ঢাকা ০২:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল বোটসহ ১৬ জেলেকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী Logo বরিশাল-ভোলা সংযোগ: উন্নয়নের প্রত্যাশা নাকি অগ্রাধিকারের সংকট? Logo মনপুরায় জেলের জালে ১৬ কেজির কোড়াল, নিলামে বিক্রি ২৪ হাজার টাকায় Logo লালমোহনে অবৈধ সিগারেট ও রোলিং পেপার জব্দ, গোডাউন মালিকদের নিয়ে প্রশ্ন Logo স্বামীর ধারালো অস্রের আঘাতে মাথায় গুরুতর জখম, হাসপাতালে স্ত্রী Logo রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মীকে আটকে রেখে মারধর, নগদ টাকা ও মালামাল ছিনতাই Logo মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপদেষ্টা: সরকারের আকার বাড়লেই কি বাড়ে সক্ষমতা? Logo নিউইয়র্কে নোয়াখালীর যুবককে গুলি করে হত্যা Logo ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯ Logo সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

গোপালপুর হানাদার মুক্ত দিবস আজ

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২০৫

মো. নূর আলম গোপালপুর(টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি।
টাঙ্গাইলের গোপালপুরের ইতিহাসে গৌরবোজ্জ্বল দিন আজ। ১৯৭১সালে ১০ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে গোপালপুর থানা হানাদার মুক্ত হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে আসে।
দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে আজ রবিবার (১০ ডিসেম্বর) জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মুজিব চিরঞ্জীবে পুষ্পস্তক অর্পণ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর নিকরাইল রানী দিনমনি হাইস্কুলে ৭০ জন কমান্ডারের মিটিংয়ের পর কাদেরিয়া বাহিনী প্রধান বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী গোপালপুর থানা আক্রমণ করার জন্য একাধিক কোম্পানি কমান্ডারকে নির্দেশ দেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা সমরেন্দ্র নাথ সরকার বিমল জানান, নির্দেশ পাওয়ার পর নূর হোসেন তালুকদার আঙ্গুর কোম্পানী, আসাদুজ্জামান আরজু কোম্পানী গোপালপুর থেকে হানাদার মুক্ত করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুসারে নূর হোসেন তালুকদার আঙ্গুর কোম্পানী গোপালপুরের পশ্চিম দিক দিয়ে আক্রমণ করবে। আসাদুজ্জামান আরজু কোম্পানী গোপালপুর দক্ষিণাংশ দিয়ে আক্রমণ করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধারা নিরাপদ দূরত্ব থেকে পাক সেনাদের ঘেরাও করে রেখেছিলেন। পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা গোপালপুর থানা আক্রমণ করলে শত্রু সেনারা ১০ ডিসেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে গোপালপুর থেকে পূর্ব দিকে পালিয়ে যায়। সেই সঙ্গে গোপালপুর থানা হানাদার মুক্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে আসে।এসময় মুক্তিযোদ্ধারা গিয়ে থানায় উঠেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্তরের মানুষ থানায় এসে মুক্তিযোদ্ধাদের অভিনন্দন জানান এবং তাদের সঙ্গে কোলাকুলি করেন। পরে মুক্তিযোদ্ধাদের খাবারের ব্যবস্থা করেন। ১৯৭১সালের ১০ ডিসেম্বর শুক্রবার গোপালপুর থানা পাক হানাদার মুক্ত হয়। বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উড়ে।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ ১২২ বার পড়া হয়েছে
Logo
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

গোপালপুর হানাদার মুক্ত দিবস আজ

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩
২০৫

মো. নূর আলম গোপালপুর(টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি।
টাঙ্গাইলের গোপালপুরের ইতিহাসে গৌরবোজ্জ্বল দিন আজ। ১৯৭১সালে ১০ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে গোপালপুর থানা হানাদার মুক্ত হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে আসে।
দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে আজ রবিবার (১০ ডিসেম্বর) জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মুজিব চিরঞ্জীবে পুষ্পস্তক অর্পণ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর নিকরাইল রানী দিনমনি হাইস্কুলে ৭০ জন কমান্ডারের মিটিংয়ের পর কাদেরিয়া বাহিনী প্রধান বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী গোপালপুর থানা আক্রমণ করার জন্য একাধিক কোম্পানি কমান্ডারকে নির্দেশ দেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা সমরেন্দ্র নাথ সরকার বিমল জানান, নির্দেশ পাওয়ার পর নূর হোসেন তালুকদার আঙ্গুর কোম্পানী, আসাদুজ্জামান আরজু কোম্পানী গোপালপুর থেকে হানাদার মুক্ত করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুসারে নূর হোসেন তালুকদার আঙ্গুর কোম্পানী গোপালপুরের পশ্চিম দিক দিয়ে আক্রমণ করবে। আসাদুজ্জামান আরজু কোম্পানী গোপালপুর দক্ষিণাংশ দিয়ে আক্রমণ করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধারা নিরাপদ দূরত্ব থেকে পাক সেনাদের ঘেরাও করে রেখেছিলেন। পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা গোপালপুর থানা আক্রমণ করলে শত্রু সেনারা ১০ ডিসেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে গোপালপুর থেকে পূর্ব দিকে পালিয়ে যায়। সেই সঙ্গে গোপালপুর থানা হানাদার মুক্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে আসে।এসময় মুক্তিযোদ্ধারা গিয়ে থানায় উঠেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্তরের মানুষ থানায় এসে মুক্তিযোদ্ধাদের অভিনন্দন জানান এবং তাদের সঙ্গে কোলাকুলি করেন। পরে মুক্তিযোদ্ধাদের খাবারের ব্যবস্থা করেন। ১৯৭১সালের ১০ ডিসেম্বর শুক্রবার গোপালপুর থানা পাক হানাদার মুক্ত হয়। বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উড়ে।

Facebook Comments Box