ঢাকা ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo লালমোহনে অবৈধ সিগারেট ও রোলিং পেপার জব্দ, গোডাউন মালিকদের নিয়ে প্রশ্ন Logo স্বামীর ধারালো অস্রের আঘাতে মাথায় গুরুতর জখম, হাসপাতালে স্ত্রী Logo রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মীকে আটকে রেখে মারধর, নগদ টাকা ও মালামাল ছিনতাই Logo মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপদেষ্টা: সরকারের আকার বাড়লেই কি বাড়ে সক্ষমতা? Logo নিউইয়র্কে নোয়াখালীর যুবককে গুলি করে হত্যা Logo ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯ Logo সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo তজুমদ্দিনে ৪১টি চান্দিনা ভিটা বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন। Logo তেঁতুলিয়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo ইসকনের নামে অনুদান, জমির মালিকানা নিয়ে নতুন বিতর্ক অর্থ ও জমি জালিয়াতির অভিযোগ

মেঘনায় মৎস্য অফিসের অভিযানে আটককৃত মালামাল গোপনে বিক্রি করার অভিযোগ।

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৩৮

স্টাফ রিপোর্টার।। ভোলার লালমোহনের মেঘনায় মৎস্য অফিসের অভিযানে আটককৃত জালের সাথে থাকা বটেরকাছি ও ২৪টি নোঙ্গর নিলাম না দিয়ে গোগনে বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সুত্র জানায়, শনিবার বেলা ৩টার দিকে লালমোহন মৎস্য অফিসের মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা মোঃ তানবীর এর নেতৃত্বে উপজেলার কামারখাল এলাকার মেঘনা নদী থেকে দুইটি ধরা নৌকার জাল নোঙ্গর আটক করা হয়। পরে মৎস্য অফিসের মাঝি শাহিন তজুমদ্দিন স্লুইজঘাটে এনে রাতে গোপনে ভুক্তভোগী মালিক মাঝীদের কাছে নোঙ্গর ও জালবট ৪৩ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন।
ক্রয়কারী কাশেম ও ইউসুফ জানান, অফিসার তানবির ও মাঝী শাহিনের কাছ থেকে দুইটি নৌকার ২৪টি নোঙ্গর ২৪ হাজার টাকা এবং ১৯ হাজার টাকায় কাছি কিনে নেয়া হয়েছে।
মৎস্য অফিসের নৌকার মাঝি শাহিনের কাছে জানতে চাইলে বলেন, স্যারেরা যেভাবে নির্দেশ দেন, আমরা সেভাবে কাজ করি।
অভিযানে অংশগ্রহণকারী বাত্তিরখাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল জানান, অভিযান শেষ করে আমরা চলে আসি, জব্দকৃত মালামাল মৎস্য অফিসারের হেফাজতে থাকে।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী উপজেলা মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা মোঃ তানবীর এর কাছে জানতে চাইলে বলেন, জব্দকৃত জাল বাসনভাঙ্গা চরে পোড়ানো হয়েছে,নোঙ্গর হেফাজতে আছে। জনসম্মুখে না পুড়িয়ে তজুমদ্দিনের চরে পোড়ানোর কারন ও মাঝী শাহিনের মাধ্যমে নোঙ্গর-বট বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে ফোন কেটে দেন। বার বার ফোন দিলে আর রিসিভ করেননি।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ রুহুল কুদ্দুস এর কাছে মোবাইলে জানতে চাইলে অভিযানের তথ্য তার কাছে নেই বলে জানিয়ে অফিসে এসে তথ্য নিতে হবে বলে ফোন কেটে দেন।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদউল্লাহর কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে, কোন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ প্রমানিত হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:২৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৩৫ বার পড়া হয়েছে
Logo
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

মেঘনায় মৎস্য অফিসের অভিযানে আটককৃত মালামাল গোপনে বিক্রি করার অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:২৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
২৩৮

স্টাফ রিপোর্টার।। ভোলার লালমোহনের মেঘনায় মৎস্য অফিসের অভিযানে আটককৃত জালের সাথে থাকা বটেরকাছি ও ২৪টি নোঙ্গর নিলাম না দিয়ে গোগনে বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সুত্র জানায়, শনিবার বেলা ৩টার দিকে লালমোহন মৎস্য অফিসের মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা মোঃ তানবীর এর নেতৃত্বে উপজেলার কামারখাল এলাকার মেঘনা নদী থেকে দুইটি ধরা নৌকার জাল নোঙ্গর আটক করা হয়। পরে মৎস্য অফিসের মাঝি শাহিন তজুমদ্দিন স্লুইজঘাটে এনে রাতে গোপনে ভুক্তভোগী মালিক মাঝীদের কাছে নোঙ্গর ও জালবট ৪৩ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন।
ক্রয়কারী কাশেম ও ইউসুফ জানান, অফিসার তানবির ও মাঝী শাহিনের কাছ থেকে দুইটি নৌকার ২৪টি নোঙ্গর ২৪ হাজার টাকা এবং ১৯ হাজার টাকায় কাছি কিনে নেয়া হয়েছে।
মৎস্য অফিসের নৌকার মাঝি শাহিনের কাছে জানতে চাইলে বলেন, স্যারেরা যেভাবে নির্দেশ দেন, আমরা সেভাবে কাজ করি।
অভিযানে অংশগ্রহণকারী বাত্তিরখাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল জানান, অভিযান শেষ করে আমরা চলে আসি, জব্দকৃত মালামাল মৎস্য অফিসারের হেফাজতে থাকে।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী উপজেলা মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা মোঃ তানবীর এর কাছে জানতে চাইলে বলেন, জব্দকৃত জাল বাসনভাঙ্গা চরে পোড়ানো হয়েছে,নোঙ্গর হেফাজতে আছে। জনসম্মুখে না পুড়িয়ে তজুমদ্দিনের চরে পোড়ানোর কারন ও মাঝী শাহিনের মাধ্যমে নোঙ্গর-বট বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে ফোন কেটে দেন। বার বার ফোন দিলে আর রিসিভ করেননি।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ রুহুল কুদ্দুস এর কাছে মোবাইলে জানতে চাইলে অভিযানের তথ্য তার কাছে নেই বলে জানিয়ে অফিসে এসে তথ্য নিতে হবে বলে ফোন কেটে দেন।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদউল্লাহর কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে, কোন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ প্রমানিত হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments Box