ঢাকা ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo পাওনা টাকা চাওয়ায় দোকানে হামলা-ভাঙচুর, ব্যবসায়ী গুরুতর আহত Logo চেয়ারম্যান হলে গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’, যুবদল নেতার নামে পোস্টারিং Logo নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট, থানায় জিডি Logo নোয়াখালী জেলা যুবলীগের সভাপতি ইমন ভট্র গ্রেপ্তার Logo লালমোহন হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ Logo হেলপার চালাচ্ছিল বাস, খাদে পড়ে আহত ১০ Logo বাঘাইছড়িতে ৪২ পরিবারের জন্য সৌরশক্তি চালিত নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প উদ্বোধন Logo সৎ সাহস থাকলে পালিয়ে নয়, আদালতে আসুন: ডা. জাহিদ Logo সাইবার বুলিং ঠেকাতে কার্যকর নীতি চায় আইআরআই, আইন সংশোধনে মতামত নিচ্ছে সরকার Logo মনপুরায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি ও সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত

লালমোহনের শিক্ষা অফিসার মিলনের বিরুদ্ধে ফের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৮৮

লালমোহন ভোলা প্রতিনিধি :
ভোলার লালমোহন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো.  আক্তারুজ্জামান মিলনের বিরুদ্ধে ফের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
এবার উপজেলা শিক্ষা অফিসে বিদ্যালয়ের স্লিপ বাবদ পূর্বের চাইতে একটু কমিয়ে ৩ হাজার টাকা করে নেয়ার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও একজন সম্মানিত সদস্য।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজেদের ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে এমন পোস্ট করেন তারা।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শওকত আলী হেলাল হাওলাদার তাঁর Md Helal Hawlader আইডিতে লিখেন, “লালমোহন উপজেলার
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সন্মানিত প্রধান শিক্ষক বৃন্দ গত ৫ ই আগষ্ট বিপ্লবের প্রতি সন্মান প্রদর্শন হিসাবে চাঁদাবাজি কে না বলুন- প্লিজ।
কারন ৫ই আগষ্ট পূর্ব অবস্হা
কোনভাবেই সমর্থন করা যায় না। কেননা তখন বিশাল
অমানবিকভাবে চাঁদাবাজি হয়েছে এখন পরিমাণ কমিয়ে ইতিমধ্যে স্লিপ ৩ হাজার টাকা
১০ টি স্কুল থেকে দেয়া হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। পূর্বেও বিরুদ্ধে ছিলাম কিন্তু সফল হইনি
তবে বাগানের সেরা ফুল কে জানিয়ে ছিলাম। এখনো আছি।
তাই চাঁদা মুক্ত স্লিপ চাই।”
একইদিন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্মানিত সদস্য মো. মনিরুল ইসলাম তাঁর Manirul Islam আইডিতে একই অভিযোগ তুলে ধরেন।
এদিকে এর আগেও উপজেলা শিক্ষা অফিসার আক্তারুজ্জামান মিলনের বিরুদ্ধে সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে কালমা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আকতার হোসেন,  পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড নয়ানীগ্রামের বাসিন্দা মো. ফজলু সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ দুর্নীতি দমন কমিশনেও পৃথকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। শুধু তাই নয়, উপজেলায় বিভিন্ন বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকগণও আক্তারুজ্জামান মিলনের বিরুদ্ধে জেলা শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন।
এসব অভিযোগগুলোর তদন্তও হয়েছে, তবে অদৃশ্য কারণে পার পেয়ে গেছেন তিনি।
এনিয়ে উপজেলার শিক্ষকমহলে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করলেও আক্তারুজ্জামান মিলনের পেছনে ততকালীন আওয়ামী লীগের মদদ থাকায় কিছুই হয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষকদের।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা জানান, শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী রিয়াজ উদ্দিনসহ কতিপয় অসাধু শিক্ষকদের মাধ্যমে উৎকোচের টাকা তোলেন আক্তারুজ্জামান মিলন।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, নানা অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে ওই এলাকার মানুষের আন্দোলনের মুখে প্রত্যাহার হয়েছিলেন আক্তারুজ্জামান মিলন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতির করা এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান মিলন বলেন,  হেলাল হাওলাদার নামে কাউকে চিনি না এবং এ নামে আমার উপজেলায় কোনো শিক্ষক নাই। একইসাথে তার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সত্য নয় বলেও দাবি করেন এ কর্মকর্তা।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৩:০৫:২৫ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪ ১১৫ বার পড়া হয়েছে
Logo
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

