম এবং টিএফআই সেলের গুমের মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এসময় তারা র‍্যাবের টিএফআই সেল পরিদর্শন করেন।

টিএফআই সেলের গুমের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় মোট আসামি ১৭ জন। তাদের মধ্যে ১০ জন অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তা গ্রেফতার রয়েছে। তারা তখন র‍্যাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বলে জানা গেছে।

মামলার আসামি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, এম খুরশীদ হোসেন, হারুন অর রশিদ এবং অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম পলাতক।

এর আগে, ২১ জুলাই চিফ প্রসিকিউটরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ টিএফআই সেল পরিদর্শনের আবেদন মঞ্জুর করেন।

Facebook Comments Box