ঢাকা ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo লালমোহনে অবৈধ সিগারেট ও রোলিং পেপার জব্দ, গোডাউন মালিকদের নিয়ে প্রশ্ন Logo স্বামীর ধারালো অস্রের আঘাতে মাথায় গুরুতর জখম, হাসপাতালে স্ত্রী Logo রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মীকে আটকে রেখে মারধর, নগদ টাকা ও মালামাল ছিনতাই Logo মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপদেষ্টা: সরকারের আকার বাড়লেই কি বাড়ে সক্ষমতা? Logo নিউইয়র্কে নোয়াখালীর যুবককে গুলি করে হত্যা Logo ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯ Logo সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo তজুমদ্দিনে ৪১টি চান্দিনা ভিটা বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন। Logo তেঁতুলিয়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo ইসকনের নামে অনুদান, জমির মালিকানা নিয়ে নতুন বিতর্ক অর্থ ও জমি জালিয়াতির অভিযোগ

লালমোহনে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ড পেতে দিতে হচ্ছে ঘুষ!

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৮১৩

ভোলার লালমোহন উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির (ওএমএস) কার্ড ইস্যু ও নবায়নে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কার্ড নষ্ট, হারিয়ে যাওয়া বা নতুনভাবে ইস্যুর সময় ভোক্তাদের কাছ থেকে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাস-এর অফিসের মাধ্যমে এসব কার্ড প্রদান করা হয়। কিন্তু বাস্তবে অনেক উপকারভোগীকে অফিসে গিয়ে নানা অজুহাতে টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। টাকা না দিলে আবেদন ঝুলিয়ে রাখা হয় বা কার্ড প্রদানে অযথা বিলম্ব করা হয়।

একজন ভুক্তভোগী বলেন, “আমার কার্ড হারিয়ে গেলে নতুন করতে গেলে অফিসে ৩০০ টাকা দিতে হয়েছে। না দিলে বলে ‘সময় লাগবে’। অথচ সরকার এসব কার্ড গরিব মানুষের জন্য বিনামূল্যে দেয়।”
আরেকজন জানান, “কার্ড নবায়নের সময়ও টাকা দিতে হয়। বলা হয়, কাগজপত্র ঠিক করতে খরচ লাগে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও দালাল চক্র এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। এতে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাস-এর বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন ও সরাসরি যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

নাগরিক সমাজ ও জনপ্রতিনিধিরা বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি যেন স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত থাকে, সে জন্য প্রশাসনের কঠোর তদারকি ও নিয়মিত মনিটরিং জরুরি।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:১৬:৪৩ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫ ৪৮৪ বার পড়া হয়েছে
Logo
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

লালমোহনে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ড পেতে দিতে হচ্ছে ঘুষ!

আপডেট সময় : ০৮:১৬:৪৩ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
৮১৩

ভোলার লালমোহন উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির (ওএমএস) কার্ড ইস্যু ও নবায়নে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কার্ড নষ্ট, হারিয়ে যাওয়া বা নতুনভাবে ইস্যুর সময় ভোক্তাদের কাছ থেকে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাস-এর অফিসের মাধ্যমে এসব কার্ড প্রদান করা হয়। কিন্তু বাস্তবে অনেক উপকারভোগীকে অফিসে গিয়ে নানা অজুহাতে টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। টাকা না দিলে আবেদন ঝুলিয়ে রাখা হয় বা কার্ড প্রদানে অযথা বিলম্ব করা হয়।

একজন ভুক্তভোগী বলেন, “আমার কার্ড হারিয়ে গেলে নতুন করতে গেলে অফিসে ৩০০ টাকা দিতে হয়েছে। না দিলে বলে ‘সময় লাগবে’। অথচ সরকার এসব কার্ড গরিব মানুষের জন্য বিনামূল্যে দেয়।”
আরেকজন জানান, “কার্ড নবায়নের সময়ও টাকা দিতে হয়। বলা হয়, কাগজপত্র ঠিক করতে খরচ লাগে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও দালাল চক্র এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। এতে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাস-এর বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন ও সরাসরি যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

নাগরিক সমাজ ও জনপ্রতিনিধিরা বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি যেন স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত থাকে, সে জন্য প্রশাসনের কঠোর তদারকি ও নিয়মিত মনিটরিং জরুরি।

Facebook Comments Box