ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo সাইবার বুলিং ঠেকাতে কার্যকর নীতি চায় আইআরআই, আইন সংশোধনে মতামত নিচ্ছে সরকার Logo মনপুরায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি ও সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত Logo “মনপুরায় দ্রুত জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ও কলাতলীতে বেড়ীবাঁধ নির্মানের আশ্বাস -কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক ও এমপি নয়ন Logo কুড়িগ্রামে প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে ভুয়া কাগজপত্র ও অনিয়মের অভিযোগ Logo ১০ টাকার সিম নিতে গিয়ে তথ্যের ঝুঁকিতে শত শত গ্রাহক, পঞ্চগড়ে আটক ৩ Logo কুমারখালীতে ফসলি জমি হুমকিতে: পদ্মা নদীর কোল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন Logo প্রযুক্তিনির্ভর প্রজন্ম গড়তে Ovipray-এর নতুন উদ্যোগ, অনুষ্ঠিত Robotics ও AI কর্মশালা Logo কালিয়াকৈরে বজ্রপাতের পর নৌকা থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু Logo মনপুরায় ১ ইলিশের দাম ১৫ হাজার টাকা। Logo রূপগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে যুবদল নেতার ওপর হামলার অভিযোগ

ঘাঘটের ভাঙনে ঝুঁকিতে গাইবান্ধা শহররক্ষা বাঁধ, বালু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ডিসির নির্দেশ

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৭১

ঘাঘট নদীর অব্যাহত ভাঙনে গাইবান্ধা শহরের ডেভিড কোম্পানি পাড়া সংলগ্ন শহররক্ষা বাঁধের একটি অংশ চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। নদীর সঙ্গে বাঁধের দূরত্ব কমে বর্তমানে মাত্র দুই থেকে আড়াই ফুটে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এতে যে কোনো সময় বাঁধ ভেঙে শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে ঝুঁকিপূর্ণ ওই বাঁধ এলাকা পরিদর্শন করেন গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। এ সময় তাঁর সঙ্গে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ.কে.এম. হেদায়েতুল ইসলাম, উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) মোঃ মুশফিকুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবুজ কুমার বসাক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির আহমেদসহ জেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধের বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে নদীভাঙনের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এ সময় শহররক্ষা বাঁধের ওপর একটি বালুবাহী বোলগেট থেকে এনে বালু স্তুপ করে রাখার ঘটনা চোখে পড়ে জেলা প্রশাসকের। বিষয়টি বাঁধের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওই বালু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম ঠেকাতে কঠোর নজরদারি জোরদারের নির্দেশনাও দেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে ঘাঘট নদীর ভাঙনে শহররক্ষা বাঁধ হুমকির মুখে পড়ে। দ্রুত স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ অংশে টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে না তুললে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শহররক্ষা বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৪৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ১০৪ বার পড়া হয়েছে
Logo
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

ঘাঘটের ভাঙনে ঝুঁকিতে গাইবান্ধা শহররক্ষা বাঁধ, বালু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ডিসির নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৪৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
১৭১

ঘাঘট নদীর অব্যাহত ভাঙনে গাইবান্ধা শহরের ডেভিড কোম্পানি পাড়া সংলগ্ন শহররক্ষা বাঁধের একটি অংশ চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। নদীর সঙ্গে বাঁধের দূরত্ব কমে বর্তমানে মাত্র দুই থেকে আড়াই ফুটে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এতে যে কোনো সময় বাঁধ ভেঙে শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে ঝুঁকিপূর্ণ ওই বাঁধ এলাকা পরিদর্শন করেন গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। এ সময় তাঁর সঙ্গে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ.কে.এম. হেদায়েতুল ইসলাম, উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) মোঃ মুশফিকুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবুজ কুমার বসাক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির আহমেদসহ জেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধের বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে নদীভাঙনের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এ সময় শহররক্ষা বাঁধের ওপর একটি বালুবাহী বোলগেট থেকে এনে বালু স্তুপ করে রাখার ঘটনা চোখে পড়ে জেলা প্রশাসকের। বিষয়টি বাঁধের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওই বালু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম ঠেকাতে কঠোর নজরদারি জোরদারের নির্দেশনাও দেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে ঘাঘট নদীর ভাঙনে শহররক্ষা বাঁধ হুমকির মুখে পড়ে। দ্রুত স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ অংশে টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে না তুললে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শহররক্ষা বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Facebook Comments Box