ঢাকা ১১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল বোটসহ ১৬ জেলেকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী Logo বরিশাল-ভোলা সংযোগ: উন্নয়নের প্রত্যাশা নাকি অগ্রাধিকারের সংকট? Logo মনপুরায় জেলের জালে ১৬ কেজির কোড়াল, নিলামে বিক্রি ২৪ হাজার টাকায় Logo লালমোহনে অবৈধ সিগারেট ও রোলিং পেপার জব্দ, গোডাউন মালিকদের নিয়ে প্রশ্ন Logo স্বামীর ধারালো অস্রের আঘাতে মাথায় গুরুতর জখম, হাসপাতালে স্ত্রী Logo রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মীকে আটকে রেখে মারধর, নগদ টাকা ও মালামাল ছিনতাই Logo মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপদেষ্টা: সরকারের আকার বাড়লেই কি বাড়ে সক্ষমতা? Logo নিউইয়র্কে নোয়াখালীর যুবককে গুলি করে হত্যা Logo ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯ Logo সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রায়পুরে সেফটিক ট্যাংকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি আসামি পক্ষের

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৮৭৫

রায়পুর উপজেলা–এ দেড় বছর বয়সী শিশু কানিজ ফাতেমার মরদেহ একটি সেফটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি পক্ষ নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

জানা যায়, গত ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে রায়পুর উপজেলার চরমোহনা গ্রামের প্রবাসী কাঞ্চন হোসেন ও জান্নাতুল ফেরদৌস মেরিন দম্পতির দেড় বছর বয়সী কন্যা কানিজ ফাতেমা নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পর শিশুটির দাদি কোহিনুর বেগম অভিযোগ করেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তার ভাসুর তোফায়েল আহমেদের স্ত্রী ফিরোজা বেগমসহ পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে অপহরণ করে লুকিয়ে রেখেছে।

এ ঘটনায় রায়পুর থানায় মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ অভিযুক্ত তোফায়েল আহমেদ, তার স্ত্রী ফিরোজা বেগম এবং পুত্রবধূ নিশু আক্তারকে গ্রেপ্তার করে।

নিখোঁজের পর পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি চালান। ঘটনাস্থলের সেফটিক ট্যাংকেও কয়েকবার তল্লাশি করা হলেও তখন কিছু পাওয়া যায়নি। তবে দুই দিন পর, ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় শিশুটির দাদি কোহিনুর বেগম একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ডেকে ওই সেফটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

শিশুটির পরিবারের দাবি, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তোফায়েল আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে হত্যা করেছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আসামি পক্ষ বলছে, ঘটনাটি রহস্যজনক এবং তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মামলা করা হয়েছে। তারা ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্তদের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত দুই নারী আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেয়। অন্যদিকে তোফায়েল আহমেদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হলেও অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে এবং ইতোমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৩:০১:৪৯ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬ ৫২১ বার পড়া হয়েছে
Logo
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

রায়পুরে সেফটিক ট্যাংকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি আসামি পক্ষের

আপডেট সময় : ০৩:০১:৪৯ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
৮৭৫

রায়পুর উপজেলা–এ দেড় বছর বয়সী শিশু কানিজ ফাতেমার মরদেহ একটি সেফটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি পক্ষ নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

জানা যায়, গত ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে রায়পুর উপজেলার চরমোহনা গ্রামের প্রবাসী কাঞ্চন হোসেন ও জান্নাতুল ফেরদৌস মেরিন দম্পতির দেড় বছর বয়সী কন্যা কানিজ ফাতেমা নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পর শিশুটির দাদি কোহিনুর বেগম অভিযোগ করেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তার ভাসুর তোফায়েল আহমেদের স্ত্রী ফিরোজা বেগমসহ পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে অপহরণ করে লুকিয়ে রেখেছে।

এ ঘটনায় রায়পুর থানায় মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ অভিযুক্ত তোফায়েল আহমেদ, তার স্ত্রী ফিরোজা বেগম এবং পুত্রবধূ নিশু আক্তারকে গ্রেপ্তার করে।

নিখোঁজের পর পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি চালান। ঘটনাস্থলের সেফটিক ট্যাংকেও কয়েকবার তল্লাশি করা হলেও তখন কিছু পাওয়া যায়নি। তবে দুই দিন পর, ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় শিশুটির দাদি কোহিনুর বেগম একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ডেকে ওই সেফটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

শিশুটির পরিবারের দাবি, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তোফায়েল আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে হত্যা করেছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আসামি পক্ষ বলছে, ঘটনাটি রহস্যজনক এবং তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মামলা করা হয়েছে। তারা ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্তদের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত দুই নারী আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেয়। অন্যদিকে তোফায়েল আহমেদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হলেও অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে এবং ইতোমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Facebook Comments Box