লালমোহনের শিক্ষা অফিসার মিলনের বিরুদ্ধে ফের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:০৫:২৫ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪
১৮৮

লালমোহন ভোলা প্রতিনিধি :
ভোলার লালমোহন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো.  আক্তারুজ্জামান মিলনের বিরুদ্ধে ফের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
এবার উপজেলা শিক্ষা অফিসে বিদ্যালয়ের স্লিপ বাবদ পূর্বের চাইতে একটু কমিয়ে ৩ হাজার টাকা করে নেয়ার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও একজন সম্মানিত সদস্য।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজেদের ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে এমন পোস্ট করেন তারা।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শওকত আলী হেলাল হাওলাদার তাঁর Md Helal Hawlader আইডিতে লিখেন, “লালমোহন উপজেলার
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সন্মানিত প্রধান শিক্ষক বৃন্দ গত ৫ ই আগষ্ট বিপ্লবের প্রতি সন্মান প্রদর্শন হিসাবে চাঁদাবাজি কে না বলুন- প্লিজ।
কারন ৫ই আগষ্ট পূর্ব অবস্হা
কোনভাবেই সমর্থন করা যায় না। কেননা তখন বিশাল
অমানবিকভাবে চাঁদাবাজি হয়েছে এখন পরিমাণ কমিয়ে ইতিমধ্যে স্লিপ ৩ হাজার টাকা
১০ টি স্কুল থেকে দেয়া হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। পূর্বেও বিরুদ্ধে ছিলাম কিন্তু সফল হইনি
তবে বাগানের সেরা ফুল কে জানিয়ে ছিলাম। এখনো আছি।
তাই চাঁদা মুক্ত স্লিপ চাই।”
একইদিন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্মানিত সদস্য মো. মনিরুল ইসলাম তাঁর Manirul Islam আইডিতে একই অভিযোগ তুলে ধরেন।
এদিকে এর আগেও উপজেলা শিক্ষা অফিসার আক্তারুজ্জামান মিলনের বিরুদ্ধে সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে কালমা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আকতার হোসেন,  পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড নয়ানীগ্রামের বাসিন্দা মো. ফজলু সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ দুর্নীতি দমন কমিশনেও পৃথকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। শুধু তাই নয়, উপজেলায় বিভিন্ন বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকগণও আক্তারুজ্জামান মিলনের বিরুদ্ধে জেলা শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন।
এসব অভিযোগগুলোর তদন্তও হয়েছে, তবে অদৃশ্য কারণে পার পেয়ে গেছেন তিনি।
এনিয়ে উপজেলার শিক্ষকমহলে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করলেও আক্তারুজ্জামান মিলনের পেছনে ততকালীন আওয়ামী লীগের মদদ থাকায় কিছুই হয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষকদের।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা জানান, শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী রিয়াজ উদ্দিনসহ কতিপয় অসাধু শিক্ষকদের মাধ্যমে উৎকোচের টাকা তোলেন আক্তারুজ্জামান মিলন।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, নানা অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে ওই এলাকার মানুষের আন্দোলনের মুখে প্রত্যাহার হয়েছিলেন আক্তারুজ্জামান মিলন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতির করা এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান মিলন বলেন,  হেলাল হাওলাদার নামে কাউকে চিনি না এবং এ নামে আমার উপজেলায় কোনো শিক্ষক নাই। একইসাথে তার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সত্য নয় বলেও দাবি করেন এ কর্মকর্তা।

Facebook Comments Box