ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo সৎ সাহস থাকলে পালিয়ে নয়, আদালতে আসুন: ডা. জাহিদ Logo সাইবার বুলিং ঠেকাতে কার্যকর নীতি চায় আইআরআই, আইন সংশোধনে মতামত নিচ্ছে সরকার Logo মনপুরায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি ও সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত Logo “মনপুরায় দ্রুত জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ও কলাতলীতে বেড়ীবাঁধ নির্মানের আশ্বাস -কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক ও এমপি নয়ন Logo কুড়িগ্রামে প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে ভুয়া কাগজপত্র ও অনিয়মের অভিযোগ Logo ১০ টাকার সিম নিতে গিয়ে তথ্যের ঝুঁকিতে শত শত গ্রাহক, পঞ্চগড়ে আটক ৩ Logo কুমারখালীতে ফসলি জমি হুমকিতে: পদ্মা নদীর কোল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন Logo প্রযুক্তিনির্ভর প্রজন্ম গড়তে Ovipray-এর নতুন উদ্যোগ, অনুষ্ঠিত Robotics ও AI কর্মশালা Logo কালিয়াকৈরে বজ্রপাতের পর নৌকা থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু Logo মনপুরায় ১ ইলিশের দাম ১৫ হাজার টাকা।

দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি দেন স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৪৬৩

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে নারী ক্ষমতায়নের যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, সেটিকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী রূপ দেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

রবিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’ উদযাপন এবং ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী সম্মাননা প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, নারী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে প্রথম নারী বিষয়ক দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া এটিকে বর্তমান মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তর করেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, সেটিকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী রূপ দেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) মেয়েদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেন। নারী শিক্ষার হার বাড়াতে বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি চালু করেন। নারী শিক্ষার এই যুগান্তকারী উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত। বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এটিকে তৃতীয় বিশ্বের একটি সফল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রশংসা করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকারও নারী শিক্ষার প্রসারে গুরুত্ব দিচ্ছে। স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সরকার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কাল বাদ পরশু অর্থাৎ আগামী ১০ মার্চ থেকে এই যুগান্তকারী কর্মসূচি শুরু হচ্ছে জেনে খুবই আনন্দিত।

রাষ্ট্র ও সমাজে নারীর অবদানের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি নারী। এই বিশাল নারী শক্তিকে রাষ্ট্র ও সমাজের মূলধারা থেকে দূরে রেখে জাতীয় অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কখনোই সম্ভব নয়। এ প্রসঙ্গে আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অমর বাণী আমরা স্মরণ করি-‘বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চিরকল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর’।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৯:১৮ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬ ২৯১ বার পড়া হয়েছে
Logo
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি দেন স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় : ০৭:৪৯:১৮ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
৪৬৩

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে নারী ক্ষমতায়নের যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, সেটিকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী রূপ দেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

রবিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’ উদযাপন এবং ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী সম্মাননা প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, নারী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে প্রথম নারী বিষয়ক দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া এটিকে বর্তমান মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তর করেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, সেটিকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী রূপ দেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) মেয়েদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেন। নারী শিক্ষার হার বাড়াতে বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি চালু করেন। নারী শিক্ষার এই যুগান্তকারী উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত। বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এটিকে তৃতীয় বিশ্বের একটি সফল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রশংসা করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকারও নারী শিক্ষার প্রসারে গুরুত্ব দিচ্ছে। স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সরকার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কাল বাদ পরশু অর্থাৎ আগামী ১০ মার্চ থেকে এই যুগান্তকারী কর্মসূচি শুরু হচ্ছে জেনে খুবই আনন্দিত।

রাষ্ট্র ও সমাজে নারীর অবদানের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি নারী। এই বিশাল নারী শক্তিকে রাষ্ট্র ও সমাজের মূলধারা থেকে দূরে রেখে জাতীয় অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কখনোই সম্ভব নয়। এ প্রসঙ্গে আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অমর বাণী আমরা স্মরণ করি-‘বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চিরকল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর’।

Facebook Comments Box